Monday, March 11, 2019

সহবাস করার নিয়ম

মহান আল্লাহতায়ালা প্রত্যেক পুরুষের জন্য স্ত্রী হিসেবে একজন নারীকে মনোনিত করে রেখেছেন। এই স্ত্রীর সাথে আল্লাহর দেওয়া বিধান অনুযাই সহবাস করলে আমরা সহজেই তৃপ্তি লাভ করতে পারি। বেঁচে যেতে পারি এইডস এর মত নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে।
মহান আল্লাহতায়ালা বলেন, হে পুরুষ সম্প্রদায় আমি তোমাদের জন্য তোমাদের স্ত্রীকে হালাল করে দিয়েছি। যাতে করে তোমরা শয়তানের ধোঁকায় পরে বিপথগামী না হও।
ধর্ম ও জীবনের আলোচনায় আজ আমরা জেনে নিব স্বামী স্ত্রী সহবাসের দোয়া, কখন সহবাস নিষিদ্ধ ও সহবাসের কিছু নিয়ম
সহবাসের দোয়া : ‘বিসমিল্লাহি জান্নিবিনা শাইত্বানা ওয়া জান্নিবিশ শাইত্বানা মা রাযাকতানা’ অর্থাৎ হে আল্লাহ আমাকে শয়তান হতে বাঁচার এবং আমার জন্য যা হালাল করেছ তাহা হইতে শয়তানকে বিতারিত করো।
সহবাস নিষিদ্ধ : (১) রোগী ব্যক্তি সহবাস করিলে তার রোগ আরো বেড়ে যায় এবং শরীরের ক্ষতি হবে (২) শরীরে জ্বর ও বেশি গরমে স্ত্রী সহবাস পাগল হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে (৩) বৃদ্ধা ও বারবনিতার সঙ্গে সহবাস করলে আয়ু কমে যায় (৪) হায়েজের অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করলে স্বামী স্ত্রী দুই জনেই রোগ হতে পারে (৫) নিকৃষ্ট স্ত্রী সাথে করলে নিকৃষ্ট সন্তান জম্ম লাভ করে (৬) ভরা পেটে স্ত্রী সহবাস করলে কঠিন রোগ হবে (৭) অন্ধকার ঘরে ক্ষুদ্র বা নোংড়া জায়গায় স্ত্রী সহবাস করলে চিরতরে স্বাস্থ্য নষ্ট হয়ে যায় (৮) ভীষণ ক্ষুধার সময় স্ত্রী সহবাস করিলে লিঙ্গ শিথিল হয়ে যায়।
স্বামী স্ত্রী সহবাস করার কিছু নিয়ম কানুন : (১) রাত্রি দ্বি-প্রহরের আগে সহবাস না করা (২) ফলবান গাছের নিচে সহবাস না করা (৩) সহবাসের প্রথমে দোয়া পড়া (৪) বিসমিল্লাহ বলে শুরু করা (৫) সহবাস করার সময় নিজের স্ত্রীর রূপ দর্শন শরীর স্পর্শন ও সহবাসের সুফলের প্রতি মনো নিবেশ করা ছাড়া অন্য কোনো সুন্দরি স্ত্রী লোকের বা অন্য সুন্দরী বালিকার রুপের কল্পনা না করা (৬) রবিবারে সহবাস না করা (৭) বুধবারের রাত্রে সহবাস না করা (৮) চন্দ্র মাসের প্রথম এবং পনের তারিখ রাতে সহবাস না করা (৯) স্ত্রীর জরায়ু দিকে চেয়ে সহবাস না করা, ইহাতে চোখের জ্যোতি নষ্ট হয়ে যায় (১০) বিদেশ যাওয়ার আগের রাতে স্ত্রী সহবাস না করা (১১) সহবাসের সময় বেশি কথা না বলা (১২) নাপাক শরীরে সহবাস না করা (১৩) উলঙ্গ হয়ে কাপড় ছাড়া অবস্থায় সহবাস না করা (১৪) জোহরের নামাজের পরে সহবাস না করা (১৫) স্বপ্নদোষের পর গোসল না করে স্ত্রী সহবাস না করা (১৬) পূর্ব-পশ্চিম দিকে শুয়ে সহবাস না করা।
সর্বশক্তিমান আল্লাহ তার দেওয়া হুকুম মেনে সবাইকে সহবাস করার তৌফিক দান করুন। আমীন
৭১সংবাদ ডট কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে

Tuesday, February 12, 2019

জান্নাতের ভালোবাসার জয়

জান্নাতের ভালোবাসার জয়
দিনটি ছিলো ৪ আগষ্ট ২০১৭ শুক্রবার। জুম্মার নামাজ শেষ করে এসে জান্নাতকে দেখি। আমাদের পরিবারের সবাই জান্নাতকে পছন্দ করলো। সবাই আমার মুখের পানে চেয়ে। আমার " হ্যা" বলার অপেক্ষায়। আমার হ্যা বলতে দেরি হলেও,  আংটি পরানোর সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হলো না। আমার আম্মা তার নিজের হাতের আংটি খুলে জান্নাতকে পরিয়ে দিলো।
ওর পুরো নাম জান্নাতুল ফেরদৌস। আমি ওকে সংক্ষেপে জান্নাত বলে ডাকি। ভালবেসে আমি ওকে এই নাম দিয়েছি। জান্নাত আমার সুখের উদ্যান। এই জান্নাতকে নিয়ে আমার আজন্ম ঘর-গৃহস্থলী, স্বপ্ন সুখ।  মরু জীবনে ভরা শীতল জলের সরোবর।
জান্নাতের নিজেরও নামটি ভারী পছন্দ হয়েছে। কেনোইবা হবেনা, আমার হৃদয় নিংড়ানো ভালোবাসার বহুল সমাহার এর সারমর্ম হিসেবে জান্নাত নামটি বেছে দিয়েছি।
আর কি বা দেবার আছে আমার।  নাও, আমি নিজেকেই দিয়ে দিলাম। সঙ্গে দিলাম অফুরন্ত ভালোবাসা যা ছিল সঞ্চয় আমার।
জান্নাত তোমাকে আরো দিলাম ভূবন ডাঙ্গার মেঘলা আকাশ, আমার বোতাম বিহীন ছেড়া শার্ট।
ওকে দেখা মাত্রই আমার হৃদয় ঘন্টা টুং টাং  আওয়াজে বাজতে শুরু করল। হয়তো জান্নাতের হৃদয়ের ঘন্টাটাও বেজেছিলো। না হলে আমারটা বাজতো না। যেমনটি গুণীজনেরা বলে গেছেন যে, একহাতে তালী বাজেনা।
জান্নাতের সাথে কথা বলে জানতে পারি আমাদের দু'জনের পছন্দ অপছন্দের যথেষ্ট মিল রয়েছে। প্রথম দেখাতেই আমরা দুজন ভেবে নিয়েছি, আমাদের দুজনের দেখা হওয়াটা আল্লাহর অশেষ রহমতের একটা দৃপ্তমান দৃষ্টান্ত।
নদী যেমন পাহাড়-পর্বত, বন-জঙ্গল,  সমতল পেরিয়ে সাগরে মিশে তেমনি আমিও । যে নারীর মধু প্রেমে আমার রক্ত দোলে  সে জান্নাত। জান্নাত আমার সুখের নাম, আমার সর্বনাসের ও। এই জান্নাতের খোজে এতটা বছর জীবন হাতের মুঠোয় করে ছুটে বেরিয়েছি।  দুরন্ত ষাড়ের চোখে বেধেছি লাল কাপড়। আর কত রং বেরঙের নারীর মাঝে খুজেছি তাকে কিন্তু
পাইনি।
আজ তাকে পেয়েছি, আর কি বসে থাকা যায়, হৃদয়ের মনিকোটায় ছোট ছোট নুড়ি সংগ্রহের কাজ শুরু হলো। যতদ্রুত সম্ভব স্বর্নখচিত ভালোবাসার ঘর তৈরির কাজ শেষ করতে হবে। আমার জান্নাত অপেক্ষায় আছে।
আমার জান্নাত বলছি কারন পারিবারিক ভাবে আমি জান্নাতকে আংটি পরিয়ে আমার জান্নাত বলে জগৎ সংসারে জানান দিয়ে এলাম।
হাজারো জল্পনা কল্পনায় সময় দ্রুত কাটছিলো। আধারের আগমনে পালিয়ে গেলো দিনের আলো। তখন রাত ৯টা। আমি খুলনা থেকে ঢাকার পথে যাত্রা করলাম। রাত শেষ হবার আগেই আমাকে সাড়ে তিনশো কিমি পথ পাড়ি দিয়ে সকালে এসে অফিস করতে হবে। আমার মাথার খুলিতে অফিস অার হৃদয়ের ঝুলিতে জান্নাত। নাইটকোচ রাতের নিস্তদ্ধতা ভেঙ্গে, আধারেরর বুক চীরে আপন মনে হর্ণ বাজিয়ে দূর্বার ছুটছে গন্তব্যের পানে। আর আমি হারিয়েছি আমার জান্নাতের ভাবনায়।  তন্দ্রকাটে মোবাইলের ক্রিং ক্রিং শব্দে।  মোবাইলটা কানে নিয়ে হ্যালো বলতেই ওপার থেকে সুমধুর কিশোরী কন্ঠে ভেসে অাসে "আসসালামু আলাইকুম"।
বাতাসের শো শো শব্দের হিংসাত্বক মনোভাবে আমাদের কথোপথন বেশিদুর এগোতে পারেনা। শুধু কুশল বিনিময়ে শেষ হয়।  এরই ফাকে জান্নাত বলে গেলো "অপেক্ষায় রইলাম, পৌছে ফোন দিবেন।"
আমার বিরক্তিকর বাস ভ্রমন। আনন্দ ভ্রমনে রুপান্তরিত হলো। হৃদয় মাজারে সুখের হাওয়া বইতে শুরু করে। শুকনো পাতা ফিরে পেলো সজীবতা। আর বাগানে ফুটলো এক নতুন কুড়ি যা আগে কখনো ফোটেনি।
কখনো ব্রক্ষপূত্রের উত্তাল সমুদ্রে ডিঙি ভাসিয়েছি কখনো আবার হাতে হাত রেখে হেটেছি সাদা কাশফুল ছুয়ে। এমনই নিমিঝিমি ভাবনায় রাত পার হয়ে গেলো।  আনুমানিক সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকায় পৌছাই। সারারাতের অপেক্ষমান জান্নাতকে ফোন করে জানালাম,  আমি পৌছেছি।  অমলীন হাসি মিশ্রিত আত্মতৃপ্ত কন্ঠে ওপার থেকে ভেসে এলো " অালহামদুলিল্লাহ"।
এরপর অফিস,  অফিস অবসরে ফোনকরা। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে আমাদের কথপোথনের সময়সীমা।
অদৃশ্য এক আকর্ষন অনুভূত হতে থাকে হৃদয় থেকে হৃদয়ে। একটু সময় গড়িয়ে গেলে মনে হয় নাজানি কতক্ষন কথা বলিনি। এভাবে দিন বাড়ার সাথে সাথে কথা বলার সময় লাফিয়ে লাফিয়ে চলে মিনিট থেকে ঘন্টায়।  দুজন দুজনার তরে ব্যকুল।  শুনতে ইচ্ছা করে অনেক না বলা কথা, বলতে ইচ্ছা করে হাজার ভালোবাসার রুপ।
হৃদয় দিয়ে দুজন দুজনকে বুঝতে চেষ্টা করি। হয়ে উঠি দুজন দুজনার হাসি-কান্না, সুখ দুঃখের সমভাগী। 
প্রেমের সাগরে হাবুডুবু খেতে খেতে দুজনই  নেমে আসি আপনি থেকে তুমিতে।
এমনকি নিজেদের প্রেমিক প্রেমিকা  থেকে বদলে স্বামী-স্ত্রী রুপে মনের দেয়ালে আপন খেয়ালে ভালোবাসার মানুষের ছবি আকতে থাকি।
এমন ভাবনার নিশ্চই কারনও ছিলো। কারনটি হলো ১৫ই আগষ্ট আমাদের বিয়ের দিন ধার্য করা হলো।  তাই এমন ভাবাটা নিশ্চই অপরাধের কিছু নয়। আর কেউ আমাদের বাধাও দেয়নি,  বরং সকলেই সমর্থনের সাথে সাথে সহযোগীতাও করেছে। তাতে করে আমরা মন খুলে কথা বলতে পেরেছি।
বিপত্তি ঘটলো অন্যখানে। যেখানে যা ঘটার ছিলো না তাই ঘটলো। আরমাত্র তিনদিন পর আমি আমার জান্নাতকে নিয়ে ভালোবাসার সর্ব্বোচ্চ চূড়ায় পদার্পন করবো।
১১ই আগষ্ট শুক্রবার। গত শুক্রবার জুম্মার নামায শেষে আমি আমার জান্নাতকে পাই। আজ মাত্র ৬দিনের ব্যবধানে অপ্রত্যাশিতভাবে জান্নাতকে হারাতে বসেছি।  বলির পাঠা হতে চলেছে নিস্পাপ ভালোবাসায় সিক্ত দুটি হৃদয়।
এই ৬টা দিন আমাদের কাছে মনে হয়েছে অনেক অনেক বছর কেটে গেলো দুজন দুজনার অপেক্ষায়। মনে হয়েছে আমরা জনম জনমের সাথী।
আমাদের দুটি হৃদয় দেশের দুই প্রান্তে। আরেক প্রান্তে আমাদের ভাগ্য নির্ধারনের মেলা বসেছে। অবশ্য এটা আদি থেকে চলছে এবং চলবে অনন্তকাল। পৃথিবীতে আমাদের ভাগ্য নির্ধারনের দায়িত্ব একমাত্র তাদের। যারা এখানে বসেছে। নিঃসন্দেহে তারা আমাদের ভালো করার চেষ্টা করেন এবং আজীবন করবেন। দায়িত্ববান মানুষ সব সময় নিজের দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকেন।
কিন্তু তারা জানেন না যে, আমরা দুজন শুধু তাদের নয়, নিজেদের অজান্তে কয়েক ধাপ এগিয়ে গেছি। নিজেদের ভাগ্য নিজেরা নির্ধারন করে ফেলেছি।
তাই কোনো এক সম্মানী ব্যাক্তির বড়াপ্পানা কালবৈশাখী রুপে আঘাত হানে আমাদের সুখের স্বর্গে। তিনি কোনো সমাজ মানেন না,  এমনকি মানেন না কোনো যুক্তি। অথচ তার কথাই মানতে বাধ্য আমার জান্নাতের পরিবার। তিনি ভাবছেন আমি নিশ্চই এদের ভালো করছি। তিনি এই ভালোর দোহাই দিয়ে যে,  আমাদের দুটি হৃদয়ের নিস্পাপ ভালোবাসাকে অঝোরে কাদাচ্ছেন তা সত্যিই তিনি জানেন না।  জানলে হয়তো ভূল করেও তারা কোনো যুক্তি তর্কে যেতেন না।
দেনমোহরের দাবীতে তৈরি হলো দুটি গ্রুপ। জান্নাতের বাবা চাচার কথা সাড়ে তিন লক্ষ টাকার নিচে দেনমোহর হবেনা। আমার পরিবারের কথা ছেলের আয় রোজগার ও শরীয়ত মোতাবেক দেনমোহর হোক।
ভালোবাসার একপিঠে চলতে থাকে শরীয়ত মারফতের লড়াই। অন্য পিঠে চোখের জ্বলে ভেসে চলি আমি আর জান্নাত। আরমাত্র দুদিনবাকি। কান্নাজড়িত গলায় জান্নাত ফোন করে আমাকে বলল -"অামি তোমাকে ছাড়া বাচব না। কিছু একটা করো"। জান্নাত ঠিকমতো কথা বলতে পারছে না, পাগলের মতো কাদছে। আমারও নিজেকে ধরে রাখতে খুব কষ্ট হচ্ছিলো। ভালোবাসার মানুষটা অঝোরে কাদছে,  কাদতে কাদতে গলা ভেঙ্গে গেছে। আমি এত দুরে বসে কি করবো ভেবে পাচ্ছিলামনা। জান্নাতের বাবা জান্নাতের সামনে এলে, মেয়ের কান্না,  মেয়ের মলীন মুখ দেখে নিজেকে সামলাতে পারে না। তাই মেয়ের মতকেই প্রাধান্য দেয়, আবার যখন বাইরে আসে তখন  বড়াপ্পানা পেয়ে বসে, মেয়ের মুখটা ঝাপসা হয়ে যায়। এমতাবস্থায় জান্নাত আমাকে বললো তোমরা আমাকে কাদাচ্ছে। আব্বুর কথা মেনে নিলে কি হবে।  অনেক কষ্ট পেয়েছিলাম জান্নাতের এমন কথায়।  কিন্তু আমি জানতাম ও কোনো কিছু না বুঝেই বলেছে।
জান্নাতের কষ্টের কথা ভেবে এবং ওর অনুরোধে আর আমার ভালোবাসাকে বাচিয়ে রাখার প্রবল অাগ্রহ নিয়ে আমি জান্নাতের বাবার সাথে কথা বলি। মেনে নেই তার সাড়ে তিন লক্ষ'র দাবী। আমরা ভাবী এই বুঝি সমস্যার অবসান হলো। 
কিন্তু না, ? সমস্যা আরো প্রকট অবস্থা ধারন করলো।  আমাদের জোড়া দেয়ার মধ্যস্থতায় যারা  ছিলো।  তারা পিছু হটতে লাগলো।
জীবন নদীর লাগামহীন তরঙ্গ তছনছ করে দিতে লাগলো সাজানো স্বপ্নের বাগান। ভয়াবহ বজ্রপাতের ও কমতি ছিলো না হৃদয় আকাশে। থরথর করে কাপছিলো বিগত দিনের দাড়িয়ে থাকা শক্ত পা দুটো।
অন্তহীন যন্ত্রনায় পুড়ে ছারখার হতে লাগলো দেহ, মন, প্রান। হৃদয়ের রক্তাশ্রু চোখ দিয়ে ঝরতে লাগলো।  থেমে যেতে লাগলো হৃদয়ের জিহ্বা। 
অবশেষে জান্নাতের বাবাই পুনরায় আমাদের হৃদয় জোড়া দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন।  এতে অবশ্য জান্নাতের পরিবারের ছোটবড় সকলের অগ্রনী ভূমিকা ছিলো। পুনরায় অলৌকিক ভাবে জুড়ে গেলো আমাদের দুটি পরিবার। হয়ে গেলো আরো ঘনিষ্ট থেকে ঘনিষ্টতর।
ব্যস আর কি, বাগানে ফুটলো নতুন করে ফুলের  কুড়ি, পাখিরদের মিষ্টি গান, কোকিলের কুহুকুহু শব্দে মুখোরিত।
তারিখ যা ছিলো তাই থাকলো। অপেক্ষার মিনিট ঘন্টার চেয়ে বড়। তাই অনেক প্রতীক্ষার পর ১৫ই আগষ্টের সূর্য নতুন সকালের আগমনী বার্তা নিয়ে এলো।
হৃদয়ের মাঝে অফুরন্ত সুখের মাঝে একটা অজানা ভয় খুড়ে খুড়ে খাচ্ছিলো আমাকে। অবশেষে  অপেক্ষার পালা শেষ হলো আর  আমরা হলাম স্বামী স্ত্রী।
কিন্তু এখন আমার একপাশে ভালোবাসার কালো ঘন রোদ্দুর আর একপাশে কষ্টের নীল মেঘ।

Saturday, January 5, 2019

১১৪ টি সংক্ষিপ্ত শব্দের পুর্ন রূপ

১১৪ টি সংক্ষিপ্ত শব্দের পুর্ন রূপ নিন্মে দেওয়া হল:-


১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity.
২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer Protocol.
৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer Protocol Secure.
৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator.
৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information Resourc Under Seized.
৭। SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module.
৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation.
৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile Communication.
১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple Access.
১১। UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile Telecommunication System.
১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
১৪। SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
১৫। AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec
১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor
১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Partnership Project
২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
২১। MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
২২। AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable Format
২৪। BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert Group
২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
২৭। WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
২৮। WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
২৯। WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
৩০। PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network Graphics
৩১। DOC এর পূর্ণরূপ — Docoment (Microsoft Corporation)
৩২। PDF এর পূর্ণরূপ — Portable Docoment Format
৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ — Mobile 3D Graphics
৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 Audio File
৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia Theme(series 40)
৩৬। THM এর পূর্ণরূপ — Themes (Sony Ericsson)
৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ — Synthetic Music Mobile Application File
৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia Ringtone
৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ — Extensible Music File
৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ — Wireless Bitmap Image
৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX Video
৪২। HTML এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Markup Language
৪৩। WML এর পূর্ণরূপ — Wireless Markup Language
৪৪। CD এর পূর্ণরূপ — Compact Disk.
৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital Versatile Disk.
৪৬। CRT — Cathode Ray Tube.
৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital Audio Tape.
৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk Operating System.
৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ — Graphical User Interface.
৫০। ISP এর পূর্ণরূপ — Internet Service Provider.
৫১। TCP এর পূর্ণরূপ — Transmission ControlProtocol.
৫২। UPS এর পূর্ণরূপ — Uninterruptible Power Supply.
৫৩। HSDPA এর পূর্ণরূপ — High Speed Downlink Packet Access.
৫৪। EDGE এর পূর্ণরূপ — Enhanced Data Rate for GSM [Global System for Mobile Communication]
৫৫। VHF এর পূর্ণরূপ — Very High Frequency.
৫৬। UHF এর পূর্ণরূপ — Ultra High Frequency.
৫৭। GPRS এর পূর্ণরূপ — General Packet Radio Service.
৫৮। WAP এর পূর্ণরূপ — Wireless Application Protocol.
৫৯। ARPANET এর পূর্ণরূপ — Advanced Research Project Agency Network.
৬০। IBM এর পূর্ণরূপ — International Business Machines.
৬১। HP এর পূর্ণরূপ — Hewlett Packard.
৬২। AM/FM এর পূর্ণরূপ — Amplitude/ Frequency Modulation.
৬৩। WLAN এর পূর্ণরূপ — Wireless Local Area Network
৬৪। USB এর পূর্ণরূপ — Universal Serial Bus.
৬৫। HD এর পূর্ণরূপ — High Definition
৬৬। APK এর পূর্ণরূপ — Android application package.
৬৭। BBA এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Business Administration
৬৮। SSC এর পূর্ণরূপ — Secondary School Certificate
৬৯। HSC এর পূর্ণরূপ — Higher Secondary Certificate
৭০। JSC এর পূর্ণরূপ — Junior School Certificate জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট।
৭১। BCS এর পূর্ণরূপ — Bangladesh Civil Service
৭২। NCTB এর পূর্ণরূপ — National Curriculam & Text Book
৭৩। DPE এর পূর্ণরূপ — Directorate of Primary Education
৭৪। BA এর পূর্ণরূপ — Bachelor of Arts
৭৫। MBA এর পূর্ণরূপ — Master of Business Administration
৭৬। LLB এর পূর্ণরূপ — Bachelor Of Law
৭৭। MBBA এর পূর্ণরূপ — BACHELOR OF MEDICINE AND BACHELOR OF SURGERY
৭৮। VIP এর পূর্ণরূপ — Very Important Person
৭৯। PHD এর পূর্ণরূপ — Doctor of Philosophy
৮০। UNICEF এর পূর্ণরূপ — United Nations Children’s Fund
৮১। OK এর পূর্ণরূপ — All Correct
৮২। GMT এর পূর্ণরূপ — Greenwich Mean Time
৮৩। এক্সেল — এক্সেল একটি হিসাব রক্ষার কাজে ব্যবহৃত প্রোগ্রাম।
৮৪। MA এর পূর্ণরূপ — MASTER OF ARTS
৮৫। yahoo — নরপশু
৮৬। সফটওয়্যার — ২ প্রকার সিস্টেম সফটওয়্যার ও এপ্লিকেশন সফটওয়্যার
৮৭। ওয়াই ফাই এর কাজ — দ্রুতগতির ইন্টারনেট
৮৮। FBC এর পূর্ণরূপ — Federal bureau corporation
৮৯। fb এর পূর্ণরূপ — Foreign body/ Facebook
৯০। ABC এর পূর্ণরূপ — Alphabetically Based Computerized
৯১। ব্যাকটেরিয়া যে প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি করে — Amitosesis
৯২। DDR এর পূর্ণরূপ — Double data rate
৯৩। VAT – এর পূর্নরূপ — Value Added Tex (মুল্য সংযোজন কর)
৯৪। IP- এর পূর্নরূপ- Internet Protocol
৯৫। WWW এর পূর্ণরূপ — World Wide Web.
৯৬। XY এর পূর্ণরূপ — Male Chromosome
৯৭। XXY এর পূর্ণরূপ — Klinefelter Syndrome chromosomes
৯৮। A-Level এর পূর্নরূপ — Advanced Level
৯৯। BL এর পূর্নরূপ — Bachelor Of Law
১০০। LLB এর পূর্ণরূপ — Bachelor Of Law
১০১। BTV এর পূর্নরূপ — Bangladesh Television
১০২। LP এর পূর্নরূপ — Long Playing
১০৩। PIN এর পূর্নরূপ — Pin Index Number
১০৪। KG এর পূর্নরূপ — KiloGram / Kindergarten
১০৫। Kg এর পূর্নরূপ — Kilogramme
১০৬। PSC এর পূর্ণরূপ — Primary School Certificate.
১০৭। JDC- এর পূর্ণরূপ — Junior Dakhil Certificate
১০৮। RAM এর পূর্ণরূপ — Random Access Memory
১০৯। ROM এর পূর্ণরূপ — Read Only Memory
১১০। Mbps এর পুর্নরূপ — Megabytes Per Second(MBps)
১১১। DJ- এর পূর্নরূপ — Disc jockey
১১২। AM এর পূর্ণরূপ – Ante Meridiem যার অর্থ “দ্বিপ্রহরের পূর্বে”
১১৩। PM এর পূর্ণরূপ – Post Meridiem যার অর্থ “অপরাহ্ন”
১১৪। VAT – এর পূর্নরূপ — Value Added Tex (মুল্য সংযোজন কর)
১১৫। OTG – এর পূর্নরূপ — On The Go
Collected..

Saturday, December 15, 2018

জান্নাত

Let's video chat and text on imo! Get the free app http://imo.im

Friday, November 30, 2018

মাছের নাম

আজ জানব বিভিন্ন
প্রকার মাছের English নাম ও অর্থ:
-
1.Barbel=শিং মাছ
.
2.Catfish=মাগুর
.
3.Carp=কাতল
.
4.Eel=বাইন
.
5.Flat fish=চিতল
.
6.Halibut=পাঙ্গাশ
.
7.Hilsha=ইলিশ
.
8.Lobstar=গলদা চিংড়ি
.
9.Prawn=বাগদা চিংড়ি
.
10.Pomfret=রূপচাঁদা
.
11.Salmon=রুই
.
12.Shrimp=চিংড়ি
.
13.Sheet fish=বোয়াল
.
14.Tarpon=তেলাপিয়া
.
15.Troul=মৃগেল
.
16.Whale=তিমি ৷

Tuesday, October 16, 2018

বিরহগাথা স্মৃতির পাত -৩

আমার ভাইয়ের ভালো চাকরী হবার পর আমরা পরিবারের সবাই ভেবেছিলাম এই বুঝি আমাদের দিন ফিরতে শুরু করলো । এখন আর আমাদের তেমন কষ্ট হবেনা। কিন্তু বুঝতেই পারিনি আমাদের জন্যে এমন দিন অপেক্ষা করছে।  আজ আমরা একপ্রকার অসহায়।
আমার আব্বা আম্মা  বিয়ের প্রথম থেকে আমার নতুন ভাবীকে মা বলে ডাকতো। এখন নাম ধরে ডাকে। এটা অবশ্য তার নিজের অর্জন।
অামার বড় ভাই এখন অনেক বড় ইঞ্জিনিয়ার। বছরে দুবার বিদেশের মাটিতে নিজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা যাহীর করার সুযোগ পান। দেশ ছেড়ে বিদেশের মাটিতেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন আপন দম্ভে। মানে হলো কোম্পানি থেকে বছরে দুবার কোম্পানির অভ্যন্তরিন মিটিংয়ের জন্য দেশের বাইরে তাকে তলব করা হয়। এক এক বছর এক এক দেশ। এমনকি ঢাকায় জায়গা কিনেছেন বাড়ি করার প্রস্তুতি চলছে। অথচ আমার আম্মা  আব্বা রোগে শোকে আধমরা। একেবারে যে খোজখবর নেয়না তা নয়। আব্বা আম্মা যখন অনেক ইমোশনাল হয়ে কান্নাকাটি করে তখন একটু খোজখবর নেয়। হয়তো একবেলার জন্য গিয়ে ঘুরে চলে আসে। ঈদেও তিনি গ্রামের বাড়িতে যেতে চাননা। ঢাকাতেই থাকেন- কারন ,তার বউ যাবেনা। তাই সেও বাড়ি যেতে পারে না।
আমার এই হৃদয়বান বড়ভাই নাকি অনেক দয়ালু । মানুষের উপকার করার জন্য ছুটে বেড়ান এক স্থান থেকে অন্য স্থানে। কিন্তু আশ্চর্যর বিষয় কি জানেন। তার কথায় অনেক লোকের চাকরী হয়। শুধু আমাদের দু’ভাই ছাড়া। আমরা দুভাই বলতে আমি আর আমার ছোট ভাই। তিনি আমাদের পরিচয় দিতে লজ্জা পান।
অথচ আমরা দুটি ভাই , কোনো প্রকার অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত না, কোন প্রকার নেশায় আশক্ত না। এমনকি সিগারেট, চা , পানের ও না।
আমার এই শ্রদ্ধেয় বড় ভাই , আমার বিয়েতেও বাড়িতে যায়নি। আমরা সবাই তার অপেক্ষায় আছি। সকালে বলল আসছি। তার একটু পরে বলল আমি গাড়িতে । দুপুর গড়িয়ে যাচ্ছে তার কোনো খবর নাই । এখন তিনি আর ফোন রিসিভ কর
ছেন না । আমরা ভাবছি হয়তো আসছে। পথে ব্যস্ত আছে। দুপুর ৩টার দিকে তার ফোন বন্ধ।

চলবে ..................................................

Saturday, October 6, 2018

বিরহগাথা স্মৃতির পাতা-২


ছবি সংগৃহিত
হাজার কষ্টের মাঝেও আমরা সুখি। ছোট ভাই বোন দুাটো ক্ষুধায় খুব বেশি কান্না করতো তখন আম্মা ফিডারে পানি ভরে ওদের মুখে দিয়ে রাখতো। আমরা দুই ভাই ছোট বেলার খেলাধুলা থেকে অনেকাংশে বঞ্চিত হয়েছি। আমরা দুই ভাই, দুই ভাই বোনকে কোলে নিয়ে দাড়িয়ে দাড়িয়ে খেলা দেখতাম। ধীরে ধীরে ওরা বড় হতে লাগলো।
আমার ছোটবোনটা একটু পেটুক ছিলো। খাবার সামনে দেখলেই ও কেদে ফেলতো। সবাই ওকে অনেক মারধরও করেছি কিন্তু তাতে কাজ হতো না। সবাই যখন ভাত খাচ্ছি তখন বোনটি আমার ভাতের প্লেট সামনে নিয়ে অঝরে কাদছে। ওকে কিছু জিজ্ঞাসা করলেও কিছু বলতো না শুধু নিরবে কাদতো। এতে আর সবার আরো বেশি রাগ হতো। ওর কোনদিন খাবারে মন ভরতো না। আমার এই বোনটি এখন আর খেতে চায় না। অভাব ঘুচে সামান্যে স্বচ্ছলতা আসলো । 
আমাদের দুই  ভাইয়ের ভর্তি  আব্বা আমাদের কাকার কাছে পাঠালো। তখন আমি ক্লাস সিক্সে পড়ি। টুটপাড়া থেকে গল্লামারি দু্ই ভাই হাটতে হাটতে কাকার বাসায় গিয়েছিলাম । কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। আবার হাটতে হাটতে ফিরে এলাম। এভাবে আমাদের দিন কাটতে থাকে । আমার বড় ভাই পলিটেকনিক থেকে ডিপ্লোমা পাশ করে ঢাকায় পাড়ি জমায়। অমি এসএসসি টেষ্ট পরীক্ষায় ‍উত্তীর্ণ হবার পর আমার এক মামাকে বলেছিলাম -মামা আমি টেষ্টে পাশ করেছি। মামা বলেছিল তুই মেট্রিক পরীক্ষায় পাশ করতে পারলে আমার বাম হাতের তলায় লোম গজাবে। আজ আমার মাষ্টার্স কমপ্লিট। আমাদের সংসার ভালোই চলছিলো। অনেক হাসি আনন্দর মধ্যে দিন কাটতো। ভাইয়া যেদিন ঢাকা থেকে বাড়ি যেতো সেদিন সারারাত আমাদের কোন ভাই বোনের ঘুম হতো না, আনন্দে। ভাইয়াকে বাস কাউন্টারে আমরা নিতে আসতাম।  আমাদের পরিবারে সবসময় হাসি ঠাট্টা লেগেই থাকতো। 
সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নলো ভাইয়াকে বিয়ে দেয়া হবে। গুটি কয়েক মেয়ে দেখার পর পছন্দ হয়ে গেলো।
অনেক ধুমধাম করে বিয়ে করালাম ভাইয়াকে। আব্বার জমানো সব টাকাই প্রায় খরচ হয়ে গেলো। কিন্তু দুঃভাগ্যে আমার ভাইয়ার সেখানে সংসার বেশিদিন টিকলো না। একবছরের মাথায় সংসার ভেঙ্গে গেলো। মেয়ের অন্য কোথাও নাকি লটরপটর ছিলো। শহরের মর্ডান মেয়ে তাই এগুলো তার ও তার পরিবারের কাছে কোন ব্যপারই না।
যাই হোক আবার মেয়ে দেখার পালা । এবার শহর নয় গ্রামের মেয়ে চাই। যে কথা সেই কাজ। গ্রামের মাটির ঘর থেকে খুব ভদ্র নামাজি পর্দানশীল মেয়ের সাথে বিয়ে দেয়া হলো। মাস ছয়েক ভালোই ছিল। তার পর শুরু হলো পর্দার কেরামতি। আমরা সবাই ছিটকে পড়তে লাগলাম রক্তের বন্ধন থেকে থেকে। যে যে উনার কথা মতো চলতে পারবে সেই ভালো। মানসম্মান বলে কিছু আছে কিনা জানা নাই। তবে ভালো মন্দ জ্ঞান বিষয় যে অন্ধ তা নিশ্চিত। নিজে যা করবে সেটাই ভালো তার উপর আর কোন ভালো কাজ নেই। নিজের দোষ বলতে কিছু নাই।   উনার একটাই কথা “আমি স্বার্থ ছাড়া এক পাও চলি না”। আরো অাশ্চর্য  বিষয় হলো উনি পুথিগত বিদ্যায় মাষ্টার্স পাশ। আমার আম্মা যখন উনাকে খেতে ডাকতেন তখন উনি বলতেন -আমাকে  এতোবার ডাকেন কেনো আমাকে আপনি ডাকলে আমার রাগ হয়। 
আমাদের পরিবার আর পরিবার বইলো না। ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেলো। কখনো কখনো সবাই মিলে  জোড়া দেবার চেষ্টা করলেও পর্দার কেরামতিতে জোড়া লাগেনা। একটা না একটা ঝামেলা বাধিয়ে সবাইকে আলাদা করে রাখবেই।