Showing posts with label Accounting. Show all posts
Showing posts with label Accounting. Show all posts

Monday, March 11, 2019

ভাউচার

আপনাদের ট্যালি সফটওয়্যার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের টিউটোরিয়াল শুরু করছি। গত পর্বে আমরা শিখেছি কিভাবে ট্যালি.ইআরপি ৯ এ গ্রুপ ব্যবস্থাপনা করা যায়। আজ আমরা অ্যাকাউন্টিং ভাউচারের বিস্তারিত, কিভাবে ট্যালি ইআরপি ৯ এ ভাউচার এন্ট্রি করা যায় এবং আনুসঙ্গিক বিস্তারিত শিখবো।
ভাউচার কি
ভাউচার হলো কোন লেনদেনের সমর্থনে লিখিত প্রমানপত্র। কারবার প্রতিষ্ঠানের পন্য ক্রয়-বিক্রয় এবং বিভিন্ন প্রকার আয়-ব্যায় সংক্রান্ত লেনদেনের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ভাউচার ব্যবহৃত হয়। এটি নগদান বইয়ে লিপিবদ্ধ করার জন্য প্রমান্য দলিল। কোন কিছু গ্রহন করা বা কোন কিছু পরিশোধ করা হলেই একটি লেনদেন সম্পাদিত হয়। আর একটি লেনদেন সম্পাদন হলেইকেবল ভাউচার তৈরি করা  যায়।
ট্যালি.ইআরপি ৯ সফটওয়্যারে ভাউচার ইনপুট করা হলেই অন্যান্য সকল রিপোর্ট ও প্রতিবেদন স্বংক্রিয়ভাবে তৈরি হয়ে যায়।
ভাউচার প্রকারভেদ
ভাউচার প্রধানত ২ প্রকার। যথা - ডেবিট ভাউচার ও ক্রেডিট ভাউচার । ডেবিট ভাউচার হলো নগদে পণ্য ক্রয় সহ অন্যান্য যে সকল ব্যায় নির্বাহ করা হয় তার জন্য ব্যবহৃত প্রামান্য দলিল। অন্যদিকে নগদে পণ্য ক্রয় বিক্রয় এ বিভিন্ন প্রকার আয়ের জন্য ব্যবহৃত ভাউচার কে ক্রেডিট ভাউচার বলে।
ভাউচার তৈরি করা
কোন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান দৈনিক লেনদেন, যেমন ক্রয়-বিক্রয়, অর্থ পরিশোধ, অর্থ গ্রহণ ইত্যাদি যাবতীয় লেনদেন ভাউচার হিসাবে লিপিবদ্ধ রাখে । এ ভাউচার থেকে লেজার কিংবা যাবতীয় রির্পোট তৈরি করা যায় । হিসাব ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার হিসাবে ট্যালির ডেটা এন্ট্রি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভাউচার ব্যবহার করা হয়েছে । এ পাঠে আমরা বিভিন্ন ভাউচার সম্পর্কে জানব।
ভাউচারের প্রকারভেদ
ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের লেনদেন হয়ে থাকে । ট্যালির ধরন অনুযায়ী লেনদেনগুলো ইনপুট করার জন্য পূর্ব নির্ধারিত বিভিন্ন প্রকার ভাউচার ফরমেট রয়েছে । এসব ফরমেট ব্যবহার করে প্রায় সব ধরনের লেনদেন হিসাবভুক্ত করা। ট্যালিতে ব্যবহারকারী প্রয়োজনে যেকোন ভাউচার নিজের ব্যবহার উপযোগী বা কাস্টমাইজ করে নিতে পারেন ।
ব্যবসায়িক লেনদেনের উপর ভিত্তি করে ভাউচারকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে । যথা-
Contra ভাউচার
Receipts ভাউচার
Payment ভাউচার
Journal ভাউচার
এছাড়াও কাস্টমার ও সাপ্লায়ারদের সাথে লেনদেনগুলোকে নিম্নোক্তভাবে শ্রেণীবিভাগ করা হয় ।
Sales ভাউচার
Purchase ভাউচার
ডেবিট নোট ও ক্রেডিট নোট ।
ট্যালির ভাউচার প্রদর্শন করা
১। Gateway of Tally মেনু থেকে Accounts Info à Voucher Types à Display ক্লিক করুন ।
পূর্ব নির্ধারিত ভাউচার সমূহের তালিকা প্রদর্শিত হবে ।
Payment Voucher
Receipt Voucher
Sales Voucher
Sales order
Sales Voucher/Invoice
Delivery Notes
Rejection In.
Purchase Voucher
Purchase order
Purchase Voucher
Rejection Out.
Journal Voucher
Credit Notes
Debit Notes
Journals
Memo Voucher
Reversing Journal
Stock Journal
Physical Stock
২। যেকোন ভাউচার টাইপ নির্বাচন করে উক্ত ভাউচার ফরমেট দেখা যাবে । যেমন – Contra নির্বাচন করে এন্টার কী চাপলে নিম্নরূপ Voucher Type প্রদর্শিত হবে ।
Esc চাপ দিয়ে আগের মেনুতে ফিরে আসা যাবে । উপরোক্ত নিয়মানুসারে অন্যান্য ভাউচারগুলো প্রদর্শন করে দেখা যাবে।
ভাউচার কনফিগার করা
ট্যালিতে পূর্বনির্ধারিত ভাউচারে ডিফল্ট ভ্যালু দেওয়া আছে। ভাউচার কনফিগার করে ব্যবহারকারী নিজের মতো ভাউচার সাজিয়ে নিতে পারেন । ভাউচার কনফিগারেশন করার জন্য:
১। F12: কী চাপ দিন । Configuration মেনু আসবে।
২। Voucher Entry অপশনে ক্লিক করুন । Voucher Entry Configuration মেনু প্রদর্শিত হবে ।
ভাউচার এন্ট্রি অপশনগুলোর ব্যবহার
ভাউচার এন্ট্রি করার বিভিন্ন বিষয় নির্ধারণ করার জন্য মেনুর বিভিন্ন অপশন ব্যবহার করা যায় । নিম্নে এ অপশনগুলা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো :
Skip date field Create Mode (Faster Entry): ডিফল্ট Yes নির্বাচন করা থাকে । Yes নির্বাচন করা থাকলে আগের ভাউচার তারিখ প্রদর্শিত হবে । একই তারিখের একাধিক ভাউচার ইনপুট ইনপুট করেতে চাইলে এ ফিচারটি একটিভ করে রাখতে হবে ।প্রয়োজনবোধে F2 কী চাপ দিয়ে ব্যবহারকারী তারিখ পরিবর্তন করতে পারেন ।
Use Single Entry Mode For Pmt /Rcpt/Contra: ডিফল্ট yes নির্বাচন করা থাকে । ভাউচার ইনপুট করার সময় বার বার ক্রেডিটের জন্য To এবং ডেবিটের জন্য By নির্বাচন করতে না চাইলে এখানে Yes নির্বাচন করে রাখতে হয় ।
Show Table or Bill Details for Selection: ডিফল্ট Yes নির্বাচন করা থাকে । এটি নির্বাচন করা থাকলে ডেটর লেজার বা ক্রেডিটর লেজার তৈরি করার সময় প্রতিটি বিলের জন্য আলাদা আলাদা ব্যালেন্স অপশন নির্ধারণ করা হলে এ বিলের টেবিল প্রদর্শিত হবে ।
Show Inventory Details:  ডিফল্ট Yes নির্বাচন করা থাকে । ফলে ভাউচার ইনপুট করার সময় ইনভেনটরি তথ্যাবলি প্রদর্শিত হবে ।
Show Ledger Current Balance:ডিফল্ট Yes নির্বাচন করা থাকে । এটি নির্বাচন করা থাকলে লেজার চলতি ব্যালেন্স প্রদর্শন করে ।
Use Balance or Voucher Date: ডিফল্ট No নির্বাচন করা থাকে । Yes নির্বাচন করলে ইনপুটকৃত ভাউচারের তারিখ লেজার ব্যালেন্স প্রদর্শিত হয় ।
Use Payment/Receipts as Contra:ডিফল্ট No নির্বাচন করা থাকে । Payment/Receipts ভাউচার কন্ট্রা এন্ট্রি দিতে চাইলে এ অপশনটিতে Yes নির্বাচন করে দিতে হবে ।
Allow Each Account in Journal: ডিফল্ট No নির্বাচন করা থাকে । ক্যাশ বা ব্যাংক লেজার জার্নাল এন্ট্রি দিতে চাইলে এখানে Yes নির্বাচন করতে হবে ।
Warm on Negative Cash Balance: ডিফল্ট Yes নির্বাচন করা থাকে । এটি নির্বাচিত করা থাকলে ক্যাশ বা ব্যাংক ব্যালেন্স নেগেটিভ হলে ট্যালি একটি পপআপ উইন্ডোতে ম্যাসেজ প্রদশর্ন করবে ।
ট্যালি.ইআরপি ৯ এ সংযুক্ত দুটি বিষয়:
Show Godown-Wise Details: এ অপশনটি বাতিল হওয়া ভাউচার ইন/আউটের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় । বাই ডিফল্ট ট্যালি.ইআরপি ৯ ভাউচার রিজেকশন ইন/আউটের ক্ষেত্রে গোডাউনের বিস্তারিত তথ্য দেখায় ।
Show Batch Wise Details: ভাউচার এন্ট্রি করার সময় স্টকে থাকা ব্যাচ ইনফরমেশন প্রদর্শন করার জন্য এ অপশনটি ব্যবহৃত হয় । এখানে No নির্বাচিত করলে ব্যাচ ওয়াইজ বিস্তারিত তথ্য প্রদর্শিত হবে ।
ভাউচার স্ক্রীন কালার
ব্যবহারকারীদের সুবিধার্তে ট্যালির এক এক ধরনের ভাউচারের জন্য এক এক ধরনের রঙ নির্ধারণ করা হয়েছে । স্ক্রীনের রং দেখে ভাউচারের ধরণ বুঝা যায়।
নিম্নে কোন ধরনের ভাউচার কি রঙ তা উল্লেখ করা হলো:
ভাউচার স্ক্রীন
রঙ
Contra Voucher
সাদা
Payment Voucher
হালকা হলুদ
Receipt Voucher
হালকা সবুজ
Journal Voucher
হালকা গোলাপী
Memo Voucher
হালকা নীল
Purchase Voucher
হালকা হলুদ
Sales Voucher
হালকা সবুজ
ভাউচার  এন্ট্রি স্ক্রীনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বাটন
F2: Date :ভাউচার তারিখ পরিবর্তন করা ।
F3: Company : একাধিক কোম্পানির মধ্যে করা ।
F5: Payment : Payment ভাউচার তৈরি করা ।
F4: Contra:Contra ভাউচারতৈরিকরা।
F6: Receipt :  Receiptভাউচার তৈরি করা ।
F7: Journal : Journalতৈরি করা ।
F8:Sales : Salesভাউচার তৈরি করা ।
F8: Credit Note : Credit Note তৈরি করা । {Ctrl+F8= F8 }
F9: Purchase: Purchaseভাউচার তৈরি করা ।
F9: Debit Note : Debit Noteতৈরিকরা।  {Ctrl+F9= F9 }
F10: Rev.Jrnl: Rev. Jrnl তৈরি করা ।
F10: Memos: Memos তৈরিকরা।{Ctrl+F10=F10 }
F11: Features:কোম্পানিরফিচারনির্ধারণকরাযায়।
F12: Configuration :ভাউচারকনফিগারেশনপরিবর্তনকরাযায়।
ভাউচার এন্ট্রি  স্ক্রীনের উপাদানসমূহ ( Components of Voucher Entry Screen )
এন্ট্রি স্ক্রীনের প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত :
Voucher Header
Voucher Type /Number
Ledger Account
Ledger Details
Voucher Date /Day
Ledger Amount
Voucher Narration
Voucher Footer
To / By (or Dr/Cr)
Cheque Details
Voucher Amount
ভাউচার হেডার (Voucher Header )
ভাউচার হেডারে নিচের বিষয় গুলা এন্ট্রি করা যায়।
Voucher Number
ট্যালি ধারাবাহিক ভাবে  ভাউচার এর ক্রমিক নাম্বার দিয়ে থাকে । যদি সর্বর্শেষ ভাউচার ৭ হয়ে থাকে তবে পরবর্তি ভিউচার নাম্বার হবে ৮।যদি ব্যাক ডেটে ভাউচার এন্ট্রি করা হয় অথবা মুছা হয় তাহলে তারিখ অনুযায়ী Rearrange হবে।
Voucher Date:
এখানে সিস্টেমের বর্তমান তারিখ প্রদর্শিত হবে । কী বোর্ডের F2 কী চেপে তারিখ এন্ট্রি করা যায়। বর্তমান তারিখ পরিবর্তন না করে Shift + Tab কী চেপে তারিখ ফিল্ডে এসে  ভাউচার এর তারিখ পরিবর্তন করা যায়। ভাউচার তারিখের নিচে দিন দেখায় ।
ভাউচার লেজার একাউন্টস ( Voucher Ledger Account )
এটি হলো টেবুলার এরিয়া যেখানে প্রত্যেক লেজার ট্যানজেকশন এবং সম্পর্কিত ডেটা এন্টার করা যায়।
আজ এ পর্যন্তই । পরবর্তী টিউটোরিয়াল সিরিজ প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সঙ্গেই থাকুন। আপনার যদি ট্যালি.ইআরপি ৯ সংক্রান্ত কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটে কনটাক্ট ডিটেইলস পাওয়া যাবে। যত দ্রুত সম্ভব আমরা আপনার প্রশ্নের উত্তর দিবো। সবাই ভাল থাকু

Wednesday, January 24, 2018

রেওয়ামিল

IMAGE POSTED ON 11/10/2013 UPDATED ON 11/10/2013
রেওয়ামিল
যেসব হিসাব রেওয়ামিলে আসে নাঃ
সমাপনী মজুদ পণ্য
প্রারম্ভিক নগদ
প্রারম্ভিক ব্যাংক জমা
সম্ভাব্য দায় ও সম্ভাব্য সম্পদ
বিঃদ্রঃ ক্রয় এর বদলে সম্বন্বিত ক্রয় থাকলে তখন প্রারম্ভিক মজুদ না এসে সমাপনী মজুদ আসে।
Advertisements
Report this ad
Report this ad
This entry was posted in Uncategorized and tagged Accounting, বিষয়, রেওয়ামিল, Nine, Te, Trial Balance.
POSTED ON 11/10/2013 UPDATED ON 11/10/2013
হিসাব
হিসাবের শ্রেণিবিভাগ
আধুনিক পদ্ধতিতে হিসাব ৫ প্রকার। যথাঃ
১.    সম্পদ (Asset)
২.    দায় (Liabilities)
৩.    মালিকানাস্বত্ব (Owner’s Equity)
৪.    আয় (Income)
৫.    ব্যয় (Expense)
লেনদেনের ডেবিট ক্রেডিট নির্ণয়ের কৌশলঃ
সম্পত্তি ও ব্যয়:
বৃদ্ধি – ডেবিট (Dr.)
হ্রাস – ক্রেডিট(Cr.)
দায়, মালিকানাস্বত্ব ও আয়:
হ্রাস – ডেবিট (Dr.)
বৃদ্ধি – ক্রেডিট(Cr.)
হিসাব সমীকরণ:
A=L+E
সম্পদ= দায়+ মালিকানাস্বত্ব
বর্ধিত রূপ,
A=L+(C+I-E-D)
সম্পদ= দায়+ ( মূলধন+ আয়- ব্যয়- উত্তোলন)
মালিকানাস্বত্ব
বৃদ্ধির কারণঃ আয়, মূলধন বা মালিক কর্তৃক ব্যবসায়ে কোন প্রকার সম্পদ আনয়ন।
হ্রাসের কারণঃ খরচ, মালিক কর্তৃক উত্তোলন বা ব্যবসায় থেকে কোন প্রকার সম্পদ নিয়ে যাওয়া।
বিভিন্ন প্রকার হিসাব ও হিসাবের শ্রেণিবিভাগঃ
মূলধন হিসাব, উত্তোলন হিসাব, নগদান হিসাব, ব্যাংক হিসাব, ক্রয় হিসাব, বিক্রয় হিসাব, প্রারম্ভিক মজুদ পণ্য হিসাব, আসবাবপত্র হিসাব, কলকব্জা ও যন্ত্রপাতি হিসাব. ক্রয়ফেরত/বহি:ফেরত হিসাব, বিক্রয়ফেরত/আন্ত:ফেরত হিসাব, পাওনাদার হিসাব, দেনাদার হিসাব, প্রাপ্য বিল হিসাব, প্রদেয় বিল হিসাব, ঋণ হিসাব, বিনিয়োগ হিসাব, বেতন হিসাব, মজুরি হিসাব, মনিহারি হিসাব, ভাড়া হিসাব, বাড়িভাড়া হিসাব, কমিশন হিসাব, পরিবহন খরচ হিসাব (আন্ত:পরিবহন খরচ হিসাব, বহি:পরিবহন খরচ হিসাব), সুদ হিসাব, বিজ্ঞাপন হিসাব, অনাদায়ী পাওনা বা কুঋণ হিসাব, অনাদায়ী পাওনা সঞ্চিতি হিসাব, সাধারণ সঞ্চিতি হিসাব, বাট্টা হিসাব, অবচয় হিসাব, মেরামত হিসাব, অফিস সরঞ্জাম হিসাব, অফিস সাপ্লাইজ হিসাব, সুনাম হিসাব, শামীম ব্রার্দাস হিসাব, আসবাবপত্র সরবরাহকারী হিসাব, ঋণপত্র হিসাব, প্রাপ্য আয় সমূহ, প্রদেয় ব্যয় সমূহ, বকেয়া আয় সমূহ, বকেয়া ব্যয় সমূহ, প্রাপ্ত আয়, প্রদত্ত ব্যয়।
POSTED ON 11/10/2013 UPDATED ON 11/10/2013
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি
ইতালির গণিতবিদ লুকা প্যাসিওলি (Luca Pacioli) ১৪৯৪ খ্রিষ্টাব্দে দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি বর্ণনা করেন। এটি হিসাবরক্ষণের একমাত্র বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে প্রতিটি লেনদেনের ২টি পক্ষ জড়িত থাকে -দাতা (creditor) ও গ্রহীতা (Debtor)। এ পদ্ধতিতে লেনদেনের সাথে জড়িত পক্ষ দুটি বিচার করে সমপরিমাণ টাকা দ্বারা ডেবিট ক্রেডিট করা হয়।
মূলনীতি ও বৈশিষ্ট্যঃ
৫টি মূলনীতি ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
১.    দ্বৈত স্বত্তা
২.    দাতা ও গ্রহীতা
৩.    ডেবিট ও ক্রেডিট করা
৪.    সমান অঙ্কেও আদান-প্রদান
৫.    সামগ্রিক ফলাফল।
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে রক্ষিত হিসাবের বই
দুতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে ২ ধরনের হিসাবের বই রক্ষিত হয়।
১.    জাবেদা (প্রাথমিক হিসাবের বই)
২.    খতিয়ান ( হিসাবের পাকা বই)
হিসাবচক্রঃ
১০টি ধাপ রয়েছে
১.    লেনদেন শনাক্তকরণ
২.    লেনদেন বিশ্লেষণ
৩.    জাবেদা ভুক্তকরণ
৪.    খতিয়ানে স্থানান্তর
৫.    রেওয়ামিল প্রস্তুতকরণ
৬.    সমন্বয় দাখিলা
৭.    কার্যপত্র প্রস্তুত
৮.    আর্থিক বিবরণী
৯.    সমাপনী দাখিলা
১০.    হিসাব পরবর্তী রেওয়ামিল
একতরফা দাখিলা পদ্ধতিঃ
ছোট আকারের প্রতিষ্ঠানসমূহ একতরফা দাখিলা পদ্ধতিতে হিসাব রক্ষণ করে থাকে। এটি কোন বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি নয়। এটি অসম্পূর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ।
This entry was posted in Accounting, নবম দশম, বিষয়.
IMAGE POSTED ON 10/10/2013 UPDATED ON 11/10/2013
হিসাবরক্ষণের মূল ভিত্তি লেনদেন।
লেনদেনের প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য
১.আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন২.অর্থের অঙ্কে  পরিমাপযোগ্য ৩. দুটি পক্ষ ৪. স্বয়ংসম্পূর্ণ ও স্বতন্ত্র ৫. অদৃশ্যমান লেনদেন
ব্যবসায়িক দলিলপত্রাদিঃ
১.    চালান
২.    ভাউচার -১. ডেবিট ভাউচার ২. ক্রেডিট ভাউচার
৩.    বিল ও ক্যাশমেমো
৪.    নোট-ডেবিট নোট ক্রেডিট নোট
এক নজরে লেনদেনের উৎস দলিলঃ
প্রশ্নঃ
১.    বিবরণী ছকে হিসাবসমীকরণের উপর লেনদেনের প্রভাব।
২.    লেনদেন চিহ্নিত করে সমীকরণ পদ্ধতিতে ব্যাখ্যা।
৩.    ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনটি লেনদেন এবং কোনটি লেনদেন নয় তা কারণসহ লিখ।
৪.    লেনদেন নয় এমন ঘটনাসমূহের মোট পরিমাণ নির্ণয়।
৫.    হিসাব সমীকরণে উপাদানগুলোর প্রভাব।
৬.    চালান, ক্যাশমেমো, ভাউচার, নোট তৈরি।
৭.    যন্ত্রপাতির অপরিশোধিত মূল্য কত?
৮.    মালিকের স্বত্বাধিকারের পরিমাণ কত?
৯.    মালিকের মূলধনের পরিমাণ কত?
১০.    মোট ক্রয় ও বিক্রয়ের পরিমাণ।
১১.    প্রকৃত বা নীট ক্রয় ও প্রকৃত বিক্রয়ের পরিমাণ নির্ণয়।
১২.    লেনদেনের ডেবিট-ক্রেডিট বিশ্লেষণ কর।
১৩.    মাস শেষে আয়ের ও ব্যয়ের পরিমাণ নির্ণয় কর।

একাউন্টিং


Monday, January 4, 2016
অধ্যায় - 04 ::  Accounting Equation- হিসাব সমীকরন
Accounting Equation ( হিসাব সমীকরন )ঃ যে গাণিতিক সূত্রের সাহায্যে ব্যবসায়ের মোট সম্পত্তি এবং দায়ের সর্ম্পক প্রকাশ করা হয় তাকে হিসব সমীকরন বা Accounting Equation  বলা হয় । এই হিসব সমীকরনের সাহায্যে ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয় করা যায়।
হিসাব সমীকরণটি হলঃ    A = L + OE
Assets (A) = Liabilities (L) + Owner’s Equity (OE)
অর্থাৎ  সম্পদ = দায় + মালিকানা স্বত্ব
মালিকানা স্বত্ব সরাসরি প্রভাবিত হয় লাভ লোকসানের মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানের লাভ হলে মালিকানা স্বত্ব বৃদ্ধি পায় এবং লোকসান হলে মালিকানা স্বত্ব  হ্রাস পায়। প্রতিষ্ঠানের আয় (Revenue) ও ব্যয়ের (Expense) পার্থক্যটি হল লাভ বা লোকসান। এছাড়াও মালিক উত্তোলন (Drawing) করলে মালিকানা স্বত্ব কমে।
মালিকানা স্বত্ব (OE) = C + R – E – D
Owner’s Equity (OE) = Capital (C) +  Revenue (R) – Expense (E) – Drawing (D)
মালিকানা স্বত্ব  =  মুলধন  +  আয় – ব্যয়  – উত্তোলন
হিসাব সমীকরণটি প্রসারিত করে লেখা যায়ঃ  A = L + (C + R –E –D)
1.      Assets - সম্পদ
2.      Liabilities -দায়
3.      Capital - মুলধন
4.      Revenue - আয়
5.      Expense - ব্যয়
6.      Drawing - উত্তোলন
হিসাব সমীকরণটি হল আধুনিক পদ্ধতি -
বিভন্ন হিসাবের ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয়ের আধুনিক পদ্ধতি নিম্নে আলোচনা করা হলঃ
আধুনিক পদ্ধতিতে হিসাবের শ্রেণী বিভাগঃ
১) সম্পত্তিঃ সম্পত্তি সাধারণত ডেবিট ব্যালেন্স (জের) নির্দেশ করে। সম্পদ হলো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন পরিসম্পদ। সম্পত্তি বৃদ্ধি পেলে ডেবিট এবং সম্পত্তি হ্রাস পেলে ক্রেডিট করতে হবে।
সম্পদের উদাহরণঃ নগদান হিসাব, ব্যাংক হিসাব, আসবাবপত্র হিসাব, কলকব্জা ও যন্ত্রপাতি হিসাব, অফিস সরঞ্জাম হিসাব, দালানকোঠা হিসাব, বিনিয়োগ হিসাব, দেনাদার হিসাব, প্রাপ্য বিল হিসাব, সমাপনী মজুদ, অগ্রিম ব্যয় হিসাব, প্রাপ্য আয় হিসাব, অগ্রিম বীমা সেলামী হিসাব, সুনাম হিসাব, অগ্রিম ভাড়া হিসাব, প্রদত্ত ঋণ হিসাব, শেয়ার ক্রয় হিসাব, ইজারা সম্পত্তি হিসাব, প্রাথমিক খরচাবলি, মজুদ পণ্য হিসাব, ইত্যাদি।
কোন প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পত্তি নির্ণয়ঃ
বিবরণ
টাকা
প্রতিষ্ঠানের দায়ের পরিমান
(+) প্রতিষ্ঠানের মালিকানা স্বত্বের পরিমান
প্রতিষ্ঠানের মোট সম্পত্তি
***
***
***
দায়ঃ দায় সাধারণত ক্রেডিট ব্যালেন্স ( জের) নির্দেশ করে। কোন ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন সম্পদের উপর ঐ প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় পক্ষের দাবির সমষ্টিকে দায় বলে। দায় বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট এবং দায় হ্রাস পেলে ডিবিট করতে হবে।
দায়ের উদাহরণঃ ঋণ হিসাব, পাওনাদার হিসাব, প্রদেয় বিল হিসাব, অগ্রিম আয় হিসাব, বকেয় ব্যয় হিসাব, ব্যাংক জমাতিরিক্ত হিসাব  ইত্যাদি।
কোন প্রতিষ্ঠানের মোট দায় নির্ণয়ঃ
বিবরণ
টাকা
কোন প্রতিষ্ঠানের সম্পদের পরিমান
(-) প্রতিষ্ঠানের মালিকানা স্বত্বের পরিমান
প্রতিষ্ঠানের মোট দায়
***
***
***
স্বত্বাধিকার হিসাবঃ স্বত্বাধিকার সাধারনত ক্রেডিট ব্যালেন্স (জের) নির্দেশ করে। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সম্পদের উপর মালিকের দাবির পরিমাণকে মালিকানা স্বত্ব বলে। স্বত্বাধিকার বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট এবং স্বত্বাধিকার হ্রাস পেলে ডিবিট করতে হবে।
স্বত্বাধিকার উদাহরণঃ মুলধন হিসাব, উত্তোলন হিসাব, উত্তোলনের সুদ, আয়কর হিসাব, সাধারণ সঞ্চিতি হিসাব, অনাদায়ী পাওনা সঞ্চিতি হিসাব, মুলধনের সুদ হিসাব,
কোন প্রতিষ্ঠানের মোট স্বত্বাধিকারনির্ণয়ঃ
বিবরণ
টাকা
কোন প্রতিষ্ঠানের সম্পদের পরিমান
(-) প্রতিষ্ঠানের মোট দায়ের পরিমান
প্রতিষ্ঠানের মোট দায়
***
***
***
অথবাঃ              প্রতিষ্ঠানের মোট স্বত্বাধিকার নির্ণয়ঃ
বিবরণ
টাকা
প্রারম্ভিক মুলধন
(+) অতিরিক্ত মুলধন
(+) মুলধনের সুদ
(-) উত্তোলন
(-) উত্তোলনের সুদ
(+) অর্জিত আয়সমুহ
(-) সংঘটিত ব্যয়সমুহ
মালিকানা স্বত্বের পরিমান
***
***
***
***
***
***
***
****
মালিকানা স্বত্বকে হ্রাস-বৃদ্ধি করে এমন উপাদানঃ
আয় হিসাব ঃ আয় সাধারণত ক্রেডিট ব্যালেন্স ( জের) নির্দেশ করে। আয় বৃদ্ধি পেলে ক্রেডিট এবং আয় হ্রাস পেলে ডিবিট করতে হবে। আয় মালিকানা স্বত্বকে বৃদ্ধি করে।
আয়ের উদাহরণঃ বিক্রয় হিসাব, প্রাপ্ত ভাড়া হিসাব, সুদ আয় হিসাব, প্রাপ্ত কমিশন হিসাব, প্রাপ্ত বাট্টা হিসাব, বিক্রয় ফেরত হিসাব, বিনিয়োগের সুদ,
ব্যয় হিসাব ঃ ব্যয় সাধারণত ডেবিট ব্যালেন্স (জের) নির্দেশ করে। ব্যয় বৃদ্ধি পেলে ডেবিট এবং ব্যয় হ্রাস পেলে ক্রেডিট করতে হবে।
ব্যয় মালিকানা স্বত্বকে হ্রাস করে।
ব্যয়ের উদাহরণঃ ক্রয় হিসাব, পরিবহন ব্যয় হিসাব, বিক্রয় পরিবহণ হিসাব, বেতন হিসাব, মজুরি হিসাব, ভাড়া হিসাব, মনিহারি হিসাব, বিজ্ঞাপন হিসাব, সুদ ব্যয় হিসাব, প্রদত্ত কমিশন হিসাব, প্রদত্ত বাট্টা হিসাব, অনাদায়ী পাওনা হিসাব, মেরামত হিসাব, অবচয় হিসাব, আমদানি শুল্ক হিসাব, ক্রয় ফেরত হিসাব,
উত্তোলনঃ মালিক ব্যক্তিগত কাজের জন্য নগদ ও পণ্য উত্তোলন করতে পারে। উত্তোলন মালিকানা স্বত্বকে হ্রাস করে।
অতিরিক্ত বিনিয়োগঃ  ব্যবসায় পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত টাকা , কোন সম্পদ ইত্যাদি মুলধন হিসাবে আনয়ন করলে তা মালিকানা স্বত্বকে বৃদ্ধি করে।
হিসাব সমীকরন ঘরের নমূনা হলো নিম্নরুপঃ-
রুপা এন্টারপ্রাইজ
হিসাব সমীকরনে লেনদেনের সারনি
তারিখ
সম্পদসমুহ
=
দায় ও মালিকানা স্বত্ব
মন্তব্য
বছর
নগদ
দেনাদার
মনিহারী
সরঞ্জাম
প্রদেয়
বিল
পাওনাদার
মুলধন
মোট
 ***
***
***
***
***
****
****
Note: যে সমস্ত লেনদেনগুলো মূলধনের সাথে (+ ) বা ( - ) হবে তার ক্ষেত্রে  মন্তব্যএর ঘরে মন্তব্য হবে ।
Note: হিসব সমীকরন প্রমান করতে না বললে যার যার হিসাব তার ঘরের যোগফল নামিয়ে জের টানতে হবে ।
Note: হিসব সমীকরন প্রমান করতে বলা হলে সূত্র হবেঃ-
হিসব সমীকরন প্রমান:
আমরা জানি,
                        সম্পদ = দায় + মালিকানা স্বত্ব
            সম্পদের নাম  =  দায় + মালিকানা স্বত্বের   নাম
            সম্পদের পরিমান (টাকায়) = দায় + মালিকানা স্বত্বের পরিমান (টাকায়)
             **** = **** (প্রমানিত).
Note: যদি  সম্পদ বা দায় বের করতে বলে তা হলে সূত্র হবেঃ-
                             সম্পদ = দায় + মালিকানা স্বত্ব.
Note:  যদি প্রশ্নে লাভ-লোকসান বিবরণী,  মালিকানা স্বত্ব এবং  উদ্বত্তপত্র করতে বলে তাহলে সম্পদের যোগফল এবং মন্তব্য এর আয় ব্যয় নিয়ে করতে হবে ।
Note: যাহা নির্ণয় করতে হবে তার নামঃ
প্রারম্ভিক মালিকানা স্বত্ব + অতিরিক্ত মুলধন + মোট আয়  =  মোট খরচ + উত্তোলন + সমাপনী মালিকানা স্বত্ব
উপরুক্ত বিষয়গুলো থেকে যেকোন একটি বিষয় নির্ণয় করতে হবে ।
বিভন্ন হিসাবের ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয়ের আধুনিক পদ্ধতি সংক্ষিপ্তভাবে নিম্নে দেওয়া হলঃ
সম্পদ হিসাবঃ   সম্পত্তি সাধারণত ডেবিট ব্যালেন্স (জের) নির্দেশ করে।
সম্পদ বৃদ্ধি পেলে . . . . . . . . . .  . . ডেবিট
সম্পদ হ্রাস পেলে . . . . . . . . . .  . . ক্রেডিট
দায় হিসাবঃ      দায় সাধারণত ক্রেডিট ব্যালেন্স ( জের) নির্দেশ করে।
দায় হ্রাস পেলে . . . . . . . . . .  . . ডেবিট
দায় বৃদ্ধি পেলে . . . . . . . . . .  . . ক্রেডিট
স্বত্বাধিকার হিসাবঃ স্বত্বাধিকার সাধারনত ক্রেডিট ব্যালেন্স (জের) নির্দেশ করে।
স্বত্বাধিকার  হ্রাস পেলে . . . . . . . . . .  . . ডেবিট
স্বত্বাধিকার বৃদ্ধি পেলে . . . . . . . . . .  . . ক্রেডিট
আয় হিসাবঃ     আয় সাধারণত ক্রেডিট ব্যালেন্স ( জের) নির্দেশ করে।
আয় হ্রাস পেলে . . . . . . . . . .  . . ডেবিট
আয় বৃদ্ধি পেলে . . . . . . . . . .  . . ক্রেডিট
ব্যয় হিসাবঃ         ব্যয় সাধারণত ডেবিট ব্যালেন্স (জের) নির্দেশ করে।
ব্যয় বৃদ্ধি পেলে . . . . . . . . . .  . . ডেবিট
ব্যয় হ্রাস পেলে . . . . . . . . . .  . . ক্রেডিট

ডেবিট

এটিএম কি ? ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড সম্পর্কে আলোচনাঃ
OCTOBER 9, 2015 · PUBLIC
এটিএম কি ? ________এটিএম শব্দের অর্থ হচ্ছে “Automated Teller Machines” সোজা বাংলা কথায় আমরা বলতে পারি টাকার মেশিন । কি অদ্ভুত মনে হচ্ছে ? আসলে এটিই সত্যি ধীরে ধীরে বিষয়টি পরিস্কার করছি । বর্তমান বিশ্বে ব্যাংক গ্রাহকের ২৪ ঘন্টা, সপ্তাহে সাত দিন এবং বছরের বার মাস ননস্টপ ব্যাংকিং এর চাহিদার কথা মাথায় রেখে “Automated Teller Machines” বা এটিএম এর জন্ম হয়েছে । বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে ছোট্ট একটি স্থানে এধরনের বুথ তৈরি করা হয় যার সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে ব্যাংকসমুহ । এটিএম এর মাধ্যমে ব্যাংকের গ্রাহক যেমন ননস্টপ ব্যাংকিং করতে পারছে তেমনি ব্যাংকের তাদের অফিসে অতিরিক্ত লোকবল খাটানোর প্রয়োজন হচ্ছে না এবং এর মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা ব্যাংকিং করা সম্ভব হচ্ছে খুবই সহজে তাই এটি বিশ্বব্যাপী একটি খুবই জনপ্রিয় পদ্ধতি । এটিএম ব্যাবহারের সবচেয়ে বেশি সুবিধা হচ্ছে এর মাধ্যমে আপনি বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে বিশ্বের যেকোনো ব্যাংকের অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন । বর্তমানে এটিএম ভিসা, মাস্টারকার্ড, এমেরিকান এক্সপ্রেস সহ বিভিন্ন গেটওয়ে সমর্থন করে থাকে । এটিএম থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য ব্যাবহার করা হয় বিশেষ একধরনের প্লাস্টিক কার্ড । এই প্লাস্টিক কার্ডে বসান হয় বিশেষ একধরনের সেন্সর যেটিকে আমরা বলে থাকি ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড যা আপনার একটি চলমান ব্যাংক । দিন গড়ানোর সাথে সাথে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের ব্যাবহার। বিশেষ করে নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি নেই বলে এর জনপ্রিয়তা উত্তরত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুধু তাই নয় এই কার্ডের মাধ্যমে অনলাইনে পন্য ক্রয় বিক্রয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদনা করা সম্ভব হচ্ছে । ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড সম্পর্কে স্পস্ট ধারনা না থাকায় আমরা অনেক সময় বুঝতে পারিনা এর পার্থক্য । নিম্নে ডেবিট কার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
ডেবিট কার্ডঃ _________ডেবিট কার্ড বলতে আমরা বুঝি, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক প্রদানকৃত একাউন্টে টাকা উত্তোলন/জমা করার জন্য ব্যবহৃত এটিএম কার্ড। এই কার্ডধারী ব্যক্তি শুধু মাত্র তার পূর্ব জমাকৃত টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করতে পারেন। এই কার্ড ব্যবহার করে জিনিসপত্র কেনার পাশাপাশি সেভিংস অ্যাকাউন্ট থেকে এটিএমএর মাধ্যমে নগদ টাকা উত্তোলন করা যায় বলে বিশ্বব্যাপী এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা ।
ক্রেডিট কার্ডঃ ________ক্রেডিট কার্ড বলতে আমরা বুঝি, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক প্রদানকৃত একটি এটিএম কার্ড যাতে একটি নির্দিষ্ট অংকের টাকা নির্দিষ্ট সময়ে কিছু শর্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের টাকা কোনো ব্যক্তিকে ঋণ প্রদান করার হয়। আর সহজ ভাবে, ক্রেডিট কার্ড ব্যাবহারকারিরা তদের ব্যাংক একাউন্ট থেকে লোণ নিয়ে তা ব্যাবসা বা অন্য কোন প্রয়োজনে ব্যয় করে থাকেন শর্ত সাপেক্ষে ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড ব্যাবহারকারিদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট অংকের সুদ গ্রহন করে থাকে । সাধারণত অনেক বেশি টাকার পণ্য কিংবা সেবা ক্রয়ের সময় ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা হয়।
ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে পার্থক্যঃ ____________অনেকেই ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের ঝামেলায় পড়ে যান কারন তারা এই দুটির মাঝে পার্থক্য বুঝতে পারেন না তাদের জন্য সহজভাবে বলছি, ডেবিট কার্ড ব্যবহার করলে আপনি টাকা খরচ করেন নিজের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকেই আর ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করলে সেটি আপনার ঋণ হিসেবে পাবেন ফলে পরবর্তীতে আপনাকে ঋণ শোধ করতে হবে । ক্রেডিট কার্ডের সুবিধা হলো কারো কাছ থেকে টাকা ধার চাওয়া লাগবেনা, ওটা থেকেই ধার নিতে পারবেন। এর ফলে আপনাকে ধারের সুদ ব্যাংককে প্রদান করতে হবে ।
#_Note: কারো যদি Payoneer Card, Paypal, Skrill/Moneybooker, Netller, Payza একাউন্ট লাগে তাহলে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

চালান

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের হিসাববিজ্ঞান
রাশিদা ইয়াসমিন | প্রকাশ : ১৯ জুন ২০১৪
সিনিয়র শিক্ষক, ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল, খিলগাঁও, ঢাকা
সুপ্রিয় শিক্ষার্থী, লেনদেন Chapter-এ আজ আমি আলোচনা শেষে তোমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু বহুনির্বাচনী প্রশ্ন তুলে ধরলাম, যা তোমাদের পরীক্ষায় সহায়তা করবে।
লেনদেনের উৎস ও এ সংক্রান্ত দলিলপত্রাদি :
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লেনদেন সংক্রান্ত দৈনন্দিন ঘটনাবলীই লেনদেনের উৎস। মালামাল ক্রয়-বিক্রয়, মজুরি প্রদান, সম্পত্তি ক্রয়, বেতন প্রদান ইত্যাদির ওপর কিছু দলিল তৈরি হয়, যা চালান, বিল, ক্যাশমেমো ভাউচার, বেতন শিট, মজুরি শিট, ডেবিট নোট, ক্রেডিট নোট ইত্যাদি নামে পরিচিত। নিচে সংক্ষেপে দলিলগুলোর আলোচনা করা হল-
চালান : চালানের সঙ্গে সম্পর্কিত মাল ক্রয়-বিক্রয় কার নিকট থেকে, কখন, কি পরিমাণ, কত দরে, মোট কত টাকার মাল ক্রয়-বিক্রয় হল তা বিক্রেতা যথাযথভাবে লিখে এক কপি ক্রেতাকে এবং অন্যকপি নিজের কাছে সংরক্ষণ করেন। চালান অনুযায়ী ক্রেতা ক্রয় বহিতে এবং বিক্রেতা বিক্রয় বহিতে হিসাব লিপিবদ্ধ করেন।
বিল ও ক্যাশমেমো : নগদ বিক্রয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত ক্যাশমেমো। এটি প্রণীত হয় তিন কপি, মূল কপি ক্রেতাকে ও কার্বন কপিগুলো বিক্রেতার কাছে থাকে। ক্রেতা চালান বিল ও ক্যাশমেমো যুক্ত করে নগদান বহিতে হিসাব লিপিবদ্ধ করেন।
ভাউচার : ক্রয়-বিক্রয়, খরচ, আয় লিপিবদ্ধ করার সাক্ষ্য প্রমাণপত্রই ভাউচার। ভাউচার দুই প্রকার- ডেবিট ও ক্রেডিট ভাউচার। ক্রয় এবং খরচের জন্য ডেবিট ভাউচার। আবার বিক্রয় এবং আয়ের জন্য ক্রেডিট ভাউচার তৈরি হয়।
ডেবিট নোট : ক্রেতা কোনো কারণবশত ক্রয়কৃত মাল ফেরত পাঠালে মালের পূর্ণ বিবরণ, পরিমাণ, দর, মূল্য ইত্যাদি সংবলিত যে কাগজখানা বিক্রেতার কাছে পাঠায় তাকে ডেবিট নোট বলে। ডেবিট নোট চালান থেকে আলাদা বলে লাল কালিতে লেখা হয়।
ক্রেডিট নোট : বিক্রীত মাল ফেরত এলে বিক্রেতা মালের বিবরণ, পরিমাণ, দর, মূল্য ইত্যাদি লিখে ক্রেতাকে যে কাগজখানা পাঠায় তার নাম ক্রেডিট নোট। ক্রেডিট নোট থেকে বিক্রয় ফেরত বই লিপিবদ্ধ করা হয়।
বহুনির্বাচনী
১। ডেবিট নোট ব্যবহৃত হয়-
ক) ধারে ক্রয়কৃত পণ্য ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে
খ) ধারে বিক্রয়কৃত পণ্য ফেরত পাঠানোর জন্য
গ) নগদে বিক্রয়কৃত পণ্য ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে
ঘ) নগদে ক্রয়কৃত পণ্য ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে
২। ডেবিট নোট তৈরি করেন
ক) বিক্রেতা খ) ভোক্তা গ) সরকার ঘ) ক্রেতা
৩। আর্থিক অবস্থায় পরিবর্তন ঘটায় এমন ঘটনাকে বলে
ক) ক্রয় খ) বিক্রয় গ) সেবা ঘ) লেনদেন।
৪। হিসাব লিপিবদ্ধকরণ প্রক্রিয়ার প্রধান উপাদান
ক) জাবেদা খ) লেনদেন গ) দুই তরফা দাখিলা ঘ) হিসাব
৫। ঘটনা সম্পর্কিত যুক্তিসঙ্গত বিষয় হল (অনুধানবমূলক)
i) লেনদেন ঘটনার উৎস ii) ঘটনা আর্থিক হতে পারে iii) ঘটনা লেনদেন হতেও পারে নাও হতে পারে। (নিচের কোনটি সঠিক)
ক) i, ii খ) ii, iii গ) i, ii, iii ঘ) i, iii
৬। কোনো কোম্পানির একজন কর্মচারী, যার মাসিক বেতন ছিল ৫০,০০০ টাকা। তার অকাল মৃত্যু হয়েছে। এটি একটি ঘটনা লেনদেন নয় কেন?
ক) তার মৃত্যুতে কোনো সম্পদ বয়ে আনেনি বলে
খ) ব্যবসায়ের সঙ্গে মৃত্যুর সম্পর্ক নেই বলে
গ) মানুষ মরণশীল বলে
ঘ) টাকায় পরিমাপযোগ্য নয় বলে।
৭। দুটি পক্ষ লেনদেনে অত্যাবশ্যক- এটি লেনদেনের কোন বৈশিষ্ট্য?
ক) দাতা গ্রহীতা খ) দ্বৈতসত্তা গ) পরিপূর্ণতা ঘ) স্বয়ং সম্পূর্ণতা
৮। ভাউচার কত প্রকার?
ক) ৪ খ) ৩ গ) ৫ ঘ) ২
৯। ভাউচার প্রস্তুতকারী কে?
ক) ক্রেতা খ) ভোক্তা গ) ছাত্রছাত্রী ঘ) ক্যাশিয়ার।
১০। ক্রেডিট নোট হতে যে বহি লেখা হয় তা হলÑ
ক) ক্রয় বহি খ) বিক্রয় ফেরত বহি গ) বিক্রয় বহি ঘ) বিজ্ঞাপন বহি।
১১। মালিকানা স্বত্ব উপস্থাপনকারী সূত্র হল
ক) A+L=E খ) L=A+E গ) E=A-L ঘ) A=L+E
১২। অদৃশ্য আর্থিক ঘটনা হলে কি হবে?
ক) লেনদেন খ) হিসাব নয় এমন ঘটনা গ) সম্ভাব্য লেনদেন ঘ) লেনদেন নয়।
১৩। কারবার থেকে মালিকের নিজ প্রয়োজনে উত্তোলন হিসাব সমীকরণে কি প্রভাব ফেলবে?
ক) সম্পদ ও মালিকানা স্বত্ব হ্রাস
খ) সম্পদ ও মালিকানা বৃদ্ধি
গ) সম্পদ ও ব্যয় বৃদ্ধি
ঘ) সম্পদ ও দায় হ্রাস
১৪. মালিকানা স্বত্ব বৃদ্ধি পায় কি হলে?
ক) ব্যয় বৃদ্ধি পেলে খ) আয় বৃদ্ধি পেলে গ) দায় বৃদ্ধি পেলে ঘ) ক্ষতি হলে
উত্তর : ১। ক ২। ঘ ৩। ঘ ৪। খ ৫। খ ৬। ঘ ৭। খ ৮। ঘ ৯। ঘ ১০। খ ১১। গ ১২। ক ১৩। ক ১৪। খ