Wednesday, January 24, 2018
ডেবিট
চালান
বাংলাদেশের সবার ফোন
টেলিফোনঃ ৯৫৬৮০৪১ -৫০
জনপ্রশাসন মন্ত্রী
০১৭১৫-৪০৩৯৪৫
অর্থ মন্ত্রী
০১৭১১-৫৬৫৭৯০
শিল্প মন্ত্রী
৯৩৪৭২৮৮ ফোন
০১১৯৯-৮৪০৬৪৬
বানিজ্যে মন্ত্রী
০১৭১৪-০০৫৫৬৬
কৃষি মন্ত্রী
০১৭৩০-৩২৭৮৭৮
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী
০১৭১১-৫৪১৫৬৯
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী
০১৭১১-১৫২০০২
স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী।
০১৭১১-৫৬৪৬৪৪
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী
০১৭১১-৮১৮৯৭৫
প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী
০১৯১৯-৩১১৪২৩
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী
০১৭১১-৪৩৫৬৬২
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রি
০১৭১১-৬২৪৮৮৬
গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রী
০১৭১৩-১৪৪২৩৩
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
০১৭১১-৬৮০৮১৫
মৎস ও প্রানীসম্পদ মন্ত্রী
০১৭১৭-৪০৪১১০
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী
০১৭১৫-১৩৮৮৪৪
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী।
০১৭৩১-২৫৪৩২০
তথ্য মন্ত্রী
০১৭১১-৮১৯৫২৬
পানি সম্পদ মন্ত্রী
০১৭১১-৫২২৮৬৪
পরিবেশ ও বন মন্ত্রী
০১৭১১-৫৬৩৩৬৬
শিক্ষা মন্ত্রী
০১৭১১-৮০১৫৫৭
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী
০১৭১১-৬৩৮১৯৮
আইন বিচার সংসদ বি্ষয়ক মন্ত্রী
০১৭১১-৫৯২২১৩
দর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রী
০১৯১১-৬৬৪৬৪৩
পররাষ্ট্র মন্ত্রী
০১৭৩০০৫৫৫৭৮
রেলপথ মন্ত্রনালয়
০১৭১১-৮৯৭০৩৪
পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়
০১৭১৩-১২৩৪৫৫
প্রাথমিক ও গনশিক্ষা
০১৭১৭-৮১৭৮০৩
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী
০১৭৩০-০৯৭০০১
ভূমি মন্ত্রনালয়
০১৭১১-১৩৪৩৭১
খাদ্য মন্ত্রনালয়
০১৮১৯-২২৯৬৭৯
১। মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু
শ্রম ও কর্মসংস্থান
০১৭২০-৩০৮২৯১
অর্থ এবং পরিকল্পনা
০১৭৬৬-৬৮৫৬৩৬
বস্ত্র ও পাট
০১৭১১- ৫২৪৬১৬
সমাজকল্যান
৯৫৪০০৮৪ ফোন
পাবত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক
০১৭১১-৭০৪১৪১
মৎস ও প্রানীসম্পদ
০১৭১১-২১৭৫৪৮
যুব ও ক্রিয়া
০১৭১৫-০০৪২৯০
ভুমি মন্ত্রনালয়
০২৭১২-৭২৩৪৫৬
জনপ্রশাসন
০১৭১৫-০৪৮১৩৮
মহিলা ও শিশু
০১৭৩৩-৬৩২৫৫৫
পানি সম্পদ
০১৭১১-৫৪৮০৮০
পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়
০১৭১২- ১২৬৩৭২
পররাষ্ট্র
০১৭১১-৫২৪৮২৩
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান
০১৭১১-৫২৭৩০৮
বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ
০১৭১২-৭৪৮৬১৯
তথ্য ও যোগাযোগ
০১৭১১-০৬১০৫১
ডাক ও টেলিযোগাযোগ
ফোনঃ ৯৫১৪৪০১
৯৮৮৬৯৬৬
পরিবেশ ও বন
০১৭১১-৫২৬২৩৮
যুব ও ক্রী,ড়া
০১৬১৫-২৪৭২১৩
১। মোঃ শফিউল আলম
মন্ত্রিপরিষদ সচিব
০১৭১৩-০৯১৫৬৬
মূখ্য সচিব, প্রধান মন্ত্রির কির্যালয়।
০১৭১৩-০৬৩৪৩০
সিনিয়র সচিব, জাতীয় সংসদ।
০১৭৭৭-০২০৩৮৬
০১৭৩২-৬৪২২৬৯
সিনিয়র সচিব অর্থ মন্ত্রনালয়।
০১৭৩০-৭১০৫৭৫
সিনিয়র সচিব, বানিজ্য মন্ত্রনালয়।
০১৭১৩-০৪৪৩৭৭
সচিব, প্রধানমন্ত্রির কার্যালয়।
০১৭৩০-৩২১১৬২
সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়।
০১৭৫৫-৫৫৫৮৭৬
সিনিয়র সচিব, অর্থণৈতিক সম্পর্ক
০১৭৫৫-৫৮৯১৪৬
সিনিয়র সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়।
০১৭৩০-৭৯৮৯৮৯
চেয়ারম্যান, ভূমি আপিলবোর্ড।
ফোনঃ ৮৩১৩৭১২৭
সিনিয়র সচিব, পানি সম্পদ
৯১৭৩০-৩৩১২০০
সিনিয়র সচিব, শিল্প মন্ত্রনালয়
০১৭১৪-০৭৯৩৭২
ভারপ্রাপ্ত সচিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
০১৭২৯-২৭২২০০
Wednesday, January 17, 2018
চায়না
nǐ (নি) - তুমি
hěn (হ্যান) - খুব, অত্যন্ত
gāoxìng (কাওশিং) - খুশি, আনন্দ
yě (ইয়ে) - ও, ইংরেজি also
কারো সাথে পরিচিত হলে আমরা বলি নাইস টু মিট ইউ। আপনি চীনা ভাষায় এভাবে বলতে পারেন- rènshi nǐ hěn gāoxìng (রেনশি নি হ্যান কাওশিং)। অর্থাৎ তোমার সাথে পরিচিত হয়ে খুব খুশি হলাম।
জবাবে নিশ্চই আপনিও বলবেন, তোমার সাথে পরিচিত হয়ে আমিও খুব খুশি হয়েছি। তাহলে আসুন জেনে নিই চীনা ভাষায় জবাবটা কি হবে।
জবাব অনুরূপ। শুধু আমিও শব্দটা যোগ করতে হবে। rènshi nǐ wǒ yě hěn gāoxìng এখানে wǒ (ওয়া) মানে আমি। yě (ইয়ে) মানে ও, ইংরেজিতে also ।
কোন চীনা মানুষকে আপনি জাতীয়তার পরিচয় দিতে চান কিংবা তার জাতীয়তা বা সে কোথা থেকে এসেছে জিজ্ঞেস করতে চান। তাহলে এভাবে বলতে পারেন-
১। Nǐ shì nǎ guó rén? (নি শে না গোয় রেন?)- এখানে নি মানে আপনি বা তুমি, শে মানে হলেন বা হন (টু বি ভার্ব), না মানে কোন, গোয় মানে দেশ এবং রেন মানে মানুষ। অর্থাৎ আপনি কোন দেশের মানুষ?
এর জবাব হবে- Wǒ shì Mèng jiā lā guó rén। এখানে মং চিয়া লা হলো- বাংলাদেশ। একটা বিষয় উল্লেখ না করলেই নয়, চাইনিজরা কোন দেশ বা স্থানকেই ইংরেজি নামের হুবহু মেনে নেয়না। এটা এক ধরনের বিটলামি বলেই আমি মনে করি। নিজের দেশের নাম যা ই হোক, অন্যের দেশের নাম সেই দেশের নিজস্ব উচ্চারণভঙ্গি অনুযায়ী করা উচিত। জাপানকে আমরা যদি বলি সূর্যোদয়ের দেশ, তাহলে এটা কোন অবস্থাতেই ঠিক হবে না। চাইনিজরা জাপানকে বলে রিপেন। আর চীন দেশের চীনা নাম হলো চুং গোয়। আমরাও, এমনকি সারা বিশ্বও ওদের মতো ওদের দেশের নাম ইচ্ছামতই ডাকি। যেমন চুং গোয় স্থানীয় নাম হলেও ইংরেজি হলো চায়না, উচ্চারণ হয় ছায়না। আমরা বলি এবং লিখি চীন। ভারতীয়রা লিখে চিন। যাহোক এটা কোন ব্যাপার না। তবে একটা মজার ব্যাপার হলো- চীনের রাজধানী শহরের নাম Beijing. এটার মূল উচ্চারণ হলো পেইচিং। তবে পেইচিং এর ভিন্ন ক্যারেক্টারে অর্থাৎ ভিন্ন উচ্চারণে অর্থ হলো ব্যাকগ্রাউন্ড। আপনি যদি পেইচিংয়ের উচ্চারণ একটু এদিক-সেদিক করেন তাহলে এর অর্থ হয়ে যাবে ব্যাকগ্রাউন্ড। চীনা ভাষার উচ্চারণ খুবই জটিল। তাই ফিনইন-এর সাহায্যে সঠিকভাবে এটা ব্যাখ্যা করা যায়। বাংলায় কোন অবস্থাতেই সঠিক উচ্চারণ লেখা সম্ভব নয়।
২। Nǐ cóng nǎr lái? (নি ৎছোং নার লাই?)- এখানে নি মানে আপনি, ৎছোং মানে হতে, নার মানে কোথায় এবং লাই মানে আসা। অর্থাৎ আপনি কোথা হতে এসেছেন?
এর জবাব হবে- Wǒ cóng Mèng jiā lā guó lái। আমার মনে হয় এই বাক্যটির আর ব্যাখ্যার দরকার নাই।
৩। Nǐ cóng shénme dìfang lái? (নি ৎছোং সেম্মা তিফাং লাই?)- এখানে সেম্মা মানে কি, তিফাং মানে যায়গা; সেম্মা তিফাং মানে কোন যায়গা। অর্থাৎ আপনি কোন যায়গা থেকে এসেছেন?
Wǒ cóng Mèng jiā lā guó lái / Wǒ cóng Mèng jiā lā guó Dǎkǎ lái। আমার মনে হয় এই বাক্যটিরও ব্যাখ্যার দরকার নাই। ওরা ঢাকাকে Dǎkǎ বলে। তবে একটা কথা, আমরা যেমন ঠিকানা লিখতে প্রথমে গ্রামের নাম, পোস্ট অফিস, থানা, জেলা, বিভাগ দেশ লিখি ওরা আমাদের থেকে উল্টোভাবে অর্থাৎ প্রথমে বড়, তারপর ছোট ক্রমে লিখে। তাই দেশের পর রাজধানীর নাম এসেছে।
৪। Nǐ shì zhōng guó rén ma? (নি শে চুং গোয় রেন মা?)- এখানে চুং গোয় মানে চায়না বা চীন, মা হলো জিজ্ঞাসা বাক্যের প্রতীক। সাধারণত বাক্যের শেষে মা ব্যবহার করে প্রশ্নবোধকে রূপান্তর করা যায়। তাহলে এই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় আপনি কি চীনা?
এই প্রশ্নের উত্তর আপনি দুভাবে দিতে পারেন। সংক্ষেপে- shì। তারপর বলতে পারেন- Wǒ shì zhōng guó rén।
আজ তাহলে এর বেশি নয়। বাক্য কম হলেও ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অনেক বেশি লিখে ফেলেছি। তাই পূর্বের পোস্টে ব্লগার বন্ধুদের পরামর্শ সত্ত্বেও আজ আর বেশি বড় করলাম না।
আগ্রহী ব্লগার বন্ধুরা পরামর্শ দিলে খুশি হবো। আপনাদের পরামর্শ মতো নতুন নতুন বাক্য নিয়ে আলোচনা করব।
ব্লগে চীনা ভাষা বিশেষজ্ঞ আছেন বলেই জানি। তারা একটু ভালো করে খেয়াল করলে খুশি হবো। কারণ, আমি কেবল শিখছি। এখানে ভুল হলে যারা চীনা ভাষা জানে না, তারা ধরতে পারবে না। তাহলে ভুলটাও আর শুদ্ধ হলো না। আপনারা শুদ্ধ করে দিলে অনেকের উপকার হবে। আমার তো অবশ্যই।
আবার কথা হবে। যাই চিয়েন।
মন্ ৩৭ টি র +৬/-০
মন্তব্য (৩৭) মন্তব্য লিখুন
১| Im ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩১
পেইচিং বলেছেন: চীনা ভাষা তাদের নিজের দেশের নাম চুং গোয়। এর অর্থ হলো মাঝের দেশ। চুং মানে হলো মধ্য। গোয় মানে দেশ। ওরা নিজের দেশকে পৃথিবীর মাঝের দেশ মনে করে।
Sunday, January 14, 2018
সোডিয়াম সিলিকেট
শ্রেণী স্বাস্থ্য
সোডিয়াম সিলিকেট - বৈশিষ্ট্য, উৎপাদন, ক্ষতি
2017-08-11 15:01:51
সোডিয়াম সিলিকেট তরল কাচ, খাদ্যপ্রাণ E550
সিলিকন অ্যাসিড সল্ট হয়. প্রথম তরল 1818 সালে গ্লাস জার্মান রসায়নবিদ জানুয়ারী Nepomuk ভন Fuchs ছিল. এই যৌগ প্রকৃতিতে খুব সাধারণ. Silicates মৃন্ময় উপাদান, ফেল্ডস্পার, মাইকা সব পরিচিত খনিজ যৌগের এক তৃতীয়াংশ হয়.
তরল কাচ সাধারণ বৈশিষ্ট্যাবলী
সোডিয়াম সিলিকেট - একটি নির্দিষ্ট স্বাদ ও গন্ধ ছাড়া সাদা বা অফ হোয়াইট সূক্ষ্ম গুঁড়া. তরল কাচ একটি সান্দ্র সমাধান গঠন, জলে দ্রবীভূত. লঘু সোডিয়াম সিলিকেট silicic অ্যাসিড anions এবং সোডিয়াম cations উপর decomposes. সোডিয়াম সিলিকেট জল সমাধান অপসারণের একটি নিরাকার কঠিন রূপান্তরিত হয়. এসিড ক্লোরাইড এবং waterglass সমাধান গঠন সিলিকা সর্বেন্ট কর্মের অধীন.
পাঁচটি আট ধা আয়তনের 200-300 ° সেঃ স্ফীত এবং বৃদ্ধির একটি তাপমাত্রায় গরম করে সোডিয়াম সিলিকেট সান্দ্র সমাধান.
সোডিয়াম সিলিকেট উৎপাদন
বর্তমানে feedstock ধারণকারী সিলিকা, সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড গাঢ় সমাধান autoclaving দ্বারা প্রস্তুত waterglass. গলিত কাচের দানা উপর ভিত্তি করে উৎপাদন সোডিয়াম সিলিকেট জন্য
পদ্ধতি, গ্যাস ফেজ এবং সমাধানগুলো থেকে এজাহার করুন .
এছাড়াও রয়েছে
সোডিয়াম সিলিকেট ব্যবহার
খাদ্য শিল্প খাদ্য যুত ইন E550 খাদ্য পণ্য বেকারি পণ্য, শুষ্ক দুধ, চিনি এবং অন্যান্য চূর্ণ পণ্য ও খাদ্য কাঁচামাল প্রস্তুত এজেন্ট caking রোধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়.
তরল কাচ: পাশাপাশি ডিটারজেন্ট পাউডারের এবং প্রতিলেপন উত্পাদন ব্যবহার হিসাবে, সাবান যোগ করা হয়. এই উপাদান প্রায়ই শ্যাডো, আলগা পাউডার এবং prisypok.Sinteticheski sintezirovannoezhidkoe কাচ ধাতু সহযোগ adsorbents, কঠিন লুব্রিকেন্ট, অন্তর্ভুক্ত প্রস্তুত ফার্মাসিউটিক্যাল এবং প্রসাধনী শিল্পে ব্যবহৃত হয় এবং এছাড়াও ধাতুমল, সিমেন্ট, কংক্রিট প্রস্তুত ব্যবহৃত হয় এবং ogneuporov.Dobavka E550 একটি গর্ত ইত্যাদি বোজানো হিসাবে ব্যবহার করা হয় শিল্প রঙে, কাগজ, রাবার, বার্নিশ.
সোডিয়াম সিলিকেট এর ক্ষতি
বিশেষজ্ঞদের খাদ্যপ্রাণ E550 সম্ভাব্য ক্ষতি সংখ্যা প্রমাণ পাওয়া যায় নি. এই কারণে, এখন কিছু দেশে এটি একটি সুস্বাদু খাবার হিসেবে সোডিয়াম সিলিকেট ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয় যুত করুন .
এটি একটি খাদ্য যুত E550 যেমন শৈশব এবং ক্রনিক রোগ এলার্জি, পাচক রোগ, এর একটা প্রবণতা নিয়ে খাবার খরচ সীমাবদ্ধ তাই বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ.
Tweet S
Friday, January 5, 2018
ভাষা শিক্ষা
Tuesday, January 2, 2018
কি করবেন
১) দই
নিয়মিত দই খান। দইতে ব্যাকটেরিয়া থাকে। কিন্তু সেই ব্যাকটেরিয়া শরীরের পক্ষে ভাল। দই বয়সজনিত কারণে হওয়া রোগগুলো প্রতিরোধ করে। দইতে অনেকটা পরিমাণ ক্যালসিয়ামও থাকে।
২) কমলালেবু
কমলালেবু শুধু সুস্বাদু কিংবা দেখতে সুন্দরই এক ফল না। কমলালেবু খাওয়া শরীরের জন্য খুবই ভাল। কারণ, কমলালেবুতে অনেকটা পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে। ত্বক টানটান রাখে কমলালেবু।
৩) রেড ওয়াইন
সময় সুযোগে, মাঝে-মাঝে অবশ্যই পান করুন রেড ওয়াইন। হৃদরোগের প্রকোপ থেকে আপনাকে অবশ্যই বাঁচাবে। ডায়াবেটিস থেকেও রক্ষা করবে আপনাকে রেড ওয়াইন।
৪) অলিভ অয়েল
অলিভ তেল আপনার যৌবনকে ধরে রাখতে সাহায্য করবে। রোগ থেকে যেমন দূরে সরিয়ে রাখবে, আপনার শরীরে এনে দেবে জেল্লা। যা আপনার বয়সকে সত্যিই কম করে দেখাবে।
৫) বেরি
স্ট্রবেরি হোক কিংবা ব্ল্যাকবেরি, সবকটিই আপনার শরীরের জন্য খুবই ভাল। কালোজাম বিশেষ করে। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে। আপনার ত্বককে করে রাখবে সতেজ।