Wednesday, January 24, 2018

ডেবিট

এটিএম কি ? ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড সম্পর্কে আলোচনাঃ
OCTOBER 9, 2015 · PUBLIC
এটিএম কি ? ________এটিএম শব্দের অর্থ হচ্ছে “Automated Teller Machines” সোজা বাংলা কথায় আমরা বলতে পারি টাকার মেশিন । কি অদ্ভুত মনে হচ্ছে ? আসলে এটিই সত্যি ধীরে ধীরে বিষয়টি পরিস্কার করছি । বর্তমান বিশ্বে ব্যাংক গ্রাহকের ২৪ ঘন্টা, সপ্তাহে সাত দিন এবং বছরের বার মাস ননস্টপ ব্যাংকিং এর চাহিদার কথা মাথায় রেখে “Automated Teller Machines” বা এটিএম এর জন্ম হয়েছে । বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে ছোট্ট একটি স্থানে এধরনের বুথ তৈরি করা হয় যার সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে ব্যাংকসমুহ । এটিএম এর মাধ্যমে ব্যাংকের গ্রাহক যেমন ননস্টপ ব্যাংকিং করতে পারছে তেমনি ব্যাংকের তাদের অফিসে অতিরিক্ত লোকবল খাটানোর প্রয়োজন হচ্ছে না এবং এর মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা ব্যাংকিং করা সম্ভব হচ্ছে খুবই সহজে তাই এটি বিশ্বব্যাপী একটি খুবই জনপ্রিয় পদ্ধতি । এটিএম ব্যাবহারের সবচেয়ে বেশি সুবিধা হচ্ছে এর মাধ্যমে আপনি বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে বিশ্বের যেকোনো ব্যাংকের অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন । বর্তমানে এটিএম ভিসা, মাস্টারকার্ড, এমেরিকান এক্সপ্রেস সহ বিভিন্ন গেটওয়ে সমর্থন করে থাকে । এটিএম থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য ব্যাবহার করা হয় বিশেষ একধরনের প্লাস্টিক কার্ড । এই প্লাস্টিক কার্ডে বসান হয় বিশেষ একধরনের সেন্সর যেটিকে আমরা বলে থাকি ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড যা আপনার একটি চলমান ব্যাংক । দিন গড়ানোর সাথে সাথে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের ব্যাবহার। বিশেষ করে নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি নেই বলে এর জনপ্রিয়তা উত্তরত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুধু তাই নয় এই কার্ডের মাধ্যমে অনলাইনে পন্য ক্রয় বিক্রয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদনা করা সম্ভব হচ্ছে । ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড সম্পর্কে স্পস্ট ধারনা না থাকায় আমরা অনেক সময় বুঝতে পারিনা এর পার্থক্য । নিম্নে ডেবিট কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
ডেবিট কার্ডঃ _________ডেবিট কার্ড বলতে আমরা বুঝি, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক প্রদানকৃত একাউন্টে টাকা উত্তোলন/জমা করার জন্য ব্যবহৃত এটিএম কার্ড। এই কার্ডধারী ব্যক্তি শুধু মাত্র তার পূর্ব জমাকৃত টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করতে পারেন। এই কার্ড ব্যবহার করে জিনিসপত্র কেনার পাশাপাশি সেভিংস অ্যাকাউন্ট থেকে এটিএমএর মাধ্যমে নগদ টাকা উত্তোলন করা যায় বলে বিশ্বব্যাপী এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা ।
ক্রেডিট কার্ডঃ ________ক্রেডিট কার্ড বলতে আমরা বুঝি, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক প্রদানকৃত একটি এটিএম কার্ড যাতে একটি নির্দিষ্ট অংকের টাকা নির্দিষ্ট সময়ে কিছু শর্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের টাকা কোনো ব্যক্তিকে ঋণ প্রদান করার হয়। আর সহজ ভাবে, ক্রেডিট কার্ড ব্যাবহারকারিরা তদের ব্যাংক একাউন্ট থেকে লোণ নিয়ে তা ব্যাবসা বা অন্য কোন প্রয়োজনে ব্যয় করে থাকেন শর্ত সাপেক্ষে ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড ব্যাবহারকারিদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট অংকের সুদ গ্রহন করে থাকে । সাধারণত অনেক বেশি টাকার পণ্য কিংবা সেবা ক্রয়ের সময় ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা হয়।
ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে পার্থক্যঃ ____________অনেকেই ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের ঝামেলায় পড়ে যান কারন তারা এই দুটির মাঝে পার্থক্য বুঝতে পারেন না তাদের জন্য সহজভাবে বলছি, ডেবিট কার্ড ব্যবহার করলে আপনি টাকা খরচ করেন নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকেই আর ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে সেটি আপনার ঋণ হিসেবে পাবেন ফলে পরবর্তীতে আপনাকে ঋণ শোধ করতে হবে । ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা হলো কারো কাছ থেকে টাকা ধার চাওয়া লাগবেনা, ওটা থেকেই ধার নিতে পারবেন। এর ফলে আপনাকে ধারের সুদ ব্যাংককে প্রদান করতে হবে ।
#_Note: কারো যদি Payoneer Card, Paypal, Skrill/Moneybooker, Netller, Payza একাউন্ট লাগে তাহলে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

চালান

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের হিসাববিজ্ঞান
রাশিদা ইয়াসমিন | প্রকাশ : ১৯ জুন ২০১৪
সিনিয়র শিক্ষক, ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল, খিলগাঁও, ঢাকা
সুপ্রিয় শিক্ষার্থী, লেনদেন Chapter-এ আজ আমি আলোচনা শেষে তোমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু বহুনির্বাচনী প্রশ্ন তুলে ধরলাম, যা তোমাদের পরীক্ষায় সহায়তা করবে।
লেনদেনের উৎস ও এ সংক্রান্ত দলিলপত্রাদি :
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লেনদেন সংক্রান্ত দৈনন্দিন ঘটনাবলীই লেনদেনের উৎস। মালামাল ক্রয়-বিক্রয়, মজুরি প্রদান, সম্পত্তি ক্রয়, বেতন প্রদান ইত্যাদির ওপর কিছু দলিল তৈরি হয়, যা চালান, বিল, ক্যাশমেমো ভাউচার, বেতন শিট, মজুরি শিট, ডেবিট নোট, ক্রেডিট নোট ইত্যাদি নামে পরিচিত। নিচে সংক্ষেপে দলিলগুলোর আলোচনা করা হল-
চালান : চালানের সঙ্গে সম্পর্কিত মাল ক্রয়-বিক্রয় কার নিকট থেকে, কখন, কি পরিমাণ, কত দরে, মোট কত টাকার মাল ক্রয়-বিক্রয় হল তা বিক্রেতা যথাযথভাবে লিখে এক কপি ক্রেতাকে এবং অন্যকপি নিজের কাছে সংরক্ষণ করেন। চালান অনুযায়ী ক্রেতা ক্রয় বহিতে এবং বিক্রেতা বিক্রয় বহিতে হিসাব লিপিবদ্ধ করেন।
বিল ও ক্যাশমেমো : নগদ বিক্রয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত ক্যাশমেমো। এটি প্রণীত হয় তিন কপি, মূল কপি ক্রেতাকে ও কার্বন কপিগুলো বিক্রেতার কাছে থাকে। ক্রেতা চালান বিল ও ক্যাশমেমো যুক্ত করে নগদান বহিতে হিসাব লিপিবদ্ধ করেন।
ভাউচার : ক্রয়-বিক্রয়, খরচ, আয় লিপিবদ্ধ করার সাক্ষ্য প্রমাণপত্রই ভাউচার। ভাউচার দুই প্রকার- ডেবিট ও ক্রেডিট ভাউচার। ক্রয় এবং খরচের জন্য ডেবিট ভাউচার। আবার বিক্রয় এবং আয়ের জন্য ক্রেডিট ভাউচার তৈরি হয়।
ডেবিট নোট : ক্রেতা কোনো কারণবশত ক্রয়কৃত মাল ফেরত পাঠালে মালের পূর্ণ বিবরণ, পরিমাণ, দর, মূল্য ইত্যাদি সংবলিত যে কাগজখানা বিক্রেতার কাছে পাঠায় তাকে ডেবিট নোট বলে। ডেবিট নোট চালান থেকে আলাদা বলে লাল কালিতে লেখা হয়।
ক্রেডিট নোট : বিক্রীত মাল ফেরত এলে বিক্রেতা মালের বিবরণ, পরিমাণ, দর, মূল্য ইত্যাদি লিখে ক্রেতাকে যে কাগজখানা পাঠায় তার নাম ক্রেডিট নোট। ক্রেডিট নোট থেকে বিক্রয় ফেরত বই লিপিবদ্ধ করা হয়।
বহুনির্বাচনী
১। ডেবিট নোট ব্যবহৃত হয়-
ক) ধারে ক্রয়কৃত পণ্য ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে
খ) ধারে বিক্রয়কৃত পণ্য ফেরত পাঠানোর জন্য
গ) নগদে বিক্রয়কৃত পণ্য ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে
ঘ) নগদে ক্রয়কৃত পণ্য ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে
২। ডেবিট নোট তৈরি করেন
ক) বিক্রেতা খ) ভোক্তা গ) সরকার ঘ) ক্রেতা
৩। আর্থিক অবস্থায় পরিবর্তন ঘটায় এমন ঘটনাকে বলে
ক) ক্রয় খ) বিক্রয় গ) সেবা ঘ) লেনদেন।
৪। হিসাব লিপিবদ্ধকরণ প্রক্রিয়ার প্রধান উপাদান
ক) জাবেদা খ) লেনদেন গ) দুই তরফা দাখিলা ঘ) হিসাব
৫। ঘটনা সম্পর্কিত যুক্তিসঙ্গত বিষয় হল (অনুধানবমূলক)
i) লেনদেন ঘটনার উৎস ii) ঘটনা আর্থিক হতে পারে iii) ঘটনা লেনদেন হতেও পারে নাও হতে পারে। (নিচের কোনটি সঠিক)
ক) i, ii খ) ii, iii গ) i, ii, iii ঘ) i, iii
৬। কোনো কোম্পানির একজন কর্মচারী, যার মাসিক বেতন ছিল ৫০,০০০ টাকা। তার অকাল মৃত্যু হয়েছে। এটি একটি ঘটনা লেনদেন নয় কেন?
ক) তার মৃত্যুতে কোনো সম্পদ বয়ে আনেনি বলে
খ) ব্যবসায়ের সঙ্গে মৃত্যুর সম্পর্ক নেই বলে
গ) মানুষ মরণশীল বলে
ঘ) টাকায় পরিমাপযোগ্য নয় বলে।
৭। দুটি পক্ষ লেনদেনে অত্যাবশ্যক- এটি লেনদেনের কোন বৈশিষ্ট্য?
ক) দাতা গ্রহীতা খ) দ্বৈতসত্তা গ) পরিপূর্ণতা ঘ) স্বয়ং সম্পূর্ণতা
৮। ভাউচার কত প্রকার?
ক) ৪ খ) ৩ গ) ৫ ঘ) ২
৯। ভাউচার প্রস্তুতকারী কে?
ক) ক্রেতা খ) ভোক্তা গ) ছাত্রছাত্রী ঘ) ক্যাশিয়ার।
১০। ক্রেডিট নোট হতে যে বহি লেখা হয় তা হলÑ
ক) ক্রয় বহি খ) বিক্রয় ফেরত বহি গ) বিক্রয় বহি ঘ) বিজ্ঞাপন বহি।
১১। মালিকানা স্বত্ব উপস্থাপনকারী সূত্র হল
ক) A+L=E খ) L=A+E গ) E=A-L ঘ) A=L+E
১২। অদৃশ্য আর্থিক ঘটনা হলে কি হবে?
ক) লেনদেন খ) হিসাব নয় এমন ঘটনা গ) সম্ভাব্য লেনদেন ঘ) লেনদেন নয়।
১৩। কারবার থেকে মালিকের নিজ প্রয়োজনে উত্তোলন হিসাব সমীকরণে কি প্রভাব ফেলবে?
ক) সম্পদ ও মালিকানা স্বত্ব হ্রাস
খ) সম্পদ ও মালিকানা বৃদ্ধি
গ) সম্পদ ও ব্যয় বৃদ্ধি
ঘ) সম্পদ ও দায় হ্রাস
১৪. মালিকানা স্বত্ব বৃদ্ধি পায় কি হলে?
ক) ব্যয় বৃদ্ধি পেলে খ) আয় বৃদ্ধি পেলে গ) দায় বৃদ্ধি পেলে ঘ) ক্ষতি হলে
উত্তর : ১। ক ২। ঘ ৩। ঘ ৪। খ ৫। খ ৬। ঘ ৭। খ ৮। ঘ ৯। ঘ ১০। খ ১১। গ ১২। ক ১৩। ক ১৪। খ

বাংলাদেশের সবার ফোন

রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ
টেলিফোনঃ ৯৫৬৮০৪১ -৫০
১। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম
জনপ্রশাসন মন্ত্রী
০১৭১৫-৪০৩৯৪৫
২। আবুল মাল আব্দুল মুহিত
অর্থ মন্ত্রী
০১৭১১-৫৬৫৭৯০
৩। আমির হোসেন আমু
শিল্প মন্ত্রী
৯৩৪৭২৮৮ ফোন
০১১৯৯-৮৪০৬৪৬
৪। তোফায়েল আহমেদ
বানিজ্যে মন্ত্রী
০১৭১৪-০০৫৫৬৬
৫। বেগম মতিয়া চৌধুরী
কৃষি মন্ত্রী
০১৭৩০-৩২৭৮৭৮
৬। আসাদুজ্জামান খান
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী
০১৭১১-৫৪১৫৬৯
৭। মোহাম্মদ নাসিম
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রী
০১৭১১-১৫২০০২
৮। খন্দকার মোশাররফ হোসেন
স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী।
০১৭১১-৫৬৪৬৪৪
৯। রাশেদ খান মেনন
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী
০১৭১১-৮১৮৯৭৫
১০। নুরুল ইসলাম বিএসসি
প্রবাসী কল্যান ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী
০১৯১৯-৩১১৪২৩
১১। স্থপতি ইয়াফেস ওসমান
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী
০১৭১১-৪৩৫৬৬২
১২। অধ্যক্ষ মতিউর রহমান
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রি
০১৭১১-৬২৪৮৮৬
১৩। ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন
গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রী
০১৭১৩-১৪৪২৩৩
১৪। আ ক ম মোজাম্মেল হক
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
০১৭১১-৬৮০৮১৫
১৫। মোঃ ছায়েদুল হক
মৎস ও প্রানীসম্পদ মন্ত্রী
০১৭১৭-৪০৪১১০
১৬।  মুহাঃ ইমাজউদ্দিন প্রামানিক
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী
০১৭১৫-১৩৮৮৪৪
১৭। ওবায়দুল কাদের
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী।
০১৭৩১-২৫৪৩২০
১৮। হাসানুল হক ইনু
তথ্য মন্ত্রী
০১৭১১-৮১৯৫২৬
১৯। আনিসুল ইসলাম মাহমুদ
পানি সম্পদ মন্ত্রী
০১৭১১-৫২২৮৬৪
২০। জনাব আনোয়ার হোসেন
পরিবেশ ও বন মন্ত্রী
০১৭১১-৫৬৩৩৬৬
২১। নুরুল ইসলাম নাহিদ
শিক্ষা মন্ত্রী
০১৭১১-৮০১৫৫৭
২২। শাহাজান খান
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী
০১৭১১-৬৩৮১৯৮
২৩। আনিসুল হক
আইন বিচার সংসদ বি্ষয়ক মন্ত্রী
০১৭১১-৫৯২২১৩
২৪। মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম
দর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রী
০১৯১১-৬৬৪৬৪৩
২৫। আবুল হাসান মাহমুদ আলী
পররাষ্ট্র মন্ত্রী
০১৭৩০০৫৫৫৭৮
২৬। মোঃ মুজিবুল হক
রেলপথ মন্ত্রনালয়
০১৭১১-৮৯৭০৩৪
২৭। আ হ ম মুস্তফা কামাল
পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়
০১৭১৩-১২৩৪৫৫
২৮। মোস্তাফিজুর রহমান
প্রাথমিক ও গনশিক্ষা
০১৭১৭-৮১৭৮০৩
২৯। আসাদুজ্জামান নূর
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী
০১৭৩০-০৯৭০০১
৩০। শামসুর রহমান শরীফ
ভূমি মন্ত্রনালয়
০১৭১১-১৩৪৩৭১
৩১। কামরুল ইসলাম
খাদ্য মন্ত্রনালয়
০১৮১৯-২২৯৬৭৯
বাংলাদেশের প্রতিমন্ত্রী
১। মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু
শ্রম ও কর্মসংস্থান
০১৭২০-৩০৮২৯১
২। এম এ মান্নান
অর্থ এবং পরিকল্পনা
০১৭৬৬-৬৮৫৬৩৬
৩। মির্জা আজম
বস্ত্র ও পাট
০১৭১১- ৫২৪৬১৬
৪। নুরুজ্জামান আহমেদ
সমাজকল্যান
৯৫৪০০৮৪ ফোন
৫। বীর বাহাদুর উ শৈ সিং
পাবত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক
০১৭১১-৭০৪১৪১
৬। শ্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ্র
মৎস ও প্রানীসম্পদ
০১৭১১-২১৭৫৪৮
৭। ড.শ্রী বিরেন শিকদার
যুব ও ক্রিয়া
০১৭১৫-০০৪২৯০
৮। সাইফুজ্জামান চৌধুরী
ভুমি মন্ত্রনালয়
০২৭১২-৭২৩৪৫৬
৯। বেগম ইসমত আরা ছাদেক
জনপ্রশাসন
০১৭১৫-০৪৮১৩৮
১০। বেগম মেহের আফরোজ
মহিলা ও শিশু
০১৭৩৩-৬৩২৫৫৫
১১। মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম
পানি সম্পদ
০১৭১১-৫৪৮০৮০
১২। মো মসিউর রহমান রাঙ্গা
পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়
০১৭১২- ১২৬৩৭২
১৩। মোঃ শাহরিয়ার আলম
পররাষ্ট্র
০১৭১১-৫২৪৮২৩
১৪। জাহিদ মালেক
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান
০১৭১১-৫২৭৩০৮
১৫। নসরুল হামিদ
বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ
০১৭১২-৭৪৮৬১৯
১৬। জুনায়েদ আহমেদ পলক
তথ্য ও যোগাযোগ
০১৭১১-০৬১০৫১
১৭। বেগম তারানা হালিম
ডাক ও টেলিযোগাযোগ
ফোনঃ ৯৫১৪৪০১
          ৯৮৮৬৯৬৬
উপমন্ত্রীবৃন্দ
আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব
পরিবেশ ও বন
০১৭১১-৫২৬২৩৮
আরিফ খান জয়
যুব ও ক্রী,ড়া
০১৬১৫-২৪৭২১৩
বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের সচিব মহোদয়।
১। মোঃ শফিউল আলম
মন্ত্রিপরিষদ সচিব
০১৭১৩-০৯১৫৬৬
২। ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী
মূখ্য সচিব, প্রধান মন্ত্রির কির্যালয়।
০১৭১৩-০৬৩৪৩০
৩। মোঃ আবদুর রব হাওলাদার
সিনিয়র সচিব, জাতীয় সংসদ।
০১৭৭৭-০২০৩৮৬
০১৭৩২-৬৪২২৬৯
৪।  মাহবুব আহমেদ
সিনিয়র সচিব অর্থ মন্ত্রনালয়।
০১৭৩০-৭১০৫৭৫
৫। হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন এনডিসি
সিনিয়র সচিব,  বানিজ্য মন্ত্রনালয়।
০১৭১৩-০৪৪৩৭৭
৬। সুরাইয়া বেগম এনডিসি
সচিব,  প্রধানমন্ত্রির কার্যালয়।
০১৭৩০-৩২১১৬২
৭। মোঃ মোজাম্মেল হক খান
সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়।
০১৭৫৫-৫৫৫৮৭৬
৮। মোঃ মেজবাহ উদ্দিন
সিনিয়র সচিব, অর্থণৈতিক সম্পর্ক
০১৭৫৫-৫৮৯১৪৬
৯। কাজী হাবিবুল আউয়াল
সিনিয়র সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়।
০১৭৩০-৭৯৮৯৮৯
১০। ড. মুজিবুর রহমান
চেয়ারম্যান, ভূমি আপিলবোর্ড।
ফোনঃ ৮৩১৩৭১২৭
১১। ড. জাফর আহমেদ খান
সিনিয়র সচিব, পানি সম্পদ
৯১৭৩০-৩৩১২০০
১২। মোশাররফ হোসেন ভূইয়া
সিনিয়র সচিব,  শিল্প মন্ত্রনালয়
০১৭১৪-০৭৯৩৭২
১৩। মোঃ সিরাজুল হক খান
ভারপ্রাপ্ত সচিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
০১৭২৯-২৭২২০০
১৪।

Wednesday, January 17, 2018

চায়না

rènshi (রেনশি) - পরিচিত হওয়া, পরিচিত হয়ে
nǐ (নি) - তুমি
hěn (হ্যান) - খুব, অত্যন্ত
gāoxìng (কাওশিং) - খুশি, আনন্দ
yě (ইয়ে) - ও, ইংরেজি also
কারো সাথে পরিচিত হলে আমরা বলি নাইস টু মিট ইউ। আপনি চীনা ভাষায় এভাবে বলতে পারেন- rènshi nǐ hěn gāoxìng (রেনশি নি হ্যান কাওশিং)। অর্থাৎ তোমার সাথে পরিচিত হয়ে খুব খুশি হলাম।
জবাবে নিশ্চই আপনিও বলবেন, তোমার সাথে পরিচিত হয়ে আমিও খুব খুশি হয়েছি। তাহলে আসুন জেনে নিই চীনা ভাষায় জবাবটা কি হবে।
জবাব অনুরূপ। শুধু আমিও শব্দটা যোগ করতে হবে। rènshi nǐ wǒ yě hěn gāoxìng এখানে wǒ (ওয়া) মানে আমি। yě (ইয়ে) মানে ও, ইংরেজিতে also ।
কোন চীনা মানুষকে আপনি জাতীয়তার পরিচয় দিতে চান কিংবা তার জাতীয়তা বা সে কোথা থেকে এসেছে জিজ্ঞেস করতে চান। তাহলে এভাবে বলতে পারেন-
১। Nǐ shì nǎ guó rén? (নি শে না গোয় রেন?)- এখানে নি মানে আপনি বা তুমি, শে মানে হলেন বা হন (টু বি ভার্ব), না মানে কোন, গোয় মানে দেশ এবং রেন মানে মানুষ। অর্থাৎ আপনি কোন দেশের মানুষ?
এর জবাব হবে- Wǒ shì Mèng jiā lā guó rén। এখানে মং চিয়া লা হলো- বাংলাদেশ। একটা বিষয় উল্লেখ না করলেই নয়, চাইনিজরা কোন দেশ বা স্থানকেই ইংরেজি নামের হুবহু মেনে নেয়না। এটা এক ধরনের বিটলামি বলেই আমি মনে করি। নিজের দেশের নাম যা ই হোক, অন্যের দেশের নাম সেই দেশের নিজস্ব উচ্চারণভঙ্গি অনুযায়ী করা উচিত। জাপানকে আমরা যদি বলি সূর্যোদয়ের দেশ, তাহলে এটা কোন অবস্থাতেই ঠিক হবে না। চাইনিজরা জাপানকে বলে রিপেন। আর চীন দেশের চীনা নাম হলো চুং গোয়। আমরাও, এমনকি সারা বিশ্বও ওদের মতো ওদের দেশের নাম ইচ্ছামতই ডাকি। যেমন চুং গোয় স্থানীয় নাম হলেও ইংরেজি হলো চায়না, উচ্চারণ হয় ছায়না। আমরা বলি এবং লিখি চীন। ভারতীয়রা লিখে চিন। যাহোক এটা কোন ব্যাপার না। তবে একটা মজার ব্যাপার হলো- চীনের রাজধানী শহরের নাম Beijing. এটার মূল উচ্চারণ হলো পেইচিং। তবে পেইচিং এর ভিন্ন ক্যারেক্টারে অর্থাৎ ভিন্ন উচ্চারণে অর্থ হলো ব্যাকগ্রাউন্ড। আপনি যদি পেইচিংয়ের উচ্চারণ একটু এদিক-সেদিক করেন তাহলে এর অর্থ হয়ে যাবে ব্যাকগ্রাউন্ড। চীনা ভাষার উচ্চারণ খুবই জটিল। তাই ফিনইন-এর সাহায্যে সঠিকভাবে এটা ব্যাখ্যা করা যায়। বাংলায় কোন অবস্থাতেই সঠিক উচ্চারণ লেখা সম্ভব নয়।
২। Nǐ cóng nǎr lái? (নি ৎছোং নার লাই?)- এখানে নি মানে আপনি, ৎছোং মানে হতে, নার মানে কোথায় এবং লাই মানে আসা। অর্থাৎ আপনি কোথা হতে এসেছেন?
এর জবাব হবে- Wǒ cóng Mèng jiā lā guó lái। আমার মনে হয় এই বাক্যটির আর ব্যাখ্যার দরকার নাই।
৩। Nǐ cóng shénme dìfang lái? (নি ৎছোং সেম্মা তিফাং লাই?)- এখানে সেম্মা মানে কি, তিফাং মানে যায়গা; সেম্মা তিফাং মানে কোন যায়গা। অর্থাৎ আপনি কোন যায়গা থেকে এসেছেন?
Wǒ cóng Mèng jiā lā guó lái / Wǒ cóng Mèng jiā lā guó Dǎkǎ lái। আমার মনে হয় এই বাক্যটিরও ব্যাখ্যার দরকার নাই। ওরা ঢাকাকে Dǎkǎ বলে। তবে একটা কথা, আমরা যেমন ঠিকানা লিখতে প্রথমে গ্রামের নাম, পোস্ট অফিস, থানা, জেলা, বিভাগ দেশ লিখি ওরা আমাদের থেকে উল্টোভাবে অর্থাৎ প্রথমে বড়, তারপর ছোট ক্রমে লিখে। তাই দেশের পর রাজধানীর নাম এসেছে।
৪। Nǐ shì zhōng guó rén ma? (নি শে চুং গোয় রেন মা?)- এখানে চুং গোয় মানে চায়না বা চীন, মা হলো জিজ্ঞাসা বাক্যের প্রতীক। সাধারণত বাক্যের শেষে মা ব্যবহার করে প্রশ্নবোধকে রূপান্তর করা যায়। তাহলে এই বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় আপনি কি চীনা?
এই প্রশ্নের উত্তর আপনি দুভাবে দিতে পারেন। সংক্ষেপে- shì। তারপর বলতে পারেন- Wǒ shì zhōng guó rén।
আজ তাহলে এর বেশি নয়। বাক্য কম হলেও ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অনেক বেশি লিখে ফেলেছি। তাই পূর্বের পোস্টে ব্লগার বন্ধুদের পরামর্শ সত্ত্বেও আজ আর বেশি বড় করলাম না।
আগ্রহী ব্লগার বন্ধুরা পরামর্শ দিলে খুশি হবো। আপনাদের পরামর্শ মতো নতুন নতুন বাক্য নিয়ে আলোচনা করব।
ব্লগে চীনা ভাষা বিশেষজ্ঞ আছেন বলেই জানি। তারা একটু ভালো করে খেয়াল করলে খুশি হবো। কারণ, আমি কেবল শিখছি। এখানে ভুল হলে যারা চীনা ভাষা জানে না, তারা ধরতে পারবে না। তাহলে ভুলটাও আর শুদ্ধ হলো না। আপনারা শুদ্ধ করে দিলে অনেকের উপকার হবে। আমার তো অবশ্যই।
আবার কথা হবে। যাই চিয়েন।
মন্ ৩৭ টি র +৬/-০
মন্তব্য (৩৭) মন্তব্য লিখুন
১| Im ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩১
পেইচিং বলেছেন: চীনা ভাষা তাদের নিজের দেশের নাম চুং গোয়। এর অর্থ হলো মাঝের দেশ। চুং মানে হলো মধ্য। গোয় মানে দেশ। ওরা নিজের দেশকে পৃথিবীর মাঝের দেশ মনে করে।

Sunday, January 14, 2018

সোডিয়াম সিলিকেট


শ্রেণী স্বাস্থ্য
সোডিয়াম সিলিকেট - বৈশিষ্ট্য, উৎপাদন, ক্ষতি
2017-08-11 15:01:51
সোডিয়াম সিলিকেট তরল কাচ, খাদ্যপ্রাণ E550
সিলিকন অ্যাসিড সল্ট হয়. প্রথম তরল 1818 সালে গ্লাস জার্মান রসায়নবিদ জানুয়ারী Nepomuk ভন Fuchs ছিল. এই যৌগ প্রকৃতিতে খুব সাধারণ. Silicates মৃন্ময় উপাদান, ফেল্ডস্পার, মাইকা সব পরিচিত খনিজ যৌগের এক তৃতীয়াংশ হয়.
তরল কাচ সাধারণ বৈশিষ্ট্যাবলী
সোডিয়াম সিলিকেট - একটি নির্দিষ্ট স্বাদ ও গন্ধ ছাড়া সাদা বা অফ হোয়াইট সূক্ষ্ম গুঁড়া. তরল কাচ একটি সান্দ্র সমাধান গঠন, জলে দ্রবীভূত. লঘু সোডিয়াম সিলিকেট silicic অ্যাসিড anions এবং সোডিয়াম cations উপর decomposes. সোডিয়াম সিলিকেট জল সমাধান অপসারণের একটি নিরাকার কঠিন রূপান্তরিত হয়. এসিড ক্লোরাইড এবং waterglass সমাধান গঠন সিলিকা সর্বেন্ট কর্মের অধীন.
পাঁচটি আট ধা আয়তনের 200-300 ° সেঃ স্ফীত এবং বৃদ্ধির একটি তাপমাত্রায় গরম করে সোডিয়াম সিলিকেট সান্দ্র সমাধান.
সোডিয়াম সিলিকেট উৎপাদন
বর্তমানে feedstock ধারণকারী সিলিকা, সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড গাঢ় সমাধান autoclaving দ্বারা প্রস্তুত waterglass. গলিত কাচের দানা উপর ভিত্তি করে উৎপাদন সোডিয়াম সিলিকেট জন্য
পদ্ধতি, গ্যাস ফেজ এবং সমাধানগুলো থেকে এজাহার করুন .
এছাড়াও রয়েছে
সোডিয়াম সিলিকেট ব্যবহার
খাদ্য শিল্প খাদ্য যুত ইন E550 খাদ্য পণ্য বেকারি পণ্য, শুষ্ক দুধ, চিনি এবং অন্যান্য চূর্ণ পণ্য ও খাদ্য কাঁচামাল প্রস্তুত এজেন্ট caking রোধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়.
তরল কাচ: পাশাপাশি ডিটারজেন্ট পাউডারের এবং প্রতিলেপন উত্পাদন ব্যবহার হিসাবে, সাবান যোগ করা হয়. এই উপাদান প্রায়ই শ্যাডো, আলগা পাউডার এবং prisypok.Sinteticheski sintezirovannoezhidkoe কাচ ধাতু সহযোগ adsorbents, কঠিন লুব্রিকেন্ট, অন্তর্ভুক্ত প্রস্তুত ফার্মাসিউটিক্যাল এবং প্রসাধনী শিল্পে ব্যবহৃত হয় এবং এছাড়াও ধাতুমল, সিমেন্ট, কংক্রিট প্রস্তুত ব্যবহৃত হয় এবং ogneuporov.Dobavka E550 একটি গর্ত ইত্যাদি বোজানো হিসাবে ব্যবহার করা হয় শিল্প রঙে, কাগজ, রাবার, বার্নিশ.
সোডিয়াম সিলিকেট এর ক্ষতি
বিশেষজ্ঞদের খাদ্যপ্রাণ E550 সম্ভাব্য ক্ষতি সংখ্যা প্রমাণ পাওয়া যায় নি. এই কারণে, এখন কিছু দেশে এটি একটি সুস্বাদু খাবার হিসেবে সোডিয়াম সিলিকেট ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয় যুত করুন .
এটি একটি খাদ্য যুত E550 যেমন শৈশব এবং ক্রনিক রোগ এলার্জি, পাচক রোগ, এর একটা প্রবণতা নিয়ে খাবার খরচ সীমাবদ্ধ তাই বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ.
Tweet S

Friday, January 5, 2018

ভাষা শিক্ষা

রাজধানী ঢাকায় বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে চাইনিজ ভাষা শেখার সুযোগ রয়েছে। নিচে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি দেওয়া হলো, যেখানে বছরজুড়েই বিভিন্ন ভাষা কোর্সে ভর্তির সুযোগ রয়েছে। ১). আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফোন : ৯৬৬১৯২০-৭৩, এক্সটেনশন-৮৫২১/৮৪২০ ২). ঢাকা ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব ফ্ল্যাট- ৫০৭, রোড- ১৭, বাড়ি- ২৯, ব্লক-ই, বনানী, ঢাকা ফোন : ০১৭১৬৫০০২৩০ ৩). গ্যাটে ইনস্টিটিউট বাড়ি- ১০, রোড- ৯ (নতুন), ধানমণ্ডি আর/এ, ঢাকা ফোন : ০০ ৮৮০ ২ ৯১২৬৫২৫/৬ ওয়েবসাইট : www.goethe.de/dhaka ৪). Zoom, উত্তর যাত্রাবাড়ী, জনি টাওয়ার (প্রথম তলা) ফোন : ০১৯১২-৮৫৭৭১০, ০১৭১১-০৫৯৪৫৬, ০১৬৭২-৫৯০০০৫ ৫) Global ফার্মগেট শাখা, ফোন : ০১১৯০৯৮৪৯৬৯ গ্রিন রোড শাখা, ফোন : ০১১৯০৯৮৪৯৭০, যাত্রাবাড়ী শাখা, ফোন : ০১১৯০৯৮৪৯৭১ সাভার শাখা, ফোন : ০১১৯০৯৮৪৯৭৩, বাড্ডা শাখা , ফোন : ০১১৯০৯৮৪৯৭৬, মৌচাক শাখা, ফোন : ০১১৯০৯৮৪৯৭২ ৬). কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি যোগাযোগ : ভর্তি শাখা, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি অথবা কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট, বারিধারা, ঢাকা। ফোন : ৮৮০-২-৮৮৫২০০০ ওয়েবসাইট : 

Tuesday, January 2, 2018

কি করবেন

১) দই
নিয়মিত দই খান। দইতে ব্যাকটেরিয়া থাকে। কিন্তু সেই ব্যাকটেরিয়া শরীরের পক্ষে ভাল। দই বয়সজনিত কারণে হওয়া রোগগুলো প্রতিরোধ করে। দইতে অনেকটা পরিমাণ ক্যালসিয়ামও থাকে।

২) কমলালেবু
কমলালেবু শুধু সুস্বাদু কিংবা দেখতে সুন্দরই এক ফল না। কমলালেবু খাওয়া শরীরের জন্য খুবই ভাল। কারণ, কমলালেবুতে অনেকটা পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে। ত্বক টানটান রাখে কমলালেবু।

৩) রেড ওয়াইন
সময় সুযোগে, মাঝে-মাঝে অবশ্যই পান করুন রেড ওয়াইন। হৃদরোগের প্রকোপ থেকে আপনাকে অবশ্যই বাঁচাবে। ডায়াবেটিস থেকেও রক্ষা করবে আপনাকে রেড ওয়াইন।

৪) অলিভ অয়েল
অলিভ তেল আপনার যৌবনকে ধরে রাখতে সাহায্য করবে। রোগ থেকে যেমন দূরে সরিয়ে রাখবে, আপনার শরীরে এনে দেবে জেল্লা। যা আপনার বয়সকে সত্যিই কম করে দেখাবে।

৫) বেরি
স্ট্রবেরি হোক কিংবা ব্ল্যাকবেরি, সবকটিই আপনার শরীরের জন্য খুবই ভাল। কালোজাম বিশেষ করে। এতে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে। আপনার ত্বককে করে রাখবে সতেজ।