Monday, May 21, 2018

প্রাইমারী

বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদীর নাম কী?
উঃ সুরমা নদী/মেঘনা নদী।
বাংলাদেশের সবচাইতে ধনী এলাকা কোনটি?
উঃ সিলেট (রেমিটেন্স, চা, বালু, পাথর ইত্যাদি)।
বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলার সংখ্যা ?
উঃ ৩২টি।
সার্কের প্রথম মহাসচিব কে?
উ কতটি ঃ জনাব আবুল হাসান (বাংলাদেশ)।
মহাশূন্য ভ্রমণকারী বিশ্বের প্রথম পর্যটক কে?
উঃ ডেনিস টিটো (যুক্তরাষ্ট্র, ২০০১সালে)।
বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান কে?
উঃ মোহাম্মদ আশরাফুল (বাংলাদেশ)।
সিলেট কোন প্রাচীন জনপদের অংশ ছিলো?
উঃ হরিকেল।
হিংস্র ও বর্বরতায় শীর্ষ দেশ বলা হয় কাদের?
উঃ ইংল্যান্ড (ব্রিটেন)।
আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশী কোন ব্যাটসম্যান সর্বপ্রথম সেঞ্চুরি করেন?
উঃ শাহরিয়ার নাফীস ।
বাংলাদেশ সর্ব উত্তর-পূর্ব কোণের থানা কোনটি?
উঃ জকিগঞ্জ।
বাংলাদেশের কোন স্থানটি ১৯৭১ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনী অবৈধভাবে দখল করে নেয়?
উঃ সিলেটের পাদুয়া নামক স্থানটি ।
কবে এটি পুনরুদ্ধার করা হয়?
উঃ ১৫ এপ্রিল, ১৯৭১
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৪ প্রশ্নের সমাধানঃ
১. শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত = উচ্ছৃঙ্খল কোন সমাস – অব্যয়ীভাব
২। বহুব্রীহি সমাস কয় প্রকার -৮ প্রকার
৩। ঢাকায় প্রথম বাংলার রাজধানী করেন- ইসলাম খাঁ
৪।
৫। প্রাচীন এর বিপরীত- অর্বাচীন
৬।কোন বাননটি অশুদ্ধ – উপচার্য
৭।প্রাচীন বাংলার স্বাধীন প্রথম নরপতি কে?- রাজা শশাঙ্ক
৮। নন্দিত এর বিপরীত- নিন্দিত
৯। বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর এখানে কোন ধরনের শব্দ? -ধ্বন্যাত্নক দ্বিরুক্ত
১০। কোনটি বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম নয়- মৌর্য
১১। Diamond cuts diamonds এর অনুবাদ- মানিকে মানিক চেনে
১২।অন্বেষণ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ -অনু+এষণ
১৩। ১৪.০
১৪। বরনের যোগ্য যিনি বাক্যটিকে এক কথায় প্রকাশ করেন – বরেণ্য
১৫।
১৬।
১৭।কোনটি বড় সংখ্যা -০.১০০
১৮। একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটির অর্থ- সৌভাগ্যের বিষয়
১৯।
২০। কোন বানানটি শুদ্ধ- আদ্যক্ষর
২১। ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশন অনুযায়ি —–সীমা হবে – ২০০ নটিকেল
২২।
২৩।
২৪।
২৫।
২৬ । কচুবনের কালাচাঁদ বাগধারাটির অর্থ – অপদার্থ
২৭। কোটি জহির রায়হান রচিত উপন্যাস – নিষ্কৃতি
২৮।
২৯।
৩০। বাদুড় চলাফেরা করার সময় কি ভাবে চলে- আলট্রাসনিক শব্দের মাধ্যমে
৩১। সমকোণী ত্রিভুজের স্মকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয় ৩,৪ সে. হলে এর অতিভুতের মান? ৫ সে.মি
৩২ । নিম্নোক্তগণের মধ্যে বীরশেষ্ঠ নন – মুন্সী আব্দুল রহিম
৩৩। বিজয়
৩৪। ৮ ফুট
৩৫। The
৩৬। বাগান
৩৭। খ
৩৮। rang
৩৯। আন্তর্জাতিক রেদক্রস
৪০। leaf
৪১। ১৪ মার্চ ২০১২
৪২। প্রতি+ ঊষ
৪৩। ২০ দিন
৪৪। খ
৪৫। অনির্বচনীয়
৪৬। সেতারা বেগম
৪৭। ১২ স
৪৮। টেরাবাইট
৪৯। ১০৫
৫০।
৫১।
৫২। মৌলিক পদার্থ কোণটি – লোহা
৫৩। ৯৫
৫৪। ৭৭৭ টাকা
৫৫। ৩৬০
৫৬। barking dog seldom bite
৫৭। shines
৫৮। লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনী গান , ছড়া
৫৯। চুম্বক দ্বারা আকৃষ্ট হয় না-পিতল
৬০। ০.০০০০২৭
৬১। willingly
৬২। pronoun
৬৩। দুর্দান্ত বিপরীত – নিরীহ
৬৪। নীল লোহীত কার নাম- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
৬৫।
৬৬। ৩টাকা
৬৭। ডলি
৬৮। ০.০০
৬৯। মাথার দিব্যি
৭০। to
৭১। মিয়ানমার
৭২। সম্প্রাদানে ষষ্ঠী
৭৩। বিপ্রতীপ কোণ
৭৪। নিশাত মজুমদার
৭৫। মঙ্গল শোভাযাত্রা
৭৬। নিউইয়র্ক
৭৭। ১০নং
৭৮। কর্ণফুলি
connect with নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান Job Question Solution, join Facebook today.
Join
or
Log In
নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান Job Question Solution
১৬-১০-২০১৫
প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পরীক্ষার সবগুলো প্রশ্নের একসাথে সমাধানঃ
1. Lunar eclipse occurred on
→a full moon day
2। আয়তন অনুসারে এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ
→মালদ্বীপ
3। নির্মাতা ও খুচরা বিক্রেতা উভয়েই একটি পণ্য ২০% লাভে বিক্রয় করে। যদি ঐ জিনিসের নির্মাণ খরচ ২০০ টাকা হয়, তাহলে খুচরা মূল্য কত?
→ ২৮৮
4. দম্পতি কোন সমাস?
→ দ্বন্দ্ব
5. দুইটি সংখ্যার অনুপাত ৫:৬ তাদের গসাগু ৪ হলে, লসাগু কত?
→ কোনটিই নয়
6. He requested that he might be allowed to come in. (direct)
→ He said, "Let me to come in".
7. a:b = 3:2 & b:c = 7:6 হলে, c:a =?
→ 4:7
8. কোন সংখ্যার বর্গমূলের সাথে ২০ যোগ করলে ৫ এর বর্গ হবে?
→ ২৫
9. সূর্য' এর প্রতিশব্দ কোনটি?
→ মিহির
10. Who is the writer of 'Treasure Island'?
→Stevenson
11. বিকৃত এর প্রকৃতি ও প্রত্যয় কি?
→ বি + কৃত
12. বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
→ কোনটি না।
13. ব্যর্থ এর সন্ধিবিচ্ছেদ
→ বি+অর্থ
14. বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা হার সুদে কোন মূলধন কত বছর পর সুদে মূলে দ্বিগুণ হবে?
→ ১০ বছরে
15. LAN card এর অপর নাম কি?
→ Net connector
16. a/b = 4, a+b = 12 হলে, a এর মান কত?
→ 8
17. নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা?
→ কোনটি নয়
18. মুক্তা হল ঝিনুকের
→প্রদাহের ফল
19. The verb 'succumb' means
→ Submit
20. মৃণ্ময় এর সন্ধিবিচ্ছেদ
→ মৃৎ + ময়
21. জাতীয় ই-তথ্যকোষ উদ্বোধন করা হয়
→ ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১১
22. লেজার রশ্মি আবিষ্কার করেন কে, কতসালে?
→মাইম্যান, 1960
23. একটি ত্রিভুজাকৃতি ভূমির দৈর্ঘ্য 75 মিটার ও উচ্চতা 20 মিটার হলে, প্রতি বর্গমিটারে ২ টাকা হারে ঘাস লাগাতে কত খরচ হবে?
→1500
24. Synonym of 'Defraud'
→fraudulently
25. একাদশে বৃহস্পতি
→সৌভাগ্যের বিষয়
26. কোন দুটি মূল স্বরধ্বনি নয়?
→ঐ, ঔ
27. Paradise Regained written by
→ John Milton
28. I cannot stopped... meanness.
→ to
29. Masculine of 'Bee' is
→ Drone
30. শুদ্ধ বাক্য
→ তাহার জীবন সংশয়াপূর্ণ
31. জায়া ও পতি সমাস করলে কি হয়?
→দম্পতি
32. মান্দারিন কোন দেশের ভাষা
→ চীন
33. দুইটি সংখ্যার যোগফল 17 এবং গুণফল 72 হলে , ক্ষুদ্র সংখ্যাটি কত?
→ 8
34. A beggars must not be a chooser.
→ ভিক্ষার চাল কাঁড়া আর আকাঁড়া
35. পঞ্চম স্বর এর অর্থ কি?
→পায়ের তলা
36. স্বন্ধি ব্যাকরণ এর কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
→ ধ্বনিতত্ত্ব
37. সম্প্রতি কোন দিনটিকে মুক্তিযোদ্ধা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়েছে?
→১ ডিসেম্বর
38. গম্ভীরার উৎপত্তি কোথায়?
→চাঁপাইনবাবগঞ্জ
39. ঠাকুর পরিবারের আসল পদবী কি?
→কুশারি
40. বাকু কোন দেশের রাজধানী?
→আজারবাইজান
41. ASCII stands for?
→ American Code For Information Interchange
42. বিদীত এর বিপরীত
→ অজ্ঞাত
43. মরি মরি! কি সুন্দর প্রভাতের রূপ। এই বাক্যে মরিমরি
→অনন্বয়ি অব্যয়।
44. ৯ জন শ্রমিক ৪ দিনে আয় করে ৭২০ টাকা। ঐ সমপরিমাণ টাকা আয় করতে ১২ জন শ্রমিকের কত দিন লাগবে?
→ ৩ দিন।
45. He came of with flying colors. অনুবাদ করুন
→ তিনি গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেন।
46. His behavior worried us. (passive)
→ We were worried about his behavior.
47. 2,7,5,4,6,10 এর প্রচুরক নির্ণয় করুন।
→ কোনটি নয়
48. He said to me, "Let us go together. (Narration)
→ He proposed to me that we should go home together.
49. নিচের কোন শব্দে ণ এর ভুল প্রয়োগ আছে?
→ ক্রন্দণ
50. He is going to open a shop. (passive)
→ A shop is going to be opened by him.
51. CFC কি ক্ষতি করে?
→ওজোন স্তর ধ্বংস করে।
52. He is quit —— in dealing with people.
→diplomatic
53. What is catastrophe?
→ None of the above
54. Correct Sentence
→The rich are not always happy.
55. অপমানের চেয়ে মৃত্যু শ্রেয়।
→ Death is preferable to dishonour
56. একটি গণিতের বই প্রকৃত মূল্যের শতকরা ৮০ ভাগ মূল্য ৭২ টাকায় বিক্রয় হল। প্রকৃত মূল্য কত?
→৯০
57. একটি বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য ৭.৫ ফুট হলে, ইহার ক্ষেত্রফল কত?
→ ২৮.১২৫
58. Sunflower চিত্রকর্মটির চিত্রকার কে?
→ ভিনসেন্ট ভ্যানগগ
59. সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা কে?
→রাজা ধর্মপাল
60. His illness is a mere pretext..... his absence.
→ To
61. অনুপাত কি?
→একটি ভগ্নাংশ
62. Colonialism has engendered divers effects around the world.

64. গ্রুপ অব সেভেন এর সদস্য নয়?
→ভারত
65. 4,6,7 এবং x এর গড় মান 5.5 হলে, x =?
→ 5.0
66. synonym of 'Diversity' is
→ variety
67. 1,3,6,10,15,21 ধারাটির দ্বাদশ পদ কত?
→78
68. একটি ছাত্রাবাসে ৩০ জন ছাত্রের ৩২ দিনের খাদ্য আছে। কয়েকজন নতুন ছাত্র আসায় ২০ দিনে ঐ খাদ্য শেষ হয়ে গেল। কয়জন নতুন ছাত্র এসেছিল?
→ কোনটি নয়
69. সঙ্গীত শিল্পি আব্বাসউদ্দিন এর জন্ম কত সালে?
→১৯০১
70. বিগ আপেল কোন শহরের উপনাম?
→ নিউইয়র্ক
71. Synonym of 'futile'
→ Vain
72. বাংলাদেশের সর্বপ্রথম যাদুগর
→ বরেন্দ্র যাদুগর
73. The Spirit Of Islam বইটির লেখক কে?
→ সৈয়দ আমীর আলি।
75. অতিভুজের বিপরীতে থাকে
→ সমকোণ
76. সুরঞ্জনা ঐ খানে যেয়োনাকো তুমি -
→জীবনানন্দ দাশ
77. একটি ফুটবলের ব্যাস ১০ ইঞ্চি হলে তার আয়তন কত?
→ 523.60
78. কোনটি সঠিক?
→ পথের দাবী (উপন্যাস)
79. শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহের কবর
→ ইয়াঙ্গুনে
80. x³-1, x³+1, x⁴+x²+1 এর লসাগু কত?
→ (x-4)
১. Seismograph কি ?
পানির প্রবাহ মাপার যন্ত্র
বায়ূ মাপার যন্ত্র
ভূমিকম্প মাপার যন্ত্র
বৃষ্টিপাত মাপার যন্ত্র
২.যা সহজে অতিক্রম করা যায় না-এ বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কি ?
অনতিক্রম্য
দূরতিক্রম্য
অলঙ্ঘ্য
দুর্গম
৩. ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে কাল্পনিক রেখাটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে তা হলো -?
মূলমধ্য রেখা
মকরক্রান্তি রেখা
কর্কটক্রান্তি রেখা
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
৪. কোনটি আদি স্বরাগম ?
রত্ন > রতন
স্ত্রী > ইস্ত্রী
গ্রাম > গেরাম
স্নেহ > সিনেহ
৫. ' Contaminate ' Means
Think
Purify
Pollute
Corruption
৬. বাক্য সংকোচন - হাতির বাসস্থান ?
গজগৃহ
হাতিগৃহ
গুরুগৃহ
খাদা
৭. কোন দুটি রচনা একই শ্রেনির ?
গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণা
ডাকঘর ও শ্রীকান্ত
নীলদর্পন ও বিষাদসিন্ধু
লালসালু ও বলাকা
৮. অনাদর - এর সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি ?
ন আদর
আদরের অভাব
অনেক আদর
নাই আদর
৯. Hi is ---- European
a
an
none of them
the
১০. I know that he did the work --- বাক্যটির সঠিক পরিবর্তিত voice কি হবে ?
It was known to me that the work has been done by him .
It was known to me that the work had been done by him .
It was known to me that the work was done by him .
It is known to me that the work was done by him .
১১. বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাবিহীন বর্ণের সংখ্যা কয়টি ?
১০ টি
১১ টি
৮ টি
৯ টি
১২. The ---of the camel was found lying by the side of the canal
Carcass
Corps
Corpess
Corpse
১৩. একটি বাড়ির উচ্চতা 40 ফুট । একটি মইয়ের তলদেশ মাটিতে বাড়ির দেয়াল থেকে 9 ফুট দুরে রাখা হয়েছে । উপরে মইটি বাড়ির ছাদ ছুয়ে আছে । মইটি কত ফুট লম্বা ?
48
43
45
41
১৪. কোন দুটি মহাপ্রাণ ধ্বনি ?
খ , ঝ
ক , খ
ত ,দ
চ , জ
১৫. কোনটি ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ?
5/27
7/36
11/45
2/9
১৬. ' He taught me to read Arabic ' বাক্যটির Passive from হবে ---
I was taught by him to read Arabic .
I have been taught by him to read Arabic .
I has been taught by him to read Arabic .
I was being taught by him to read Arabic .
১৭. কোন শব্দটি পুত্র শব্দের সমার্থক নয় ?
আত্মজ
নন্দন
তনয়
শৈলজ
১৮. কোনটি মূল ধ্বনি নয় ?




১৯. ব্রিকস এর মূলমন্ত্র কি ?
সদস্য দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি
সন্ত্রাস দমনে একে অপরের সহযোগিতা
সদস্য দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক শ্রী বৃদ্ধি
সংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান
২০. Choose the right verb Rabindranath's storiies often ----surprise ending
had
have
has
have had
২১. Which one is a common noun ?
Infant
Salt
Studentship
Army
২২. কোন রাষ্ট্র গুলো দ্বীপের সমষ্টি ?
পাকিস্তান ও ইরান
জাপান ও ফিলিপাইন
মিয়ানমার ও রাশিয়া
ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া
২৩. বাংলাদেশের সংবিধান কতবার সংশোধিত হয়েছে ?
১৭
১৪
১৫
১৬
২৪. Select the correct one : Our teacher told the monitor to hand out scripts -- the class
among
between
into
through
২৫. 'Amicable' শব্দের অর্থ --
ঘৃনা
সৌহার্দপূর্ণ
বিরোধী
অশান্তি
২৬. She asked me, ''Are you happy in your new job ?''
She asked me if I was happy in my new job
She asked me if I have been happy in my new job
She asked me if whether I am happy in my new job
She asked me if I had been happy in my new job
২৭. কোন দেশ টি BIMSTEC - এর সদস্য নয় ?
বাংলাদেশ
পাকিস্তান
ভারত
থাইল্যান্ড
২৮. ঐশ্বর্য এর বিপরীত শব্দ কোনটি ?
নিঃস্ব
ঐচ্ছিক
আসক্তি
পারত্রিক
৩০. ৭ মার্চ ১৯৭১ এর বঙ্গবন্ধুর ভাষণের মূলবক্তব্যকি ছিল ?
স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সংগ্রামের ঘোষণা
পুনরায় নির্বাচনের দাবি
সামরিক আইন জারি করা
অনশন ধর্মঘট আহবান
৩১ . Pragmatic শব্দের অর্থ কি ?
বাস্তবধর্মী
অগ্রবর্তী
অবাস্তব
অসাধারণ
৩২ . Choose the correct options The Government has extended a warm welcome --the visiting delegation .
With
through
to
for
৩৩. রাজর্ষি এর ব্যাসবাক্য কোনটি ?
যিনি ঋষি তিনিই রাজা
যিনি রাজা তিনিই ঋষি
যিনি রাজা তিনি ঋষি
যিনি ঋষি তিনি রাজা
৩৪. কোনটি খাটি বাংলা উপসর্গ ?
অজ
ফি
অতি
খাস
৩৫. ৯৯৯৯৯ এর সঙ্গে কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যা যোগ করলে ২,৩,৪,৫ এবং ৬ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হবে ?
২১
৩৯
৩৩
২৯
৩৬. Identify the correct sentence ?
He was working hard to standing first
He is working hardly to stand first
He is working hard to stand first
He is works hard to standing first
৩৭ . x-1/x = 1 হলে x3-1/x3 এর মান কত ?
6
8
4
2
৩৮ . শতকরা ৫ টাকা হার সুদের ১২০ টাকা ৩ বছরে সুদ-আসলে কত হয় ?
১৩৮ টাকা
১৩৭ টাকা
১৪৮ টাকা
১৩৫ টাকা
৩৯ . বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ?
এএইচ এম কামারুজ্জামান
তাজ উদ্দিন আহমদ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
সৈয়দ নজরুল ইসলাম
৪০. ২০১৬ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার ক পেয়েছেন ?
বব ডিলন
অমর্ত্য সেন
মিলান কুন্ডেরা
হারুকি মুরা কামি
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুুতি
আজকে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরীক্ষার প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধানঃ
পদের নাম ও সংখ্যাঃ সহকারী লাইব্রেরীয়ান কাম ক্যাটালগার এবং উচ্চমান সহকারী-কাম-হিসা
বরক্ষক
পরীক্ষা হয়েছে আজঃ বিকালে
পরীক্ষার প্রশ্নের সমাধানঃ
১. বর্ণ- ধ্বনি নির্দেশক চিহ্ন
২. .001 × .000875 = .000000875
৩. ‘সকল শিক্ষকগণ আজ উপস্থিত’ বাক্যে কিসের দোষ আছে?- বাহুল্য দোষ
৪. সে হাসিতে হাসিতে ঘরে ঢুকলো- He entered the room laughing
৫. ৩০টি আম এবং ৩৬ টি লিচু কত জন বালক কে সমান ভাবে ভাগ করা যাবে- ৬জন
৬. ৫ জন তাঁত শ্রমিক ৫ দিনে ৫টি কাপড় বুনতে পারে। একই ধরনের ৭টি কাপড় বুনতে ৭ জন শ্রমিকের কত দিন লাগবে ?- ৫ দিন
৭. কোন বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ১০ একর। এর একবাহুর দৈর্ঘ্য কত গজ?- ২২০ গজ
৪৮৪০ বর্গগজ= ১ একর, তাইলে ১০ একর= ৪৮৪০০ বর্গগজ, এখন বর্গের ক্ষেত্রফল হলো- ৪৮৪০০ বর্গগজ, এতএব এক বাহু-√৪৮৪০০= ২২০ গজ
৮. ”সব ঝিনুকে মুক্তা মিলে না” বাক্যে “ঝিনুকে” কোন কারকে কোন বিভক্তি? – অপাদানে ৭মী
৯. একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১০ সে.মি হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?- ২৫ বর্গসে.মি
১০. কোন ভগ্নাংশটি ক্ষুদ্রতম- ১১/১৪
১১. ঔ কোন ধরণের স্বরধ্বনি – যোগিক
১২. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯২১ সালে
১৩. পাকিস্থানের গণপরিষদে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি করেন- ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত
১৪. The child cried for —– mother- it’s
১৫. এক দশমাংশ , এক- শতাংশ এবং এক সহস্রাংশ এর গড়- ০.০৩৭
১৬. ‘মাছের মা’ বাগধারার অর্থ-নিষ্ঠুর
১৭. Voice- He wished Mr. kamal good morning
১৮. বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা কোনটি?-পঞ্চগড়
১৯. প্র, পরা, অপ , সম , ইন কোন ধরণের উপসর্গ – তৎসম
২০. সে সাঁতার কাটতে জানে না অনুবাদ – He does not know how to swim
২১. ভূ-মধ্যসাগরীয় দেশ - আলজেরিয়া
২২. হাসান বই পড়ছে - ঘটমান বর্তমান
২৩. a^2=9, b^2=16 হলে, a+b= ? - 7
২৪. কোনটি মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম-MS DOS
২৫. শব্দ ও ধাত্রুর মূলক বলে- প্রকৃতি
২৬. কোন একটি জিনিস নির্নাতা ২০% লাভে এবং খুচরা বিক্রেতা ২০% লাবে বিক্রয় করে। যদি ঐ জিনিসের নির্মাণ খরচ ১০০টাকা হয় , তবে খুচরা মূল্য কত -১৪৪টাকা
২৭. ঋজু শব্দের বিপরীত- সোজা
২৮. Voice change- We don’t respect dishonest people- Dishonest people are not respected by us
২৯. Synonym of commemorate- Memorize
৩০. স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে চরম পত্র পাঠ করতেন-- এম আর আখতার মুকুল
৩১.অনুসর্গ সাধারণ কোথায় বসে - শব্দের পরে
৩২. কাক ভুষণ্ডি অর্থ -দীর্ঘায়ু ব্যক্তি
৩৩. স্টিফেন হকিং বিস্বের একজন খুব বিখ্যাত- পদার্থবিদ
৩৪. একটি সরল রেখায় লম্ব করলে কয়টি সমকোণ পাওয়া যায়- ২ টি
৩৫. কোন শ্রেণির ১২ জন ছাত্রের কোন পরীক্ষায় ফলাফলের গড় ৭০অপর ১৮ জনের গড় ৮০. তাইলে ৩০ জনের বার্ষিক গড় কত?- ৭৬
৩৬. a-b=4 ab=3 হলে a3-b3= 100
৩৭. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর - ম্যানিলা
৩৮. কোন সংখ্যাকে ৪ ও ৬ দেয়ারা ভাগ করলে প্রতিক্ষেতে ভাগশেষ ২ থাকে- ১৪
৩৯. যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউ জানেনা এককথায় -অজ্ঞাতকুলশীল
৪০. গেরিলা ছবির নির্মাতা কে?-নাসির উদ্দিন ইউসুফ
৪১. নিচের কোন ব্যক্তি জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন না- আমর বিন আস
৪২. Thief এর plural - Thieves
৪৩. প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কেন- উচ্চ চাপে তরলের স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি
৪৪. বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলা হয়- পদ
৪৫. কনর্সাট ফর বাংলাদেশ -১৯৭১ এর পধান শিল্পীকে - জর্জ হ্যারিসন
৪৬. বাশের কেল্লাখ্যাত সংগ্রামী- তিতুমীর
৪৭. I have Read ৪৮. ECNEC এর চেয়ারপারসন কে?- প্রধানমন্ত্রী
৪৯. (2x+5) (x-3)
৫০. My friend always goes home ---- foot. - on
৫১. 'প্রকৃত' এর সমার্থক পদ কোনটি?-যথার্থ
৫২. পরস্পর কাছাকাছি ধ্বনি বা বর্ণের মিলনকে বলে? সন্ধি
৫৩. অ্যালটিমিটার কি- উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র
৫৪. The passive voice of "post the letter" is ---- Let the letter be posted
৫৫. শুদ্ধ বাক্য- দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
৫৬. আগুনের পরশিমুণি রচিয়তা - হুমায়ূন আহমেদ
৫৭. Teacher said , The earth ---- Round the sun. -moves
৫৮. একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ৩ঃ৪ঃ৫ হলে তিন কোণের মান কত- ৪৫,৬০,৭৫ ৫৯. কুদরত-এ-খুদা শিক্ষা কমিশন অকত সালে গঠিত হয়-১৯৭২ সাল
৬০. Which is of the following used as verb- Master
৬১. Julia has been illl-----three months.- for
৬২. What do you want? She asked him- She asked him what he wanted.
৬৩. Preposition stand before- Noun and pronoun
৬৪. ১০বছরে
৬৫. What kind of noun discipline? –Abstract Noun
৬৬. ৫৪ ৬৭. ২০৭৪০ সংখ্যক সৈন্যকে বর্গাকারে সাজাতে গিয়ে ৪ জন অতিরিক্ত হয়। প্রতি সারিতে সৈন্য সংখ্যা কত?- ১৪৪
৬৮.A basket rotten oranges -----thrown away .
৬৯. জলে স্থলে কি সমাস - অলুক দ্বন্দ্ব
৭০. তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী- ইলা মিত্র
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুুতি
আজকের ২য় ধাপে অনুষ্ঠিত ২০১৪ এপ্লিকেশনের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষার
# সম্পুর্ণ_প্রশ্নপত্রের_সমাধান_দ
েখুনঃ
___পরিক্ষার তারিখ: ১১মে ২০১৮
___পরিক্ষার সময়: ১০টা থেকে ১১টা।
………………………………………
১. 7P^2-P-4 এর একটি উৎপাদক হবে-
উত্তর: p-4
২. লম্ফ প্রদান করিল এর চলিত রুপ-?
উত্তর: লাফ দিল
3. x+y=12 and x-y=8 হলে xy=?
উত্তর: 20
৪. The word American is-
উত্তর:Both Noun and Adjective
৫. দুটি সংখ্যার লসাগু ও এর গুণফল সংখ্যা দুটির-?
উত্তর: কোনটিও নয়
৬. মোডেমের মাধ্যমে কম্পিঊটারের-?
উত্তর: ইন্টানেট সংযোগ করা হয়?
৭. He is confident …. successes-?
উত্তর: To
৮. দহগ্রাম ছিটমহল কোন জেলায়-?
উত্তর: লালমনিরহাট
৯. কোন ত্রিভুজের তিনটি বাহুকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণ তিনটির সমষ্টি কত
উত্তর: ৩৬০°
১০.White elephant meaning-?
উত্তর: A very costly and troublesome possession .
১১. দিবারাত্রির কাব্য কার লেখা-?
উত্তর: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১২. Correct sentence-?
উত্তর: The man appears to be stronger than any other living man
১৩. কোনটি বৃটিশ আমলের স্থাপত্য-
উত্তর:কার্জন হল, ঢাকা।
১৪. মনীষা শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কি-?
উত্তর: মনস্+ঈষা
১৫. একটি কলম ও বইয়ের মূল্য একত্রে ৯৫ টাকা। কলমটির মুল্য ১৫ টাকা বেশি এবং বইটির মূল্য ১৪ টাকা কম হলে কলমটির মূল্য বইটির মূল্যের দ্বিগুণ হতো। বইটির মূল্য কত?
উত্তর: ৪৬ টকা
১৬)কাজী নজরুল ইসলামের পালা স্মৃতিবিজড়িত ময়মনসিংহের স্থানটি নাম কি?
উত্তর: দরিরামপুর
১৭)তিস্তা নদীর উৎপত্তিস্থল?
উত্তর: সিকিমের পর্বত অঞ্চল থেকে
১৮)কোন সংখ্যার বর্গমূলের সাথে ১০ যোগ করলে যোগফল ৮ এর বর্গমূল হবে?
উত্তর: ৩৬১৯
১৯)The chairman and secretary ……… present at the last meeting.
উত্তর: Were.
২০)Which one of the following is an adverb? উত্তর: something
২১)বৃক্ষ শব্দের সমার্থক শব্দ নয়-?
উত্তর: বনানী ( বনানী মানে- বন)
২২) মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন তারিখে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা উত্তর:করা হয়?
উত্তর:১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
২৩)মানবদেহের কোষে কত জোড়া ক্রোমজোম থাকে-
উত্তর: ২৩ জোড়া
২৪)Correct sentence:
উত্তর: Airport is a busy place.
২৫)ধীমান অর্থ-?
উত্তর: বুদ্ধিমান
২৬) সরকারের কর বহির্ভূত রাজস্ব –
উত্তর: টোল ও লেভী কি
২৭)Correct Sentence:
উত্তর: The shirt which he has bought is blue in color.
২৮) বাংলাপিডিয়া প্রকাশের উদ্যোক্তা কে-?
উত্তর:বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
২৯)ইউরিয়া সারের সর্বাধিক কত ভাগ নাইট্রোজেন থাকে?
উত্তর: ৪৬ ভাগ
৩০) x/y এর সাথে কত যোগ করলে 2y/x হবে?
উত্তর:2y2 - x2/xy
৩১)‘ইতর বিশেষ’ বাগধারাটির অর্থ?
উত্তর: পার্থক্য বা ভেদাভেদ
৩২) Common gender?
উত্তর: Teacher
৩৩)ভারত শ্রীলঙ্কা কে পৃথক করেছে?
উত্তর: পক প্রণালী
৩৪)কোন সংস্থা বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে-?
উত্তর:ইউনেস্কো
৩৫) a² + 1/a²= 2 হলে a-1/a=?
উত্তর: 0
৩৬)সারাংশে নিচের কোনটি প্রয়োজন নেই?
উত্তর: অলঙ্কার
৩৭) চলিত রীতির শব্দ?
উত্তর: তুলা
৩৮)A Tale of Two Cities written by?
উত্তর: Charles Dickens
৩৯) সম্বোধন এর পরে বসে?
উত্তর:কমা
৪০) অনিল বাগচীর একদিন এর লেখক?
উত্তর: হুমায়ূন আহমেদ
৪১) যে পরিমান খাদ্য ২০০ জন লোকের ২০ সপ্তাহ চলে ওই পরিমান খাদ্য কতজনের ৬ সপ্তাহ চলবে?
উত্তর: ৬০০ জন
৪২)Fill in the Gap: Today ——people who enjoy cricket is bigger than that of 30 years ago.
উত্তর: the number of
৪৩)CPU এর পূর্ণরূপ কী ?
উত্তর: Central Processing Unit
৪৪) উভয় লিঙ্গ?
উত্তর:মানুষ
৪৫) Antonym of the word “delete”?
উত্তর:Insert
৪৬)‘কর্মে যার ক্লান্তি নেই‘- এ বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কী?
উত্তর: অক্লান্ত কর্মী
৪৭)Which is one is correct?
উত্তর: Achievement
৪৮)একটি বাড়ি ৪০ ফুট উঁচু। একটি মইয়ের তলদেশ মাটিতে বাড়িটির দেয়াল থেকে ৯ ফুট দূরে রাখা আছে। উপরে মইটি বাড়িটির চাঁদ ছুঁয়ে আছে। মইটি কত ফুট লম্বা?
উত্তর- ৪১ ফুট
৪৯)What is the Passive voice of “ Who did this”?
উত্তর: By whom was this done
৫০. হাভাতে অর্থ?
উত্তর: হতভাগ্য
৫১. ১ সমস্ত ২/৩ এর ১/৫ ÷ ১/৯ =কত?
উত্তর: ৩
৫২. Narration: He said, I can do the work?
উত্তর: He said that he could do the work
৫৩. We could not buy anything because — of the shops was open?
উত্তর: None
৫৪. কোনটি আফ্রিকা মহাদেশের দেশ নয়?
উত্তর: আলবেনিয়া
৫৫. Correct spelling:?
উত্তর: Diarrhoea
৫৬) পিসি কালচার বলতে কি বুঝায়?
উত্তর: মৎস্য চাষ
৫৭)"A child likes sweets only" the negative form of the sentence is?
উত্তর: A Child Likes nothing but sweets.
৫৮) নিচের কোন দেশটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক জোট G-8 এর সদস্য নয়?
উত্তর: রাশিয়া
৫৯) Rahim discourages me…… borrowing.
উত্তর: from
৬০) স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
উত্তর: ১১টি।
৬১) ৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ এবং ৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ একত্রে ৫০০ টাকা হলে সুদের হার কত?
উত্তর: ১০%
# সমাধানঃ দেওয়া আছে, P1= 500 টাকা
n1=4 বছর , P2=600 টাকা এবং , n2= 5 বছর।
ধরি, মানাফার হার = x%
আমরা জানি, I=Prn
শর্তমতে,
P1r1n1 + P2r2n2 = 500
বা, (৫০০×x/100 × 4 ) + ( 600 × x/100 × 5) = 500
বা, ২০x + 30x = 500
বা, ৫০x = 500
বা x = ৫০০/৫০
= ১০
নির্ণেয় মুনাফার হার = ১০% (উত্তর)
৬২) একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ৬০% পরীক্ষার্থী পাশ করেছে। যারা পাশ করেনি তাদের ১৫ জন বিদেশে চলে গেল এবং ৪৫ জন ব্যবসা শুরু করল। কতজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে?
উত্তর: ১৫০৬৩.
৬৩)একটি বাঁশের ১/৪ অংশ কাদায়, ৩/৫ অংশ পানিতে এবং অবশিষ্ট ৩ মিটার পানির উপরে আছে । বাঁশটির দৈর্ঘ্য কত?
উত্তর: ২০ মিটার
৬৪) চালের মূল্য ২০% বৃদ্ধি পাওয়াতে ৭৫০ টাকায় পূর্বাপেক্ষা ৫ কেজি চাল কম পাওয়া যায়। ১ কেজি চালের পুর্বমুল্য কত?
উত্তরঃ ২৫
৬৫. ০.০০১ ÷ ০.১×০.১
উত্তর:০. ১
৬৬. মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ খেতাব-
উত্তর: বীরশ্রেষ্ঠ
৬৭. বজ্রপাতের সময় থাকতে হবে?
উত্তর: গুহার ভেতরে বা মাটিতে শুয়ে
৬৮. Opposite of Liability
উত্তর: Asset
৬৯. টাকায় ৫ টি মার্বেল বিক্রয় করায় ১২% ক্ষতি হয়। ১০% লাভ করতে হলে টাকায় কয়টি বিক্রি করতে হবে?
উত্তর: ৭০
৭০) ৭৫০০ টাকার ১ ঃ ২ঃ ৩ঃ ৪ঃ ৫ অনুপাতে ভাগ করলে বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম অংশের পার্থক্য?
উত্তর: ২০০০
৭১)১০০ জন শিক্ষার্থীর পরীসংখানের গর নম্বর ৭০ এদের মধ্যে ৬০ ছাত্রীর গড় নম্বর ৭৫ হলে ছাত্রদের নম্বর কত?
উত্তর: ৬২.৫
৭৩) কপোত অর্থ?
উত্তর: কবুতর
৭৩. সংযোজ্ঞাপক সর্বনাম?
উত্তর: যে
৭৪)যার আগমনে কোনো তিথি নেই?
উত্তর: অতিথি
৭৫)কোন বানানটি সঠিক?
উত্তর: ষান্মাসিক
৭৬) কোনটি সঠিক বানান?
উত্তর: নিশীথিনী
৭৭) সর্বমোট কত সংখ্যক গাছ হলে একটি বাগানে ৭, ১৪, ২১, ৩৫ ও ৪২ সারিতে গাছ লাগালে একটিও কম বা বেশী হবে না?
উত্তর:২১০
৭৮)সংশয় এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
উত্তর: প্রত্যয়
৭৯)উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত?
উত্তর: নাটোর
৮০)কুসুম্বা মসজিদ কোথায় অবস্থিত
উত্তর: নওগা

Monday, April 2, 2018

amper, s law

ফ্রান্সের গণিত শাস্ত্রবিদ আদ্রেঁ ম্যারিয়ে এ্যাম্পিয়ার কারেন্টবাহী দুটি পরিবাহীর
মধ্যকার বলের সূত্র আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই সূত্রের নামকরণ করা হয়।
কারেন্টবাহী দুটি সমান্তরাল
পরিবাহীর মধ্যে ক্রিয়াশীল বল পরিবাহী দুইটির দৈর্ঘ্য এবং এদের মধ্যদিয়ে প্রবাহীত কারেন্টের গুণফলের সমানুপাতিক এবং পরিবাহী দুইটির মধ্যকার দূরত্বের ব্যস্তানুপাতিক।
যদি ক্রিয়াশীল বল F, কারেন্ট I ও I , পরিবাহী দুইটির দৈর্ঘ্য L, পরিবাহী দুইটির মধ্যকার দূরত্ব r হয়,
তবে, F α I I L/r
বা, F = 2X10 I I L/r এখানে, 2X10 = সমানুপাতিক ধ্রুবক

Monday, March 26, 2018

এসি কারেন্ট

এসি কারেন্ট কাকে বলে?
এসি পূর্ণ নাম হলো অল্টারনেটিং কারেন্ট যার বাংলা অর্থ পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ। এর মানে এটি সবসময় পর্যায়ক্রমে পরিবর্তনশীল হবে। প্রত্যেক পর্যায়ে এটি এর বিপরীত ধর্মে রূপান্তরিত হবে। অর্থাৎ এই কারেন্টের একটি দিক ধনাত্মক(পজেটিভ) ও এর কিছু সময় পরে ঋণাত্মক(নেগেটিভ) হবে। প্রথমে যেটি পজেটিভ ছিলো এরপরেই সেটি নেগেটিভ হবে।
তাহলে বলা যায়, “সময়ের সাথে যে কারেন্টের মান পরিবর্তীত হয় তাকে এসি কারেন্ট বলে।”
এসি কারেন্ট
উপরে চিত্র দেখলে বুঝতে পারবো যে, x অক্ষ বরাবর সময় এবং y অক্ষ বরাবর কারেন্ট দিয়ে দিক নির্দেশনা করা হয়েছে। এথেকে বুঝা যাচ্ছে সময়ের সাথে কারেন্টের মান পরিবর্তন হচ্ছে।
ডিসি কারেন্ট কাকে বলে?
ডিসি কারেন্ট হলো ডাইরেক্ট কারেন্ট বা অপরিবর্তনশীল কারেন্ট। সুতারাং বুঝায় যাচ্ছে এই কারেন্টের মান পরিবর্তিত হবে না। ডিসি কারেন্টের দুটি দিক থাকে যার একটি হচ্ছে পজেটিভ ও অন্যটি হচ্ছে নেগেটিভ।
তাহলে বলা যায়, “সময়ের সাথে যে কারেন্টের মান পরিবর্তন হয় না তাকেই ডিসি কারেন্ট বলে”।
ডিসি কারেন্ট
উপরের চিত্রে, x অক্ষ বরাবর সময় এবং y অক্ষ বরাবর কারেন্ট এর দিক নির্দেশনা করা হয়েছে। চিত্রটি ভালোভাবে পর্যবেক্ষন করলে বুঝা যায় যে, সময় পরিবর্তন হবার সাথে সাথে কারেন্টের মান পরিবর্তন হচ্ছে না। অর্থাৎ 1A কনস্ট্যান্ট আছে।
এসি কারেন্ট কেন আমরা জমা রাখতে পারি না?
আমরা এসি কারেন্ট ডিসি কারেন্ট সম্বন্ধে জেনেছি। এবার আমরা জানবো একটা কমন প্রশ্ন। এটা একটা সাধারন প্রশ্ন এবং অনেকেই করে থাকেন যে কেন আমরা এসি কারেন্ট জমা রাখতে পারি না। এই বিষয়টি বুঝার জন্য উদাহরন দিয়ে বুঝালে অনেক সহজ হবে।
আমরা জানি, আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে এসি কারেন্ট প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার পরিবর্তন হয়। যার মাঝে একটি ধনাত্মক ও একটি ঋণাত্মক সাইকেল নিয়ে পূর্ণ একটি ফ্রিকুয়েন্সি পরিমাপ করা হয়।
এখান থেকে আমরা সহজে বলতে পারি যে ৫০ হার্জ ফ্রিকুয়েন্সিতে প্রতি সেকেন্ডে আমরা ৫০ বার ধনাত্মক ও ৫০ বার ঋণাত্মক সিগন্যাল বা ভোল্টেজ পাবো। তাহলে প্রতিটি হার্জের সময় লাগবে ১/৫০=০.০২ সেকেন্ড বা ২০ মিলিসেকেন্ড।
এবার আমরা মূলত একটি হার্জ নিয়ে কাজ করবো উপরের চিত্র থেকে। একটি পরিবর্তনশীল রাশির ধনাত্মক ও ঋণাত্মক এর মাঝে সবসময় শূন্য বিবেচনা করা হয়ে থাকে যা 0V দিয়ে দেখানো হয়েছে। মাঝাখানে আমরা সবসময় জিরো ভোল্টেজ পাবো।
একটি ফ্রিকুয়েন্সি নিয়ে যখন কাজ করছিঃ চার্জ সন্ধয় করে রাখতে পারে এমন ডিভাইস ক্যাপাসিটর নিয়ে আমরা এখন কাজ করবো। আমরা জানি ক্যাপাসিটরের দুটি প্রান্ত থাকে। একটি পজেটিভ ও অপরটি নেগেটিভ। এবার প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী এসি কারেন্টের দুটি প্রান্তকে ক্যাপাসিটরের দুটি প্রান্ত সাথে সংযুক্ত করবো।
তাহলে প্রথম ফ্রিকুয়েন্সির ক্ষেত্রে, ক্যাপাসিটরের পজেটিভ প্রান্তের সাথে এসি কারেন্টের উপরের প্রান্ত লাগানো আছে যেটি পজেটিভ বা ধনাত্মক আধানে চার্জিত হবে ও নেগেটিভ প্রান্তটি কারেন্টের নিচের প্রান্তের সাথে লাগানো আছে সেটি ঋণাত্মক আধানে চার্জিত হবে। তাহলে ধরি প্রথম ফ্রিকুয়েন্সির জন্য ক্যাপাসিটর পজেটিভ +২ ভোল্ট অর্জন করলো।
প্রথম ফ্রিকুয়েন্সি তো গেলো এবার বাকি ৪৯ ফ্রিকুয়েন্সির কি অবস্থা হবে??? কারন আমরা তো জানি এসি হলো পরিবর্তনশীল কারেন্ট। আচ্ছা তাহলে এবার দ্বিতীয় ফ্রিকুয়েন্সির জন্য দেখি কি হয়।
দ্বিতীয় ফ্রিকুয়েন্সিতে এসি কারেন্টের প্রান্ত দুটি প্রথম ফ্রিকুয়েন্সির বিপরীত। তাহলে ক্যাপাসিটর যে প্রান্তে আগে এসি কারেন্টের ধনাত্মক সিগন্যাল প্রবেশ করেছিলো এখন ক্যাপাসিটরের সেই প্রান্তে একই এসি কারেন্ট থেকে ঋণাত্মক সিগন্যাল প্রবেশ করবে।
আবার যেই প্রান্তে প্রথমে এসি কারেন্ট থেকে ঋণাত্মক সিগন্যাল প্রবেশ করেছিলো সেখানে ধনাত্মক সিগন্যাল প্রবেশ করবে। তাহলে এখানে নেগেটিভ -2 পাবো।
অর্থাৎ +২-২= ০ ভোল্ট অর্থাৎ দ্বিতীয় ফ্রিকুয়েন্সি ক্যাপাসিটরে জমে থাকা পুরো ২ ভোল্ট নিস্ক্রিয় করে দিবে । এইভাবে এসি কারেন্ট থেকে আসা পরিবর্তনশীল মান থেকে আউটপুট জিরো পাবো। একারনে মূলত এসি কারেন্ট সরাসরি জমা রাখতে পারি না।
কেন ডিসি কারেন্ট জমা রাখতে পারি?
আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি যে, ডিসি কারেন্টের মান অপরিবর্তিত থাকে। আমারা যদি ক্যাপাসিটরের দুই প্রান্তে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী ডিসি কারেন্ট সাপ্লাই দেই তাহলে এর আউটপুটে মান পাবো।
ক্যাপাসিটর ভোল্টেজ বা সিগন্যাল গ্রহণ করতে থাকবে। এখানে কোন পরিবর্তনশীল সিগন্যাল নেই যার কারনে সিগন্যাল ডিসচার্জ হয়ে যাবে। একারনে আমরা যদি ক্যাপাসিটরের দুই প্রান্তে ডিসি কারেন্টের দুই দিক সংযোগ দেই তবে আমরা আউটপুটে জিরো পাবো না। এর ফলে ক্যাপাসিটর যেহেতু ভোল্টেজ বা সিগন্যাল গ্রহণ করতে থাকবে তাই ক্যাপাসিটর ব্লক হয়ে থাকবে এবং কারেন্ট জমা রাখতে পারবে।
এসি কারেন্ট ডিসি কারেন্ট এর মাঝে প্রার্থক্য
উৎস বা Source
এসি সার্কিটে জেনারেটর উৎস হিসেবে ব্যবহিত হয়।
ডিসি সার্কিটে উৎস হিসেবে ব্যাটারি বা ডিসি জেনারেটর ব্যবহিত হয়।
উপাদান
এসি সার্কিটে উপাদান হিসেবে রেজিস্ট্যান্স, ইন্ডাকট্যান্স ও ক্যাপাসিট্যান্স ব্যবহার হয়।
ডিসি সার্কিটে উপাদান হিসেবে শুধুমাত্র রেজিস্ট্যান্স ব্যবহার করা হয়।
ফ্রিকুয়েন্সির প্রভাব
এসি সার্কিটে ফ্রিকুয়েন্সির প্রভাবে ইন্ডাকট্যান্স ও ক্যাপাসিট্যান্স এর মান কমে ও বাড়ে।
ডিসি সার্কিটে ফ্রিকুয়েন্সির কোন প্রভাব নেই।
যোগ-বিয়োগ হিসাব
এসি সার্কিটে ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যে ৯০ ডিগ্রী ফেজ এঙ্গেল বা ফেজ প্রার্থক্য থাকে যার ফলে ভোল্টেজ ও কারেন্টেকে গাণিতিকভাবে যোগ-বিয়োগ পরিবর্তে ভেক্টর যোগ-বিয়োগ করতে হয়।
ডিসি সার্কিটে ভোল্টেজ ও কারেন্টকে গাণিতিকভাবে যোগ-বিয়োগ করা যায়।
রূপান্তর
রেকটিফায়ারের সাহায্যে এসি কারেন্টকে ডিসি কারেন্টে রূপান্তর করা যায়।
ডিসি কারেন্টকে সহজে এসি কারেন্টে রূপান্তরিত করা যায় না আর করা গেলেও অনেক কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল হয়ে থাকে।
সাপ্লাই কম-বেশি
এসি কারেন্টকে ট্রান্সফরমারের সাহায্যে সরবরাহ ভোল্টজ কমানো বা বাড়ানো যায়।
ডিসি কারেন্টের সরবরাহ ভোল্টেজকে কমানো বা বাড়ানো যায় না।
রেগুলেশন
এসি কারেন্টে রেগুলেশন ভালো নয় কারন এর ভোল্টেজ ড্রপ অনেক বেশি।
ডিসি কারেন্টে রেগুলেশন ভালো কারন এর ভোল্টেজ ড্রপ কম।
উৎপাদন
এসি কারেন্ট সর্বোচ্চ উৎপাদিত হয় ১৬,৫০০ ভোল্ট।
ডিসি কারেন্টে সর্বোচ্চ উৎপাদিত হয় ১,৫০০ ভোল্ট।
কোন কারেন্ট (এসি না ডিসি) বেশি বিপজ্জনক?
বিভিন্ন সোর্স থেকে প্রাপ্ত তথ্য হলো এসি কারেন্ট বেশি বিপজ্জনক। এর কিছু যৌক্তিকতাও খুজে পাওয়া গেছে।
ডিসি কারেন্ট ৫০ এম্পিয়ার শক মানে ঠিক ৫০ এম্পিয়ার কনস্ট্যান্ট থাকে।
এসি কারেন্ট ৫০ এম্পিয়ার শক মানে শুধু ৫০ এম্পিয়ার নয় বরং আপ-ডাউন করে থাকে। এর ক্ষেত্রে সর্বাধিক কমতে-বাড়তে পারে I সর্বোচ্চ বা শূন্য লেভেলের উপর ভিত্তি করে।
এসি কারেন্ট সেকেন্ডে ৫০ থেকে ৬০ বার দিক বদলায় যার ফলে যখন মানুষের হার্টের মধ্য দিয়ে যায় তখন এই কম্পন হার্টের স্বাভাবিক কম্পোনের উপর আরোপিত হয়। ফলে হার্ট অসংলগ্নভাবে কাঁপতে থাকে যা স্বাভাবিক রক্ত চলাচলকে বাঁধাগ্রস্থ করে। এই ঘটনাকে Ventricular Fibrillation বলে।
ডিসি মূলত এই ঘটনা ঘটায় না। ডিসি কারেন্টের দিক বদলায় না ফলে কম্পাং শূন্য তাই ডিসি কারেন্ট হার্টকে ফ্রিজ বা স্ট্যাচু করে দেয়। কারেন্ট থেকে মুক্ত হবার পরেই একটা স্ট্যাচু হার্ট দ্রুত ও সহজে আগের অবস্থায় ফিরে আসতে পারে।
একারনে আমরা দেখি যে এসি কারেন্টে আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতালে De fibrillating যন্ত্র দিয়ে হার্ট স্বাভাবিক কম্পাঙ্কে আনার চেষ্টা করা হয়। অন্য কোন কারেন হার্ট Ventricular Fibrillation হলেও একই ধরনের কাজ করা হয়। এটা দেখতে দুটি বাটির মত জিনিস বুকের দুপাশে ধরে শক দিয়ে থাকে। অনেক মুভিতে এটা দেখা যায়।
যদি এসি কারেন্ট হার্ট দিয়ে না গিয়ে ব্যাক্তির হাত দিয়ে ঢুকে পা দিয়ে যায় সেক্ষেত্রেও এসি কারেন্ট মারাত্মক। মানুষের শরীরের রোধ ডিসি কারেন্টের ডিসি কারেন্টের জন্য সমান থাকলেও এসি কারেন্টের জন্য কমে যায়। এসি কারেন্টের ফ্রিকুয়েন্সি এই বিশেষ রোধ ইম্পিডেন্সকে কমিয়ে দেয়। ফলে এসি কারেন্ট এর শকের প্রভাবও ডিসি কারেন্টের চেয়ে বেশি।
এসি কারেন্টের ফ্রিকুয়েন্সি শরীরের পেশিগুলোকে সংকোচন করে ফেলে যার ফলে শরীর কে কারেন্ট লাইনের সাথে আটকে রাখতে সহায়তা করে।
ডিসি কারেন্টে প্রথম থেকে কনস্ট্যান্ট গতিতে চলে তাই এক্ষেত্রে কারেন্ট শুরুতেই হঠাৎ করে দেহকে টেনে ধরে এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া বলের কারনে মানুষ ছিটকে পড়ে।
এসি কারেন্ট ডিসি কারেন্ট নিয়ে আমরা বিস্তারিত জানলাম। এরপরেও অনেক বিষয় রয়েছে যা হয়তো আমাদের জানা অনেক জরুরী। এসি কারেন্ট ডিসি কারেন্ট বিষয়ে আপনাদের কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করুন। এছাড়া এসি কারেন্ট ডিসি কারেন্ট বিষয়ে নতুন যেকোন কিছু বিষয় জানারা থাকলেও কমেন্ট করুন।

Monday, March 5, 2018

Arduino libraries

How to write libraries for the Arduino?
So you want to write a Library for the Arduino?
-Great!
Here is a little tutorial on how to write one.
You will learn the basic syntax rules for c++ class declaration and definition and I will summarize the conventional Arduino function and variable naming.
For this tutorial we will implement a library called LED13 we will do some fun stuff with the LED @ pin 13
We will make it turn on, off and make it blink.
We will make this:
Navigation
What is a Library?
What is the Arduino conventions?
Why do we have libraries?
How do we write libraries?
Define the functionality your Library has to provide
Make a proof of concept sketch
Learn c++ class syntax
LED13 Header
LED13 Source
Source for this tutrial
Implementation
Selecting public, protected or private
Selecting datatypes / returntypes
Selecting variable- / functionnames
Writing examples
keywords.txt
Debugging
Remember #include <Arduino.h>
Delete object file and recompile between each alteration of header and/or source
Learn to interpret the Arduino IDE debugger / compiler.
Sharing your library with other people
Links
Information about this page
What is a Library?
A Library is a collection of instructions that are designed to execute a specific task.
Good libraries describe the tasks it tries to solve by the name of the library itself, and the names of the functions associated to the library.
This is because the library should be intuitive to use, and all names should describe, in an efficient way, all questions regarding what, when , and
where, but should conceal the how .
On the Arduino the libraries often serve as a wrapper around the Arduino API language to enhance code readability and user experience .
Arduino IDE places it's libraries in
\hardware\libraries The Library for this tutorial has the URL C:\programming\arduino-0015\hardware\libraries\LED13 on my Windows XP machine.
For the Ubuntu operating system, the libraries may be found at /usr/share/arduino/libraries.
What is the Arduino conventions?
The Arduino libraries uses a
UppercaseUppercase convention for Library names, and lowercaseUppercase naming convention for the functions.
What this means is that our library has/
should get the name LED13 (not led13 for instance), and the functions will be named on() and off().
I could've selected turnOn() and turnOff(), but I've selected the shortest because it is as descriptive, but in addition it is shorter. [short code == less probability for typos]
It is important to remember that you do not need a Library. It only makes it simpler.
If you are interested in the inner mechanics of a specific library, you'll find the MyLibrary .cpp (if downloaded) in
/hardware/libraries/ MyLibrary /
MyLibrary .cpp change MyLibrary to whatever the name of the library you want to investigate
Why do we have libraries?
Simplify usage and/or organization of code
Enhance code readability
Decentralize logic
Main sketch can now simply state library.action() instead of coding the equivalent in the sketch.
How do we write libraries?
[ define functionality - make a proof of concept - learn c++ class syntax -
implement - debug ]
Define the functionality your Library has to provide
For our Library we've decided on these functions:
on()
off()
blink(int time)
This should be the premise for our library.
At this point, we do not care how the on() should work, only that it should exist.
Make a proof of concept sketch
Before implementing a new class I usually find it very useful to test the idea in a sketch. Try a few different implementations, see what uses the least amount of space, and what seems simplest in use. Select the solution that compromises these two in a suitable way.
An experience I've made is that if one has something slightly similar to work from, that is often beneficial.
For our Library, one immediatly thinks of the Blink right? The Hello World! of µCs. So, go ahead and start the Arduino IDE and open the File->Sketchbook->Examples->Digital->Blink.
The first thing we'll do, is to cut the code inside loop(), and paste it into a new function called void blink().
I suspect this is not surprising, being that we know this code will blink the LED connected to pin 13.
Now, write blink(); inside the loop, so that the code that once was inside the loop() and now is located inside blink, gets executed (because loop calls blink).
Now, you should have a sketch looking like this:
1. int ledPin = 13; // LED connected to digital pin 13
2.
3. void setup() // run once, when the sketch starts
4. {
5. pinMode(ledPin, OUTPUT); // sets the digital pin as output
6. }
7.
8. void loop() // run over and over again
9. {
10. blink(); //call the code that makes the LED blink
11. }
12.
13. //make the LED blink
14. void blink(){
15. digitalWrite(ledPin, HIGH); // sets the LED on
16. delay(1000); // waits for a second
17. digitalWrite(ledPin, LOW); // sets the LED off
18. delay(1000); // waits for a second
19. }
[Get Code]
The next two steps will be to add the void on(); and the void off();.
These will be really simple functions, because they will actually just 'wrap'
digitalWrite(13,HIGH) and digitalWrite(13,LOW) respectively.
Go ahead and try to write these functions.
You should end up with something like:
1. //turn the LED on
2. void on(){
3. digitalWrite(ledPin,HIGH); //set the pin HIGH and thus turn LED on
4. }
5.
6. //turn the LED off
7. void off(){
8. digitalWrite(ledPin,LOW); //set the pin LOW and thus turn LED off
9. }
[Get Code]
We have one more thing to fix.
As the code is now, the blink() will always use two seconds, but we wanted to pass the number of microseconds as an argument. Additionally we'll want to remove the redundant code that turns a led on and off. We'll replace those redundant calls with on() and off(). You probably know how to write functions that has parameters, but here it is:
1. //make the LED blink
2. void blink(int time){
3. on(); // sets the LED on
4. delay(time/2); // waits for a second
5. off(); // sets the LED off
6. delay(time/2); // waits for a second
7. }
[Get Code]
Now you have enough code to implement all the desired functionality.
Complete Concept Sketch
1. int ledPin = 13; // LED connected to digital pin 13
2.
3. void setup() // run once, when the sketch starts
4. {
5. pinMode(ledPin, OUTPUT); // sets the digital pin as output
6. }
7.
8. void loop() // run over and over again
9. {
10. blink(2000); //call the code that makes the LED blink
11. }
12.
13. //turn the LED on
14. void on(){
15. digitalWrite(ledPin,HIGH); //set the pin HIGH and thus turn LED on
16. }
17.
18. //turn the LED off
19. void off(){
20. digitalWrite(ledPin,LOW); //set the pin LOW and thus turn LED off
21. }
22.
23. //make the LED blink
24. void blink(int time){
25. on(); // sets the LED on
26. delay(time/2); // waits for a second
27. off(); // sets the LED off
28. delay(time/2); // waits for a second
29. }
[Get Code]
Download the source for this tutorial
The next step is to:
Learn c++ class syntax
There are a lot of resources on this topic, but generally the class are split into two files.
1. The declaration, referred to as the header file. 'LED13.h' will indicate that the file declared the class LED13. Declaration is the process of defining what the class should do.
2. The implementation, referred to as the
source file. 'LED13.cpp' indicates that the file implement the declared functions and variables from "LED13.h".
Implementation is the process of writing the code, that determines how the declared functions are imlemented.
LED13 Header
1. #ifndef LED13_H
2. #define LED13_H
3.
4. #include <Arduino.h>
5.
6. class LED13 {
7. public:
8. LED13();
9. ~LED13();
10. void on();
11. void off();
12. void blink(int time);
13. };
14.
15. #endif
[Get Code]
'Code Analysis:'
Lines 1 and 2 are referred to as an include guard
It basically prevents the code from being included into the program binary multiple times.
Line 4 includes the Arduino code to our library. This enables us to use the pinMode, digitalWrite, delay etc.
Line 6 is the beginning of the class itself.
Line 7 uses the public keyword
Line 8 and 9 are called constructor and destructor, they are responsible for setting up your library (construct), and delete it (deconstruct)
Line 10 declares the function 'void on();' , this will turn the LED on
Line 11 declares the function 'void off();' , this will turn the LED off
Line 12 declares the function 'void blink(int time);' , this will blink the LED in 'time' milliseconds.
Line 13 is the end of the class.
Line 15 ends the #ifndef preprocessor directive
LED13 Source
You will see that this source will be very much like the concept sketch.
However, I've changed some datatypes, and the rest is just the c++ syntax.
Notice the :: , it is called the 'scope resolution operator'
1. #include "LED13.h" //include the declaration for this class
2.
3. const byte LED_PIN = 13; //use the LED @ Arduino pin 13, this should not change so make it const (constant)
4.
5. //<<constructor>> setup the LED, make pin 13 an OUTPUT
6. LED13::LED13(){
7. pinMode(LED_PIN, OUTPUT); //make that pin an OUTPUT
8. }
9.
10. //<<destructor>>
11. LED13::~LED13(){/*nothing to destruct*/}
12.
13. //turn the LED on
14. void LED13::on(){
15. digitalWrite(LED_PIN,HIGH); //set the pin HIGH and thus turn LED on
16. }
17.
18. //turn the LED off
19. void LED13::off(){
20. digitalWrite(LED_PIN,LOW); //set the pin LOW and thus turn LED off
21. }
22.
23. //blink the LED in a period equal to paramterer -time.
24. void LED13::blink(int time){
25. on(); //turn LED on
26. delay(time/2); //wait half of the wanted period
27. off(); //turn LED off
28. delay(time/2); //wait the last half of the wanted period
29. }
[Get Code]
Source for this tutrial
Attach:LED13.zip
Implementation
Selecting public, protected or private
A common 'rule of thumb' is to make all data as private as possible. For Arduino that will often result in all variables declared private, and most functions defined public.
Selecting datatypes / returntypes
Being the Arduino has limited resources I think selecting the 'smallest' variable is the way to go. An Arduino pin will (probably) never become above 255. So in that case using a byte is sufficient, and preferable.
Selecting variable- / functionnames
The arduino API has established some cues for how to name a variable or function. Start lower case, and indicate new words with an upper case letter. 'myDescriptiveVariable'
Writing examples
Be sure to create examples that are as self describing as possible. Additionally it should be made an effort to demo most of the functions.
Blink Example
1. #include <LED13.h>
2.
3. LED13 led;//initialize an instance of the class
4.
5. void setup(){/*nothing to setup*/}
6.
7. void loop(){
8. led.blink(2000);//stay one second on, then a second off
9. }
[Get Code]
keywords.txt
Remember to implement this file, as it makes using your library a lot easier. Our library has four names that needs highlighting.
Those are:
LED13
on
off
blink
And they are implemented in
keywords.txt as:
LED13 KEYWORD1 on KEYWORD2 off KEYWORD2 blink KEYWORD2
Debugging
Remember #include <Arduino.h>
You will get a series of errors if you've forgot to include the Arduino, and trying to use some of the Arduino functions or datatypes.
It is only necessary to include the Arduino.h in you library .h, your .cpp will include it because it includes your header.
Delete object file and recompile between each alteration of header and/or source
When changes are made in the header or the source, those changes are not automatically incorporated in the object file of you library. To be sure that your changes are compiled and used, delete the LED13.o and recompile a sketch in the Arduino IDE.
NOTE: After making library changes, before recompiling, you may need to delete the <LibName>.o file which can be found by searching, or in a file similar to: c:\Documents and Settings\Administrator\Local Settings\Temp\build3998508668703718780.tmp
Learn to interpret the Arduino IDE debugger / compiler.
It can be a timesaver to take an hour and causing error deliberately, so you know what the error messages are caused by for later reference.
Sharing your library with other people
One of the fastest ways to flush out bugs in a library is to let other people use the library. Often people not only find bugs but also contribute patches to fix those bugs.
(1) Post your library online somewhere, perhaps one of
here in the Arduino Playground
the Launchpad source code hosting using the Bazaar version control system.
the SourceForge source code hosting using Mercurial version control system
the Savannah source code hosting using Mercurial version control system
Github using the git version control system
the Google Code, Google Project Hosting using Mercurial version control system
Bitbucket
your own website, using your own favorite version control system.
(2) Then
Edit page LibraryList and add a link to your library.
Links
Arduino Reference
Core Libraries
Arduino Library Tutorial
Information about this page
Part of AlphaBeta Tutorials and Resources.
Last Modified: April 19, 2016, at 03:52 PM
By: -
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
Copyright Notice
Contact Us
About Us
Careers © 2018 Arduino

Sunday, February 18, 2018

ক্যাপাসিটর

“Capacitors : তারা কীভাবে কাজ করে?" একটি ক্যাপাসিটরের (মূলত condenser নামে পরিচিত) একটি বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের শক্তি সঞ্চয় ব্যবহৃত একটি প্যাসিভ দুই টার্মিনাল বৈদ্যুতিক উপাদান। ব্যবহারিক ক্যাপাসিটারগুলিকে এই ভাবে প্রস্তুত করা হয়, কিন্তু সব অস্তরক (ইনসুলেটর) দ্বারা বিভক্ত অন্তত দুটি বৈদ্যুতিক conductors ধারণ করে; যেমন, একটি সাধারণ নির্মাণ ফিল্ম অন্তরক পাতলা স্তর দ্বারা পৃথকীকৃত ধাতু foils গঠিত. ক্যাপাসিটারগুলিকে ব্যাপকভাবে অনেক সাধারণ বৈদ্যুতিক ডিভাইস বৈদ্যুতিক সার্কিট অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একটি ক্যাপাসিটরের ভূমিকা কি?আমরা একটি ক্যাপাসিটরের প্রতীক থেকে দেখতে পাই, এটি একটি স্থান দ্বারা পৃথক দুটি প্লেট বা খুঁটি আছে। একটি ক্যাপাসিটর এই ভাবে পথ প্রস্তুত করা হয। একটি ক্যাপাসিটরের অভ্যন্তরে একটি ইনসুলেটর বা অস্তরক দ্বারা পৃথক দুটি আবহ প্লেট নিয়ে গঠিত। Working principle: একটি ভোল্টেজ (ডিসি) প্লেট আবহ তার জুড়ি প্রয়োগ করা হলে, একটি বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের তাদের জুড়ে নির্মাণ করা হয়। এই ক্ষেত্রটি বা শক্তি চার্জ আকারে প্লেট জুড়ে সংরক্ষিত হয়। ভোল্টেজ, চার্জ এবং ক্যাপ্যাসিট্যান্স মধ্যে সম্পর্ক সূত্র মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়: C = Q/V.যেখানে = Capacitance, Q = Charge and V = Voltage.সুতরাং এটা স্পষ্টতই ক্যাপাসিটরের এর প্লেট জুড়ে সম্ভাব্য ড্রপ ভোল্টেজ বা ক্যাপাসিটরের সঞ্চিত ক্ষণিক চার্জ সমানুপাতিক তা উপরোক্ত সূত্র থেকে যাবে বোঝা। ক্যাপ্যাসিট্যান্স পরিমাপ একক Farad হয়। একটি ক্যাপাসিটরের মান (Farads মধ্যে) তা যে পরিমাণ চার্জ সঞ্চয় করতে পারে উপর নির্ভর করে।ক্যাপাসিটরের ব্যবহার কোথায়?ইলেকট্রনিক সার্কিটে, ক্যাপাসিটারগুলিকে সাধারণত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়:Filter AC: একটি পাওয়ার সাপ্লাই সার্কিট একটি ফিল্টার ক্যাপাসিটরের ছাড়া অকেজো হতে পারে. এমনকি পুরো তরঙ্গ সংশোধন পরে, একটি পাওয়ার সাপ্লাই এর ভোল্টেজ ঢেউ পূর্ণ হতে পারে। একটি ফিল্টার ক্যাপাসিটরের এই ভোল্টেজ ঢেউ smooth করে এবং তার অভ্যন্তরীণ সঞ্চিত শক্তির পালনের দ্বারা ভোল্টেজ "notches" বা "ফাঁক" পূর্ণ করে. সুতরাং এটি সংযুক্ত সার্কিট হয় একটি ক্লিন ডিসি সরবরাহ ভোল্টেজ প্রাপ্ত করতে পারবেন। To Block DC: ক্যাপাসিটারগুলির একটি খুব আকর্ষণীয় চরিত্র ,DC (ডাইরেক্ট কারেন্ট) ব্লক; এটির মাধ্যমে DC (ডাইরেক্ট কারেন্ট)পাস করার অনুমতি দেয় না এবং AC (বর্তমান পর্যায়ক্রমে)পাস করার অনুমতি দেয়। এটির মাধ্যমে পাস করার অনুমতি দেয় না। অনেক জটিল ইলেকট্রনিক সার্কিট অভ্যন্তরীণ অপারেশন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে যা আসলে ছোট AC ভোল্টেজের। কিন্তু প্রতিটি বর্তনীতে একটি DC যেমন দরকারী , তেমন কখনও কখনও, এটা বর্তনীতে সীমাবদ্ধ এলাকায় প্রবেশ থেকে DC ব্লক খুব অপরিহার্য হয়ে যায়। এই কার্যকরভাবে ফ্রিকোয়েন্সি অংশ ডিসি পাস ব্লক যা অনুমতি ক্যাপাসিটারগুলিকে ব্যবহার করে পাল্টা হয়। To Resonate: (অনুরণন করার জন্য):সংলগ্ন ডায়াগ্রাম, একটি ক্যাপাসিটরের দেখানো হয়েছে পাবো একটি দীক্ষাগুরু সঙ্গে কনজুগেটেড তাদের মান দ্বারা সংশোধন করা হয়েছে, যা একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি অনুরণন হবে. সহজ ভাষায় জোড়া সাড়া হবে এবং একটি নির্দিষ্ট বহিরাগত প্রয়োগ ফ্রিকোয়েন্সি থেকে লক এবং একই ফ্রিকোয়েন্সি নিজেই এ oscillating শুরু হবে। আচরণ ভাল আরএফ সার্কিট, ট্রান্সমিটার, ধাতু ডিটেক্টর ইত্যাদি শোষিত হয়। সাধারণভাবে আপনি এখন একটি ক্যাপাসিটরের কি বুঝতে পেরেছেন? কিন্তু একটি ক্যাপাসিটরের কনফিগার করা সম্ভব যার মাধ্যমে এখনও অনেক বিভিন্ন জটিল উপায় আছে। আশা করছি আপনি আমার next Article এ পাবেন। বিস্তারিত আরও জানতে ক্লিক করুন : http://www.eteforum.blogspot.com/
Electronic & Telecommunication Engineering - ETE
“Capacitors : তারা কীভাবে কাজ করে?"
একটি ক্যাপাসিটরের (মূলত condenser নামে পরিচিত) একটি বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের শক্তি সঞ্চয় ব্যবহৃত একটি প্যাসিভ দুই টার্মিনাল বৈদ্যুতিক উপাদান। ব্যবহারিক ক্যাপাসিটারগুলিকে এই ভাবে প্রস্তুত করা হয়, কিন্তু সব অস্তরক (ইনসুলেটর) দ্বারা বিভক্ত অন্তত দুটি বৈদ্যুতিক conductors ধারণ করে; যেমন, একটি সাধারণ নির্মাণ ফিল্ম অন্তরক পাতলা স্তর দ্বারা পৃথকীকৃত ধাতু foils গঠিত. ক্যাপাসিটারগুলি
কে ব্যাপকভাবে অনেক সাধারণ বৈদ্যুতিক ডিভাইস বৈদ্যুতিক সার্কিট অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
একটি ক্যাপাসিটরের ভূমিকা কি?আমরা একটি ক্যাপাসিটরের প্রতীক থেকে দেখতে পাই, এটি একটি স্থান দ্বারা পৃথক দুটি প্লেট বা খুঁটি আছে। একটি ক্যাপাসিটর এই ভাবে পথ প্রস্তুত করা হয। একটি ক্যাপাসিটরের অভ্যন্তরে একটি ইনসুলেটর বা অস্তরক দ্বারা পৃথক দুটি আবহ প্লেট নিয়ে গঠিত।
Working principle:
একটি ভোল্টেজ (ডিসি) প্লেট আবহ তার জুড়ি প্রয়োগ করা হলে, একটি বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের তাদের জুড়ে নির্মাণ করা হয়। এই ক্ষেত্রটি বা শক্তি চার্জ আকারে প্লেট জুড়ে সংরক্ষিত হয়। ভোল্টেজ, চার্জ এবং ক্যাপ্যাসিট্যান্স মধ্যে সম্পর্ক সূত্র মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়:
C = Q/V.যেখানে = Capacitance, Q = Charge and V = Voltage.সুতরাং এটা স্পষ্টতই ক্যাপাসিটরের এর প্লেট জুড়ে সম্ভাব্য ড্রপ ভোল্টেজ বা ক্যাপাসিটরের সঞ্চিত ক্ষণিক চার্জ সমানুপাতিক তা উপরোক্ত সূত্র থেকে যাবে বোঝা। ক্যাপ্যাসিট্যান্স পরিমাপ একক Farad হয়। একটি ক্যাপাসিটরের মান (Farads মধ্যে) তা যে পরিমাণ চার্জ সঞ্চয় করতে পারে উপর নির্ভর করে।ক্যাপাসিটরের ব্যবহার কোথায়?ইলেকট্রনিক সার্কিটে, ক্যাপাসিটারগুলিকে সাধারণত নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়:Filter AC: একটি পাওয়ার সাপ্লাই সার্কিট একটি ফিল্টার ক্যাপাসিটরের ছাড়া অকেজো হতে পারে. এমনকি পুরো তরঙ্গ সংশোধন পরে, একটি পাওয়ার সাপ্লাই এর ভোল্টেজ ঢেউ পূর্ণ হতে পারে। একটি ফিল্টার ক্যাপাসিটরের এই ভোল্টেজ ঢেউ smooth করে এবং তার অভ্যন্তরীণ সঞ্চিত শক্তির পালনের দ্বারা ভোল্টেজ "notches" বা "ফাঁক" পূর্ণ করে. সুতরাং এটি সংযুক্ত সার্কিট হয় একটি ক্লিন ডিসি সরবরাহ ভোল্টেজ প্রাপ্ত করতে পারবেন।
To Block DC: ক্যাপাসিটারগুলির একটি খুব আকর্ষণীয় চরিত্র ,DC (ডাইরেক্ট কারেন্ট) ব্লক; এটির মাধ্যমে DC (ডাইরেক্ট কারেন্ট)পাস করার অনুমতি দেয় না এবং AC (বর্তমান পর্যায়ক্রমে)পাস করার অনুমতি দেয়। এটির মাধ্যমে পাস করার অনুমতি দেয় না। অনেক জটিল ইলেকট্রনিক সার্কিট অভ্যন্তরীণ অপারেশন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে যা আসলে ছোট AC ভোল্টেজের। কিন্তু প্রতিটি বর্তনীতে একটি DC যেমন দরকারী , তেমন কখনও কখনও, এটা বর্তনীতে সীমাবদ্ধ এলাকায় প্রবেশ থেকে DC ব্লক খুব অপরিহার্য হয়ে যায়। এই কার্যকরভাবে ফ্রিকোয়েন্সি অংশ ডিসি পাস ব্লক যা অনুমতি ক্যাপাসিটারগুলিকে ব্যবহার করে পাল্টা হয়।
To Resonate: (অনুরণন করার জন্য):সংলগ্ন ডায়াগ্রাম, একটি ক্যাপাসিটরের দেখানো হয়েছে পাবো একটি দীক্ষাগুরু সঙ্গে কনজুগেটেড তাদের মান দ্বারা সংশোধন করা হয়েছে, যা একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি অনুরণন হবে. সহজ ভাষায় জোড়া সাড়া হবে এবং একটি নির্দিষ্ট বহিরাগত প্রয়োগ ফ্রিকোয়েন্সি থেকে লক এবং একই ফ্রিকোয়েন্সি নিজেই এ oscillating শুরু হবে। আচরণ ভাল আরএফ সার্কিট, ট্রান্সমিটার, ধাতু ডিটেক্টর ইত্যাদি শোষিত হয়।
সাধারণভাবে আপনি এখন একটি ক্যাপাসিটরের কি বুঝতে পেরেছেন? কিন্তু একটি ক্যাপাসিটরের কনফিগার করা সম্ভব যার মাধ্যমে এখনও অনেক বিভিন্ন জটিল উপায় আছে। আশা করছি আপনি আমার next Article এ পাবেন।
বিস্তারিত আরও জানতে ক্লিক করুন : http://www.eteforum.blogspot.com
/
নতুন কিছু
প্রকারভেদ:-
ইলেকট্রোলাইটিক ধারক /
ক্যাপাসিটর (Electrolytic Capacitor)
উচ্চ ধারক ত্ব-র জন্য এই ধারক সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। রেডিও-র ফিল্টার বাইপাস সার্কিট ে ব্যবহৃত হলেও AC সার্কিট ে ব্যবহার করা যায় না।
Ceramic Capacitor
সিরামিক ধারক / ক্যাপাসিটর (Ceramic Capacitor)
এতে সিরামিক কে ডাই-ইলেক্ট্রিক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এদের ধারকত্ব খুবই কম। মাত্র 1pF থেকে 1000pF এবং সর্বোচ্চ সহনীয় ক্ষমতা ৫০০ ভোল্ট পর্যন্ত। মূলত কাপলিং-ডিকাপলিং বাইপাস সার্কিট ের এটি ব্যবহৃত হয়।
Variable Capacitor
পরিবর্তনশীল বায়ু ধারক (Varaible Capacitor/Trimmer Capacitor)
এর মান প্রয়োজনমত বাড়ানো এবং কমানো যায়। এতে অনেকগুলো অর্ধবৃত্তাকার সমান্তরাল অ্যালুমিনিয়ামের পাত দুভাগে ভাগ করে বসান থাকে। পাতগুলোর মাঝে বায়ু ডাই-ইলেক্ট্রিক মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। টিউনিং
সার্কিট হিসেবে এদের ব্যবহার করা হয়।ক্যাপাসিটর ের একক হচ্ছে ফ্যারাড।
ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক সার্কিটে ক্যাপাসিটর বা ধারকের ব্যবহার অনস্বীকার্য।
ক্যাপাসিটর সম্পর্কে কিছু সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও তার উত্তর
ক্যাপাসিটর কি
এটি মূলত বৈদ্যুতিক চার্জ সঞ্চয়ক যন্ত্র বিশেষ। এর বাংলা অর্থ “ধারক”।
সার্কিটে ক্যাপাসিটর ের কাজ কি
এটি কোনো ইলেকট্রিক্যাল কিংবা ইলেকট্রনিক্স সার্কিটে যুক্ত হয় ও বৈদ্যুতিক চার্জ সঞ্চিত করে। আবার সার্কিটের প্রয়োজনে উক্ত জমাকৃত চার্জ অবমুক্ত করে। সহজ ভাবে বুঝতে একে খুব ছোট আকারের ব্যাটারির সাথে তুলনা করা যেতে পারে। ব্যাটারি এই বৈদ্যুতিক চার্জ দীর্ঘ সময়ের জন্য জমা করতে পারে। অপরদিকে ক্যাপাসিটর খুব স্বল্প সময়ের জন্য এই চার্জ জমা করতে পারে।
পাওয়ার সাপ্লাইতে কেমন ধরনের ক্যাপাসিটর ব্যবহার করবো
পাওয়ার সাপ্লাইতে একটু বড়, মোটা ও গুণগত মানে ভালো ধরনের ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা উচিৎ। যেহেতু পাওয়ার সাপ্লাই যেকোনো সার্কিট ও প্রজেক্টের প্রাণ। তাই একে ভাল মতো তৈরী করলে তা যেমন দীর্ঘস্থায়ী হয় তেমনি এর গুনগত মান ও ভালো থাকে। তাই পাওয়ার সাপ্লাইতে কোনো সময়ই কার্পণ্য না করে উপযুক্ত ও গুনগত মানের যন্ত্রাংশ ব্যবহার করাই ভালো হবে।
কোনো সার্কিটে কত ভোল্টের ক্যাপাসিটর ব্যবহার করবো
ক্ষেত্র বিশেষে এমন হয় যে সার্কিট ডায়াগ্রামে ক্যাপাসিটরের মান দেয়া থাকলেও সেটির ভোল্ট উল্লেখ থাকে না। সেক্ষেত্রে সার্কিটের সাপ্লাই ভোল্টেজের মান কে স্থির ধরে নিয়ে ক্যাপাসিটরের ভোল্ট নির্ণয় করতে হয়। খেয়াল রাখতে হবে যেন ক্যাপাসিটরের ভোল্ট সাপ্লাই ভোল্ট থেকে বেশী থাকে। নয়ত সার্কিট কাজ না করবার সমূহ সম্ভবনা আছে।
নোটঃ কিছু সার্কিট আছে যা এক সাপ্লাই ভোল্টে চলেও বিভিন্ন মানের ভোল্ট উৎপন্ন করতে পারে। যেমন আইপিএস , ইনভার্টার, ভোল্টেজ বুস্টার ইত্যাদি। সেক্ষেত্রে সার্কিট বুঝে ক্যাপাসিটরের ভোল্ট নির্ণয় করতে হবে। তবে সেসকল সার্কিটের ক্ষেত্রে ক্যাপাসিটরের ভোল্ট বিশেষ ভাবে উল্লেখ থাকে।
এম্পলিফায়ারে কেমন ধরনের ক্যাপাসিটর ব্যবহার করতে হবে
পাওয়ার এম্পলিফায়ার এর প্রাণ হচ্ছে পাওয়ার সাপ্লাই। উপযুক্ত কারেন্ট ও ভোল্টেজ না পেলে এম্পলিফায়ার ভালো কাজ করে না। কম্পিউটারের অথবা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হাই ফাই এম্পলিফায়ার বাজানোর মজাই আলাদা। উপযুক্ত সাউন্ড বক্স এর মাধ্যমে তৈরী কৃত এমন ধরনের সাউন্ড সিস্টেমে অবশ্যই খুব উন্নত মানের জাপানী ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা উচিৎ। আমাদের ইলেকট্রনিক্স সাইটে এ সংক্রান্ত তথ্যবহুল লেখা পড়তে পারেন এই লিংক থেকেঃ
পাওয়ার এম্পলিফায়ার
ছোট পিএফ ক্যাপাসিটরের মান কীভাবে নির্ণয় করবো
সাধারণত পিএফ ক্যাপাসিটরের মান গুলোকে কোডের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। যেমনঃ
101 – এর অর্থ হচ্ছে, এটির মান ১০০ পিএফ
102 – এর অর্থ হচ্ছে, এটি ১০০0 পিএফ বা ১ ন্যানো ফ্যারাড মানের, এভাবে…
105 – এর অর্থ হচ্ছে, এটির মান ১০০0০০০ পিএফ বা এটি ১ মাইক্রো ফ্যারাড মানের ক্যাপাসিটর
অর্থাৎ, ৩য় ঘরে যত মান দেয়া আছে ঠিক ততো গুলো “০” কে “১০” এর পাশে বসালে পিএফ সমান মান পাওয়া যাবে। একে প্রয়োজনে ন্যানো ফ্যারাড বা মাইক্রোফ্যারাডে পরিবর্তন করে নিলেই এর ব্যবহারিক মান পাওয়া যাবে।
শুধু মান ছাড়াও ক্যাপাসিটরের কোড দিয়ে এর ভোল্টেজ, টলারেন্স প্রভৃতি নির্দেশিত থাকে।
আরো জানতে আমার এই লিখাটি পড়তে পারেন।
পরিশিষ্ঠঃ
আরো বিস্তারিত জানতে
techtunes.com.bd এ প্রকাশিত এই ক্যাপাসিটর নিয়ে ল

Registor

ভূমিকাঃ
ইলেকট্রনিক্স সার্কিটে বহুল ব্যবহৃত একটি পার্টস হল রেজিস্টর । রেজিস্টরের মত অন্য কোন ডিভাইস এত বেশী ব্যবহার হয়না। এটি বিদ্যুৎ প্রবাহে/ কারেন্ট প্রবাহে বাধা প্রদান করে। কতটুকু বাধা প্রদান করবে তা নির্ভির করে এর রেজিস্টিভিটি এর উপর। রেজিস্ট্যান্সের একক ওহম (Ohm) যাকে গ্রীক অক্ষর Ω দ্বারা প্রকাশ করা হয়। যে পরিমান রেজিস্ট্যান্সের কারণে কোন রেজিস্টরের আড়াআড়িতে ১ ভোল্ট বিভব পার্থক্যে উক্ত রেজিস্টরের মধ্য দিয়ে ১ এম্পিয়ার কারেন্ট প্রবাহিত হয় তাকে ১ ওহম বলে। কালার কোড ব্যবহার করে আমরা রেজিস্টরের মান নির্ণয় করতে পারি।
রেজিস্টর ও রেজিস্ট্যান্সঃ
এটি ইলেকট্রিক্যাল ডিভাইস বা সার্কিট ইলিমেন্ট যা এর সামর্থ্য অনুযায়ী বিদ্যূৎ প্রবাহকে বাধা দিতে পারে। এর বৈশিষ্ট্যকে রেজিস্ট্যান্স বলা হয়। অর্থাৎ রেজিস্টর হলো ডিভাইসের নাম এবং রেজিস্ট্যান্স হলো ঐ ডিভাইসের গুণ বা বৈশিষ্ট। আরো সহজভাবে বলতে গেলে, রেজিস্টর যে কাজটা করে থাকে তাকে রেজিস্ট্যান্স বলে।
প্রতীকঃ
রেজিস্টরকে প্রকাশ করার জন্য নিম্নের প্রতীকগুলি ব্যবহার করা হয়
বৈদ্যূতিক বৈশিষ্টঃ
১। রেজিস্টর একটি দুই
টার্মিনাল বিশিষ্ট ডিভাইস
২। ইহা নন–পোলার ডিভাইস
৩। ইহা লিনিয়ার ডিভাইস
৪। ইহা প্যাসিভ ডিভাইস
সাধারণত রেজিস্টর ২ প্রান্ত
বিশিষ্ট ডিভাইস।
তবে পরিবর্তনশীল মানের
রেজিস্টর সাধারণত ৩ প্রান্ত
বিশিষ্ট হয়ে থাকে। এর
কোনো পোলারিটি (ধণাত্বক
বা ঋণাত্বক প্রান্ত) নেই। আর
লিনিয়ার ডিভাইস বলতে এমন
ডিভাইস বুঝায় যার (Across)
আড়াআড়িতে প্রযুক্ত
ভোল্টেজ এবং উক্ত ভোল্টেজ
সাপেক্ষে প্রবাহিত
কারেন্টের মধ্যে সম্পর্ক
সর্বদা সরল রৈখিক হয়।
প্রকারভেদঃ
রেজিস্টর আছে অনেক প্রকারের ।যথাঃ-
1. Fixed Resistors:
1.1. Carbon Resistors :
1. Carbon Fila Resistors
2. Solid Resistors
1.2. Metal Resistors:
1. Metal Fila
2. Metal Oxide Fila
1.3. Metal Glazed Type Resistors:
1. Chip Resistors
2. Chip Network Resistors
3. Network Resistors
1.4. Other:
1. Wire Wound Resistors
2. Theraistors
3. Varistors
4. 2 . Variable Resistors:
2.1. Metal Glazed Type Resistors
1. Chip Variable Resistors
2.2. Carbon based Type Variable Resistors:
1. Carbon based Turning Type Variable Resistors
2.3. Wire Wound Type Variable Resistors
রেজিস্টরের পাওয়ার রেটিং কি?
যখন কোন রেজিস্টরের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহ ঘটে তখন রেজিস্টরে তাপ আকারে কিছু পাওয়ার অপচয় হয় এবং রেজিস্টরটি গরম হয়। উৎপন্ন তাপমাত্রা প্রবাহিত কারেন্টের উপর নির্ভর করে। কারেন্ট বেশী হলে উৎপন্ন তাপ বেশী হয় এবং কম হলে তাপ কম হয় এমনকি বেশী তাপমাত্রার কারনে রেজিস্টরটি পুড়ে যেতে পারে। সর্বোচ্চ যে পরিমান কারেন্ট প্রবাহ করলে অথবা যে পরিমান পাওয়ার অপচয় হলে একটি রেজিস্টর পূর্ণ দক্ষতার সাথে দীর্ঘ দিন কাজ করতে পারে তাকে ঐ রেজিস্টরের পাওয়ার রেটিং বলে একে ওয়াট এককে প্রকাশ করা হয়। যেমন একটি ১ ওয়াট রেটিং এর ১০০ ওহম রেজিস্টর বলতে যা বুঝায় তা গাণিতিক ভাবে বুঝার চেষ্ট করি।
অর্থাত একটি ১ ওয়াট রেটিং এর ১০০ ওহম রেজিস্টরের মধ্য দিয়ে সর্বোচ্চ ০.১ এম্পিয়ার কারেন্ট প্রবাহ করলে তা নিরাপদ থাকবে এর বেশী কারেন্ট প্রবাহ করলে রেজিস্টরটি পুড়ে যাবে।
রেজিস্টরের মান প্রকাশ করা বা লিপিবদ্ধ করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি আছে। যেমন ওয়্যারউন্ড রেজিস্টরগুলিতে এর গায়ে ওহমিক মান ও পাওয়ার রেটিং লিখে প্রকাশ করা হয়। ছোট আকৃতির রেজিস্টর যেমন- কার্বন কম্পোজিশন, কার্বন ফিল্ম টাইপ, মেটাল ফিল্ম ইত্যাদিতে মান লিখার মত যথেষ্ট যায়গা থাকেনা বলে কালার কোডের মাধ্যমে মান লিপিবদ্ধ করা হয়। চীপ রেজিস্টরে বিশেষ কোডিং পদ্ধতিতে মান প্রকাশ করা হয়। কালার কোড পদ্ধতি আলোচনা করা হলো।
কালার কোড পদ্ধতিঃ
কালার কোড দ্বারা খুব সহজেই আমারা মিটার ছাড়ায় যে কোন রেজিস্টরের মান নির্ণয় করতে পারি। এখন প্রশ্ন জাগতে পারে কালার কোড কি? উত্তর হল, প্রতিটা রেজিস্টরের গায়ে বিভিন্ন প্রকার রঙ দ্বারা চিহ্নিত করা থাকে এগুলোকে কালার কোড বলে। কালার কোডের প্রতিটি প্যাচকে ব্যান্ড বলে। রেজিস্টর সাধারনত ৪(চার) ব্যান্ডের বেশি হয়ে থাকে, এছাড়াও ৫ ও ৬ ব্যান্ডের রেজিস্টরও পাওয়া যায়। এখানে সাধারনত ১২ প্রকার কালার ব্যবহার করা হয়। যেগুলো হলঃ কালো, বাদামী, লাল, কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল, বেগুনি, ধূষর, সাদা এছাড়াও টলারেন্স এর জন্য সোনালী ও রুপালী কালার ব্যবহার করা হয়। সংক্ষেপে এই কালার গুলোকে বলা হয়ঃ কা, বা, লা, ক, হ, স, নী, বে, ধূ, সা। প্রতিটি বিভিন্ন ব্যান্ডে বিভিন্ন মান রয়েছে তা নিচে একটি চার্টের মাধ্যমে দেখানো হল।
এই চার্টটা আমাদের অবশ্যই
মনে রাখতে হবে। এখন কাজে
আসা যাক। কিভাবে আমারা
রেজিস্টর মাপব? মনে করি
আমার কাছে এই রেজিস্টরটা
আছে।
এখানে প্রথম, ২য় ও ৩য়
ব্যান্ডের কালার যথাক্রমে
বাদামী, লাল এবং কমলা।
চার্ট আনুযায়ী আমারা হিসাব
করি। বাদামীর ১ম মান ‘১’
লালের ২য় মান ‘২’ এবং
কমলার দ্বিতীয় মান ‘×১০০০’।
তাহলে হিসাব নিকাশ দাঁড়ায়
১২×১০০০=১২০০০Ω = ১২KΩ[
যেহেতু ১০০০Ω = ১KΩ।]
৫ ব্যান্ড কালার কোড প্রায়
একই রকম। এখানে ১ম, ২য় ও ৩য়
মান একত্রে(পাশাপাশি)
বসবে ৪র্থ ব্যান্ডের মান
গুণিতক হিসাবে বসবে। ৫ম
ব্যান্ড রেজিস্টরের টলারেন্স
নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। যখন
রেজিস্টর কারখানায় তৈরী
হয় তখন কারখানার যান্ত্রিক
ত্রুটি এবং রেজিস্টভ
উপাদানের মিশ্রনের
তারতম্যের কারনে ১০০ ভাগ
সঠিক মান পাওয়া যায়না বরং
প্রকৃত মান হতে কিছুটা
বিচ্যূতি ঘটে এই বিচ্যূতিকে
টলারেন্স বলে।
অনেক সময় কাংখিত মানের
রেজিস্টর বাজারে কিনতে
পাওয়া যায়না বা প্রয়োজনীয়
মানের রেজিস্টরটি
স্ট্যান্ডার্ড মানের
অন্তর্ভূক্ত থাকে না। তখন
এটিকে সমবায় করে ব্যবহার
করতে হয়। প্যারালাল অথবা
সিরিজ সমবায়ের মাধ্যমে
কাংখিত মানটি তৈরী করা
হয়। যেমন আপনার যদি ১K
ওহমের রেজিস্টর প্রয়োজন হয়
কিন্তু আপনার আছে ২K ওহমের
রেজিস্টর তাহলে দুটি ২K
ওহমের রেজিস্টর
প্যারালাল সমবায়ে ১K
ওহমের রেজিস্টর তৈরী করতে
পারেন।

ট্রানজিস্টর এর কাজ

ট্রানজিস্টর (Transistor) একটি
অর্ধপরিবাহী কৌশল যা সাধারণত
অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটার ,
সেলুলার ফোন এবং অন্য সকল আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের মূল গাঠনিক উপাদান হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। দ্রুত সাড়া প্রদানের ক্ষমতা এবং সঠিক সম্পূর্ণ সঠিকভাবে কার্য সাধনের ক্ষমতার কারণে এটি আধুনিক ডিজাটাল বা অ্যানালগ যন্ত্রপাতি তৈরীতে বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে। নির্দিষ্ট ব্যবহারগুলোর মধ্যে রয়েছে ইলেকট্রনিক অ্যামপ্লিফায়ার, সুইচ, ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রক, সংকেত উপযোজন এবং
ওসিলেটর। আলাদা আলাদাভাবে ট্রানজিস্টর তৈরি করা যায়। আবার সমন্বিত বর্তনীর অভ্যন্তরে একটি অতি ক্ষুদ্র স্থানে কয়েক মিলিয়ন পর্যন্ত ট্রানজিস্টর সংযুক্ত করা যায়।
বিচ্ছিন্ন ট্রানজিস্টর
সাধারণ আলোচনা
ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক বর্তনীর একটি সক্রিয় অংশ। এর অন্তত তিনটি সংযোগ থাকে। দুইরকমের ট্রানজিস্টর সবচেয়ে বেশি দেখা যায়: বাইপোলার এবং ফিল্ড ইফেক্ট । বাইপোলার শ্রেণীর ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন এবং হোল এই দুই ধরনের তড়িৎ-বাহকের অনুপ্রবেশকে কাজে লাগানো হয়। আর ফিল্ড-ইফেক্ট ট্রানজিস্টরে শুধুমাত্র ইলেকট্রন অথবা হোলকে তড়িৎবাহক হিসাবে ব্যবহার করা হয়। প্রথমে বাইপোলার শ্রেণীটিই তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে দুই ধরনের ট্রানজিস্টরেরই প্রয়োগ দেখা যায়।
ইতিহাস
ফিল্ড-ইফেক্ট ট্রানজিস্টরের মূল নীতি সম্বন্ধে প্রথম তিনটি পেটেন্ট গৃহীত হয়েছিল ১৯২৮ সালে জার্মানীতে । পেটেন্ট করেছিলেন পদার্থবিজ্ঞানী
জুলিয়াস এডগার লিলেনফেল্ড । কিন্তু তিনি এই নীতি সম্বন্ধে কোন গবেষণাপত্র প্রকাশ করেননি বিধায় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো তার এই পেটেন্ট গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেনি।
১৯৩৪ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী ড: অস্কার হেইল ফিল্ড-ইফেক্ট ট্রানজিস্টরের আরেকটি পেটেন্ট করেন। এরকম কিছু পেটেন্ট গৃহীত হলেও তখনকার সময় এ ধরনের কৌশল তৈরি করা হয়েছিলো, এর সপক্ষে কোন সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। কিন্তু ১৯৯০'র দশকের এক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে লিলেনফেল্ডের নকশাগুলোর মধ্যে একটি নকশা ঠিক এভাবে কাজ করেছিল এবং তা থেকে প্রতীক্ষীত পরিমাণ গেইন লাভ করা সম্ভব হয়েছিল। বেল ল্যাবরেটরি থেকে প্রাপ্ত আইনসম্মত পত্রাদি থেকে জানা গেছে, শকলি এবং পিয়ারসন সর্বপ্রথম এ ধরনের কৌশলের অপারেশনাল সংস্করণ তৈরি করেছিলেন। এই কাজ করতে যেয়ে তারা লিলেনফেল্ডের পেটেন্টকে ব্যবহার করেছিলেন যদিও তাদের কেউই এই পেটেন্টটিকে তথ্যসূত্র হিসেবে উল্লেখ করে যাননি। দ্য আদার ট্রানজিস্টর, আর. জি. আর্নস
১৯৪৭ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বেল ল্যাবরেটরির উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন পৃথিবীর প্রথম ব্যবহারিক পয়েন্ট-কন্টাক্ট ট্রানজিস্টর তৈরি করতে সক্ষম হন। তারা মূলত যুদ্ধকালীন সময়ে যুদ্ধে উপযোগীতার জন্য বিশুদ্ধ জার্মেনিয়াম কেলাস মিশ্রিত ডায়োড তৈরির জন্য গবেষণা করছিলেন। এই ডায়োডগুলোকে ক্ষুদ্র তরঙ্গ রাডারের গ্রাহক যন্ত্রে
ফ্রিকোয়েন্সি মিক্সার হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। একই সময়ে Purdue University তে কর্মরত একদল গবেষক ভাল মানের অর্ধপরিবাহী জার্মেনিয়াম কেলাস তৈরি করতে সক্ষম হন। এই কেলাসগুলোই বেল ল্যাব্সে ব্যবহার করা হয়েছিল। [১] এর আগে ব্যবহৃত টিউব-ভিত্তিক প্রযুক্তি দ্রুত সুইচিংয়ের কাজ করতে পারতো না বিধায় এক্ষেত্র সেগুলো ব্যবহার করা সম্ভব ছিলনা। এ কারণে বেল ল্যাব্সের গবেষকরা এর পরিবর্তে সলিড স্টেট ডায়োড ব্যবহার করেছিল। এই জ্ঞানটুকু পুঁজি করে তারা একটি ট্রায়োড তৈরীতে মনোনিবেশ করে। কিন্তু এই প্রক্রিয়া মোটেই আগের মত সহজ ছিলনা। এই কাজ করতে গিয়ে তারা যে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বৈশীষ্ট্য লক্ষ্য করেন তা ব্যাখ্যা করার জন্য বার্ডিন এক নতুন ধরনের তলীয় পদার্থবিজ্ঞানের অবতারণা করেন। এর মাধ্যমে বার্ডিন ও ব্রাটেইন একটি কর্মক্ষম কৌশল তৈরীতে সমর্থ হন।
একই সময় কিছু ইউরোপীয় বিজ্ঞানী সলিড-স্টেট অ্যামপ্লিফায়ারের ধারণা নিয়ে গবেষণা করছিলেন। ১৯৪৮ সালের আগস্টে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী Herbert F. Mataré (১৯১২ -) এবং Heinrich Welker (১৯১২ - ১৯৮১ ) সংখ্যালঘু তড়িৎ-বাহকের অনুপ্রবেশের উপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি অ্যামপ্লিফায়ারের উদ্ভাবন বিষয়ে পেটেন্টের আবেদন জানান। তারা এই কৌশলটির নাম দিয়েছিলেন ট্রানজিসট্রন । তারা তখন প্যারিসের Compagnie des Freins et Signaux Westinghouse নামক একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। ১৯৪৮ সালের জুনের আগে যেহেতু বেল ল্যাব্স ট্রানজিস্টর সম্পর্কীয় কোন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি সেহেতু ধারণা করা হয় ট্রানজিসট্রন স্বাধীনভাবেই নির্মিত হয়েছিল। Mataré ই প্রথম ব্যক্তি যিনি ট্রান্সকনডাকট্যান্স ক্রিয়া লক্ষ্য করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির রাডার যন্ত্রপাতির জন্য উপযুক্ত জার্মেনিয়াম ডুওডায়োড তৈরির সময় তিনি এটি লক্ষ্য করেছিলেন। ফরাসি টেলিফোন কোম্পানি এবং সামরিক বাহিনীর জন্য প্রথম বাণিজ্যিকভাবে ট্রানজিসট্রন উৎপাদিত হয়েছিল। ১৯৫৩ সালে জার্মানির ডুসেলডর্ফে চারটি ট্রানজিসট্রন দ্বারা গঠিত একটি সলিড-স্টেট বেতার গ্রাহক যন্ত্র প্রদর্শিত হয়।
ব্যাল ল্যব্স নতুন এই উদ্ভাবনের জন্য একটি উপযুক্ত নাম সন্ধান করছিল। যে নামগুলো বিবেচনায় আনা হয়েছিল সেগুলে হচ্ছে:
সেমিকন্ডাক্টর ট্রায়োড , সলিড ট্রায়োড , সার্ফেস স্টেট ট্রায়োড , ক্রিস্টাল ট্রায়োড এবং আয়োট্যাট্রন । কিন্তু জন আর. পিয়ার্স কর্তৃক প্রস্তাবিত
ট্রানজিস্টর নামটি অভ্যন্তরীন ভোটে বিশেষ গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে। এই নামের পক্ষে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছিল তা বেল ল্যাব্সের টেকনিক্যাল মেমোরান্ডামে উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছেঃ
ট্রানজিস্টর কাকে বলে ও এর প্রতীক?
ট্রাঞ্জিস্টর বহুল ব্যবহিত একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস। এটি তিন টার্মিনাল তিন লেয়ার এবং দুই জাংশন বিশিষ্ট সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা ইনপুট সিগনালের শক্তি বৃদ্ধি করি বিভিন্ন কাজ সমাধান করে থাকে। আবার সার্কিটে সুইচের ভূমিকা নিতে পারে।
প্রতীকঃ
ট্রাঞ্জিস্টর কি দ্বারা নির্মিত?
এটি এক্টিভ সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা সেমিকন্ডাক্টর দ্বারা নির্মিত। এর অভ্যন্তরে দুটি জাংশন দ্বারা গঠিত। এটি হতে পারে এন পি এন বা পি এন পি জাংশন। এর তিনটি টার্মিনাল আছে। এই বিষয়ে আমরা একটু পর বিস্তারিত জানবো।
ট্রানজিস্টর প্রকারভেদ
ট্রাঞ্জিস্টরের সঠিকভাবে শ্রেনীবিভাগ করা বেশ কঠিন কারন আধুনিক গবেষণায় বর্তমানে নতুন নতুন শ্রেনীর ট্রাঞ্জিস্টর উদ্ভাবিত হচ্ছে। এখানে ট্রাঞ্জিস্টরের আপাত শ্রেনীবিভাগ দেখানো হলো।
প্রাথমিক ভাবে ট্রাঞ্জিস্টরকে
1. পয়েন্ট কন্টাক্ট ট্রাঞ্জিস্টর
2. জাংশন ট্রাঞ্জিস্টর
সেমিকন্ডাক্টরের উপর ভিত্তি
1. সিলিকন ট্রাঞ্জিস্টর
2. জার্মেনিয়াম ট্রাঞ্জিস্টর
3. পলিক্রিস্টালিন ট্রাঞ্জিস্টর
4. মনোক্রিস্টালিন ট্রাঞ্জিস্টর
5. সিলিকন কার্বাইড ট্রাঞ্জিস্টর
গঠনের উপর ভিত্তি করে জাংশ
1. ফিল্ড ইফেক্ট ট্রাঞ্জিস্টর
2. বাইপোলার জাংশন ট্রাঞ্জিস্টর
বাইপোলার জাংশন ট্রাঞ্জিস্ট
1. জাংশন ফিল্ড ইফেক্ট ট্রাঞ্জিস্টর (FET)
2. মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রাঞ্জিস্টর (MOSFET)
জাংশন ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজি
1. এন চ্যানেল জাংশন ফিল্ড ইফেক্ট ট্রাঞ্জিস্টর
2. পি চ্যানেল জাংশন ফিল্ড ইফেক্ট ট্রাঞ্জিস্টর
মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর
1. ডিপ্লেশন এনহেন্সমেইন্ট টাইপ (DE-MOSFET)
2. এনহেন্সমেন্ট টাইপ (E-MOSFET)
ডিপ্লেশন এনহেন্সমেইন্ট টাইপ (
1. এন চ্যানেল DE-MOSFET
2. পি চ্যানেল DE-MOSFET
এনহেন্সমেন্ট টাইপ (E-MOSFET)ম
1. এন চ্যানেল E-MOSFET
2. পি চ্যানলে E-MOSFET
ট্রাঞ্জিস্টর কিভাবে কাজ করে?
আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি যে ট্রাঞ্জিস্টর মূলত এমপ্লিফাই বা সুইচিং করে থাকে। ট্রাঞ্জিস্টরে ইনপুটে অল্প পরিমানে কারেন্ট প্রবাহিত করলে আউটপুটে তা এমপ্লিফাই করে ঠিক একই সাথে সুইচিং এর মত আচারণ ও করতে পারে।
ট্রানজিস্টর ইনপুট বলতে কমন ট্রাঞ্জিস্টরের বেজ কে বোঝানো হয় এবং আউটপুট ধরা হয় কালেক্টর ও ইমিটার কে। কিন্তু মসফেটের ক্ষেত্রে ইনপুট হবে ড্রেন ও আউটপুট হবে সোর্স।
ট্রাঞ্জিস্টর সার্কিটে কি কাজ করে থাকে?
উদাহরন হিসেবে রেডিও তে ট্রানজিস্টর এমপ্লিফায় হিসেবে কাজ করে থাকে। বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ অত্যন্ত ক্ষীণ শক্তির যাকে উপযুক্ত সার্কিটের মাধ্যমে ট্রাঞ্জিস্টর এমপ্লিফায় করে ও স্পিকারের মাধ্যমে আমাদের কানে সে পৌঁছায়।
এন পি এন ও পি এন পি ট্রাঞ্জিস্টরের গঠন
এন পি এন ট্রাঞ্জিস্টর (npn)
চিত্রঃ এন পি এন ট্রানজিস্টর
দুটি n-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরের মাঝে একটি p-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরের স্থাপন করলে p-n জাংশনের সৃষ্টি হয় এবং এন পি এন ( npn) ট্রানজিস্টর গঠিত হয়।
চিত্রে দেখতে পাচ্ছি ট্রাঞ্জিস্টরের তিনটি প্রান্ত থাকে। একই জাতীয় অঞ্চলে(N) ইমিটার এবং কালেক্টর ও বিপরীত ধর্ম অঞ্চলে(P) বেস।
তাহলে আমরা বলতে পারি যে NPN ট্রাঞ্জিস্টরের ক্ষেত্রে বেস হলো পি টাইপ অঞ্চল আর ইমিটার ও কালেক্টর হলো এন টাইপ অঞ্চল। ট্রাঞ্জিস্টরের কালেক্টর ও বেসের মধ্যবর্তী জাংশনকে কালেক্টর-বেস জাংশন এবং ইমিটার ও বেসের মধ্যবর্তী জাংশনকে ইমিটার-বেস জাংশন বলে।
পি এন পি ট্রাঞ্জিস্টর (pnp)
চিত্রঃ পি এন পি ট্রানজিস্টর
এটি মূলত npn ট্রাঞ্জিস্টরের উল্টো। দুটি p-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরের মাঝে একটি n-টাইপ সেমিকন্ডাক্টরের স্থাপন করলে p-n জাংশনের সৃষ্টি হয় এবং এন পি এন (pnp) ট্রাঞ্জিস্টর গঠিত হয়।
চিত্রে দেখতে পাচ্ছি ট্রাঞ্জিস্টরের তিনটি প্রান্ত থাকে। একই জাতীয় অঞ্চলে(P) কালেক্টর এবং ইমিটার ও বিপরীত ধর্ম অঞ্চলে(N) বেস। তাহলে আমরা বলতে পারি যে PNP ট্রাঞ্জিস্টরের ক্ষেত্রে বেস হলো এন(N) টাইপ অঞ্চল আর ইমিটার ও কালেক্টর হলো পি (P) টাইপ অঞ্চল।
ট্রাঞ্জিস্টরের টার্মিনাল সমূহের বর্ননা
আমরা ইতিমধ্যে জেনেছি ট্রাঞ্জিস্টরের তিনটি টার্মিনাল থাকে। ১) বেস ২) ইমিটার ৩)কালেক্টর
বেস
বেস স্তর ইমিটার ও কালেক্টরের সাথে দুটি পি এন জাংশন তৈরি করে থাকে যথা ১) বেস-ইমিটার ২)বেস কালেক্টর।
বেস-ইমিটার জাংশনে ফরোয়ার্ড বায়াস প্রদান করে যেটি ইমিটার সার্কিটে লো-রেজিস্ট্যান্স তৈরি করে থাকে। বেস-কালেক্টর জাংশন রিভার্স বায়াস প্রদান করে থাকে যা কালেক্টর সার্কিটে হাই রেজিস্ট্যান্স প্রদান করে থাকে।
ইমিটার
ইমিটারকে সবসময় বেসের তুলনায় ফরোয়ার্ড বায়াস দেওয়া হয়। পি এন পি ও এন পি এন ট্রাঞ্জিস্টরের ক্ষেত্রে বেস-ইমিটার সর্বদা ফরোয়ার্ড বায়াস দেওয়া হয়। ট্রাঞ্জিস্টরে ইমিটার লেয়ারে উচ্চ মানের ডোপিং করা হয়ে থাকে কারন ইমিটার অংশ সর্বাপেক্ষা অধিক কারেন্ট সরবরাহ করে থাকে।
কালেক্টর
কালেক্টর ইমিটারের বিপরীত দিকে অবস্থান করে থাকে। এতে সবসময় রিভার্স বায়াস প্রদান করা হয়। এটা বেস-কালেক্টর জাংশন হতে মেজরিটি চার্জ কেরিয়ার সংগ্রহ করে সার্কিটে কারেন্ট প্রবাহ ঘটায় যেকারনে এই স্তরকে কালেক্টর বলা হয়।
কালেক্টর অংশ বেস ও ইমিটারের অধিক প্রসস্ত করা হয় এবং ইমিটারের তুলনায় হালকা ডোপিং করা হয় কারন এই স্তরে অধিক পাওয়ার অপচয় হয়ে থাকে।
এন পি এন ট্রাঞ্জিস্টরের অপারেশন
চিত্রে দুটি ভোল্টেজ সোর্স দেখানো হয়েছে ( V & V ) যা ট্রানজিস্টর বায়াস দেয়ার কাজে সংযুক্ত আছে। V হলো বেজ-ইমিটার ভোল্টেজ যা জাংশনের ফরওয়ার্ড বায়াস প্রদান করে এবং
V কালেক্টর-বেজ জাংশনে রিভার্স বায়াস প্রদান করে থাকে।
বেস-ইমিটার জাংশনটি ফরোওয়ার্ড বায়াস হওয়ার কারনে n টাইপ হতে প্রচুর ইলেকট্রন বেস-ইমিটার জাংশন অতিক্রম করে ও p টাইপ বেস অঞ্চলে ডিফিউজড হয় ফলে ইমিটার কারেন্ট I প্রবাহিত হয়।
বেস স্তরটি খুব পাতলা ডোপিং p টাইপ সেমিকন্ডাক্টর হবার কারনে এতে খুব সামান্য পরিমান মজরিটি ক্যারিয়ার হোল বিদ্যমান। এই অল্প হোল হতে কিছু হোল ইমিটার অঞ্চল থেকে বেস কারেন্ট i প্রবাহিত হয়।
বেস স্তরের হোল কিছু হোল আগত প্রচুর সংখ্যক ইলেকট্রন হতে খুবই সামান্য কিছু ইলেকট্রনের সাথে মিলিত হয় ও ইলেকট্রন হল রি-কম্বিনেশন ঘটে। এইকারনে সামান্য পরিমান বেস কারেন্ট i প্রবাহিত হয়। তাহলে বেস কারেন্ট I এর দুটি উপাদান i এবং i ।
বেস স্তরে আগত প্রচুর ইলেকট্রন বেস স্তরের জন্য মাইনোরিটি কেরিয়ার হিসেবে বিবেচিত। আমরা এটা জানি যে রেভার্স বায়াসের জন্য মাইনোরিটি কেরিয়ারের জন্য পি এন জাংশনের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হয়।
বেস-কালেক্টর জাংশন টি রিভার্স বায়াস হওয়ায় পি টাইপ বেস হতে প্রচুর ইলেকট্রন বেস কালেক্টর জাংশন অতিক্রম করে এন টাইপ কালেক্টর অঞ্চল থেকে গৃহীত হয় এবং V সোর্সের পজিটিভ টার্মিনাল দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে সার্কিটে I কারেন্ট প্রবাহিত করে। এ
ভাবেই মূলত এন পি এন ট্রানজিস্টর ইলেকট্রন প্রবাহ মাধ্যমে কারেন্ট প্রবাহিত হয়।
চিত্রে I I I এর কারেন্ট প্রবাহের দিক দেখানো হয়েছে যা ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিকে। তাহলে ট্রাঞ্জিস্টরের বেস পয়েন্টে কে সি এল সূত্র প্রয়োগ করে পায়ঃ
I = I + I ট্রাঞ্জিস্টর দিয়ে সকল কারেন্ট ইমিটার টার্মিনাল দিয়ে বের হয়।
এবার একটু সহজ ভাষায় আলোচন
বেস এর মধ্যে দিয়ে পাঠানো কারেন্ট ইমিটার দিয়ে বের হবে।
ট্রাঞ্জিস্টর তখন কালেক্টর থেকে ইমিটার দিকে কারেন্ট টানতে থাকে যা কালেক্টর থেকে ইমিটারে কারেন্ট প্রবাহ ঘটে।
বেস ইমিটার I কারেন্ট মূলত কালেক্টর ইমিটার I কারেন্টকে নিয়ন্ত্রন করে থাকে।
এই কালেক্টর ইমিটার কারেন্ট, বেস ইমিটার কারেন্টের চাইতে অনেক বেশি।
বেস ইমিটার সংযোগ মূলত ডায়োডের মত কাজ করে থাকে।
বেস-ইমিটার ভোল্টেজ যখন ০.৭ ভোল্ট হয় তখনি ট্রাঞ্জিস্টর চালু হয়।
এর ফলে বেস-ইমিটার ও কালেক্টর-ইমিটার বিদ্যুৎ প্রবাহ শুরু হয়।
এটাকেই মূলত থ্রেশ হোল্ড ভোল্টেজ বলে বা টার্ন অন ভোল্টেজ বলে যে ভোল্টেজে চালু হয়।
পি এন পি অপারেশন এন পি এন এর উল্টো। আশা করছি এন পি এন বুঝতে পারলে পি এন পি অপারেশন আপনাদের বুঝতে সমস্যা হবে না।
ট্রাঞ্জিস্টরের ব্যবহার কোথায় হয়ে থাকে?
সুইচিং হিসেবেঃ সলিড স্টেট রিলের ক্ষেত্রে আমরা দেখে থাকবো।
এমপ্লিফায়ার হিসেবেঃ কারেন্ট বা ভোল্টেজ কে এমপ্লিফায়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
রেগুলেটর হিসেবঃ কারেন্ট, ভোল্টেজ, পাওয়ার ইত্যাদি রেগুলেট হিসেবে ব্যবহার করতে হয়।
বাফার হিসেবেঃ যেমনঃ ইম্পিড্যান্স ম্যাচিং করতে।
একনজরে পর্যালোচনা
একটি ট্রানজিস্টর বেস, ইমিটার এবং কালেক্টর থাকে।
বেস স্তরটি অনেক পাতলা হয়ে থাকে, ইমিটার মাঝারি এবং কালেক্টর স্তরটি সবচেয়ে বেশি প্রসস্ত হয়ে থাকে।
ইমিটারে সবচেয়ে বেশি ডোপিং করা হয় যেন সবচেয়ে বেশি মেজরিটি ক্যারিয়ার বেস স্তরে সরবরাহ করতে পারে।
ট্রানজিস্টর বেস-ইমিটার জাংশন সবসময় ফরওয়ার্ড বায়াস এবং বেস কালেক্টর জাংশন সর্বদা রিভার্স বায়াস প্রদান করে থাকে।
বেস-ইমিটার জাংশনের রেজিস্ট্যান্স বেস কালেক্টর জাংশনের তুলনায় কম হয়ে থাকে তাই বেস-ইমিটারে জাংশনে খুব অল্প পরিমানে ফরোয়ার্ড বায়াস আর বেস-কালেক্টরে উচ্চ রিভার্স বায়াস প্রয়োগ করা হয়।
নিউ
ডায়োডের লেগ সনাক্ত / এনোড-ক্যাথোড সনাক্তকরণ পদ্ধতি
ডায়োডের লেগ সনাক্ত বা এনোড – ক্যাথোড সনাক্তকরণ পদ্ধতি অনেক সহজ। যে কেও ডায়োড দেখলেই বুঝতে পারবে কোন প্রান্ত এনোড এবং কোন প্রান্ত ক্যাথোড। এজন্য নিচের চিত্র মন দিয়ে দেখলেই পারবেন।
ডায়োডের যে অংশে সাদা দাগ রয়েছে সে অংশ হচ্ছে ডায়োডের ক্যাথোড প্রান্ত আর যে অংশে সাদা দাগ নেই সে অংশ হচ্ছে ডায়োডের ক্যাথোড প্রান্ত যা চিত্রে দেখানো হয়েছে।
ডায়োড ভালো না খারাপ টেস্ট পদ্ধতিঃ
ডায়োড টেস্ট করার পদ্ধতি একদম পানির মত সহজ। একটু মন দিয়ে লক্ষ্য করলে যে কেউ এটি পারবে। ডায়োডের টেস্ট করার জন্য
ডিজিটাল বা এনালগ যে কোন মাল্টিমিটার হলেই চলবে। তবে ডিজিটাল/এনালগ মাল্টিমিটারে ডায়োড/রেজিস্ট্যান্স সিলেক্টর আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।
বাজারে যে মাল্টিমিটার পাওয়া যায় তার বেশিরভাগ গুলোতেই
ডায়োড, রেজিস্ট্যান্স অপশন থাকে। মিটারের ওহম বা রেজিস্ট্যান্স মাপার অপশন দিয়ে ডায়োড পরিমাপ করা যাবে এই পদ্ধতিতেই । তাহলে ধাপগুলো একটু দেখে নিনঃ
প্রথমেই মাল্টিমিটারের সিলেক্টরকে ডায়োডে/রেজিস্ট্যান্সে নিয়ে নিতে হবে। বুঝার সুবিধার্থে নিচে চিত্র দেওয়া হলো।
এবার আমরা ডায়োডের ফরোয়ার্ড টেস্ট করবো অর্থাৎ ডায়োডের এনোডের সাথে মাল্টিমিটারের পজেটিভ প্রুব এবং ক্যাথোডের সাথে নেগেটিভ প্রুভ যুক্ত করতে হবে চিত্রের ন্যায়।
এখানে 0.23v রিডিং দেখাচ্ছে যার অর্থ হলো ডায়োডটি আনুমানিক 0.23 ভোল্ট ড্রপ করবে যেটা আনলোড অবস্থায় দেখতে পাচ্ছি আর এই অবস্থায় ডায়োডের মধ্য দিয়ে খুব কম পরিমানে কারেন্ট প্রবাহিত হবে(1mA/2mA)।
সিলিকন ডায়োডের ক্ষেত্রে লোড অবস্থায় ভোল্টেজ ড্রপ ০.৭ পর্যন্ত হবে এবং জার্মেনিয়ামের ক্ষেত্রে ০.৩ পর্যন্ত হবে।
ওহমমিটার দিয়ে মাপলে আনুমানিক একটা রেজিস্ট্যান্স দেখাবে যেটা খুবই কম। এটা ডায়নামিক রোধ যা সার্কিটে চালু অবস্থায় কারেন্ট প্রবাহের উপর নির্ভর করে এই রোধ কমতে থাকে। এক্ষেত্রে কারেন্ট প্রবাহ যত বাড়বে রোধ তত কমতে এটাই মূলত ডায়োডের ধর্ম।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এনালগ মাল্টিমিটারের ক্ষেত্রে উল্টো করে ধরতে হবে অর্থাৎ লাল প্রোবের জায়গায় কালো প্রোব এবং কালো প্রোবের জায়গায় লাল প্রোব ধরতে হবে।
তবে কিছু কিছু এনলাগ মাল্টিমিটার এখন ডিজিটাল মাল্টিমিটারকে অনুসরণ করে তৈরি করা হয়। সেক্ষেত্রে ম্যানুয়াল দেখে নিতে হবে কোন প্রোবটি কি।
এখন আমরা ডায়োডের রিভার্স টেস্ট করবো অর্থাৎ এর জন্য আগের প্রক্রিয়ার উল্টো করবো। এর মানে এখন লাল প্রোব ধরবো ডায়োডের সাদা(ক্যাথোডে) অংশে এবং কালা প্রোব ধরবো বিপরীত অংশে(এনোডে)।
চিত্রে মাল্টিমিটারের ডিসপ্লে তে দেখা যাচ্ছে যে ০ মান অর্থাৎ কোন পরিমান ভোল্টেজ প্রবাহিত হচ্ছে না। এটাই স্বাভাবিক যেহেতু ডায়োড শুধুমাত্র একমুখী ডিভাইস তাই এই ডায়োডটি ভালো বলে ধরে নেওয়া হয়। ওহমে মাপলে এক্ষেত্রে কোণ মান দেখাবে না।
ট্রাঞ্জিস্টরের লেগ সনাক্ত / বেজ সহজে বের করার পদ্ধতি:
আমরা যে ট্রাঞ্জিস্টর বাজার থেকে কিনে থাকি সেই ট্রাঞ্জিস্টরের মডেল নাম্বার জানা থাকলে খুব সহজে গুগোল থেকে সার্চ করে আমরা ট্রাঞ্জিস্টরটির বেজ, ইমিটার, কালেক্টর জানতে পারবো।
এই সহজ পদ্ধতির একটি সমস্যা আছে, বিভিন্ন প্রস্তুতকারক কোম্পানি প্যাকেজভেদে ট্রাঞ্জিস্টরের পিনআউট অনেক সময় ভিন্ন রকম হয়। নিচের চিত্র দেখলে বুঝতে পারবেনঃ
চিত্রে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে BC547 ট্রাঞ্জিস্টর এবং 2N2222 ট্রাঞ্জিস্টর দুটির দুই রকমের পিন আউট। আমরা যারা নতুন আজ করি তাদের ক্ষেত্রে এটি বিশাল এক দরনের সমস্যা আর যদি ভুলভাবে লাগিয়ে ফেলি তাহলে তো কাজ করবেই না।
এই ক্ষেত্রে হবিস্টদের প্রতি আমার অনুরোধ অবশ্যই মাল্টিমিটার দিয়ে ট্রাঞ্জিস্টরের লেগ বের করবার। শুধু ট্রাঞ্জিস্টরের ক্ষেত্রে নয় বরং যেসকল ইকুয়েপমেন্ট টেস্ট করা যায় সেগুলো নিয়ে কাজ করার পূর্বে অবশ্যই টেস্ট করে নিবেন।
আমরা NPN এবং PNP উভয় ক্ষেত্রে ট্রাঞ্জিস্টরের বেজ, ইমিটার, কালেক্টর নির্নয় করবো। এক্ষেত্রে কাজের সুবিধার্থে আমরা প্রথমে মাল্টিমিটার দিয়ে ট্রাঞ্জিস্টরের বেজ নির্ণয় করবো। এর পরে কালেক্টর ও ইমিটার নির্ণয় করবো। নতুনদের বুঝার সুবিধার্থে আমরা ধাপে ধাপে তা বর্ণনা করেছি।
এন পি এন ট্রাঞ্জিস্টরের ক্ষেত্রে বেজ বের করার সহজ পদ্ধতি
বেজ নির্ণয়
উপরোক্ত ডায়োডের ক্ষেত্রে যেভাবে সিলেক্টর সেট করা হয়েছিলো সেইভাবেই সেট করা থাকবে অর্থাৎ সিলেক্টর নবকে
ডায়োড /ওহমে রাখতে হবে।
এবার ট্রাঞ্জিস্টরের তিনটি প্রান্তের যেকোন এক প্রান্তকে বেজ হিসেবে ধরে অনুমান করে পরীক্ষা করি।
মাল্টিমিটারের পজিটিভ প্রোব(লাল রঙের প্রোব)যে প্রান্তকে বেজ অনুমান করা হয়েছে তার সাথে লাগিয়ে এবং নেগেটিভ প্রোব(কালো রঙের প্রোব) অন্য দুইটি প্রান্তে লাগিয়ে দেখতে হবে।
একই পরীক্ষা ট্রাঞ্জিস্টরের অপর দুটি লেগের ক্ষেত্রে করতে হবে অর্থাৎ অপর দুটি লেগ কে বেজ অনুমান করে উপরোক্ত নিয়মে লাগাতে হবে। নিচের ছবিটি লক্ষ্য করুন-
যদি উভয় লেগের ক্ষেত্রে কিছু রেজিস্ট্যান্স দেখায় তাহলে আমাদের বুঝতে হবে ঐ কমন লেগটিই ট্রাঞ্জিস্টরের বেজ । শর্ট হলে রেজিস্ট্যান্স শূন্য দেখাবে।
পি এন পি ট্রাঞ্জিস্টরের ক্ষেত্রে বেজ বের করার সহজ পদ্ধতি
বেজ নির্ণয়
আগের মতোই ট্রাঞ্জিস্টরের সিলেক্টর নবকে রেজিস্ট্যান্স/ডায়োড মাপার জন্য সেট করতে হবে।
এবার ট্রাঞ্জিস্টরের তিনটি প্রান্তের যেকোন একটিকে পিএনপি ট্রাঞ্জিস্টরের বেজ অনুমান করতে হবে এবং তা পরীক্ষা করতে হবে।
এর জন্য মাল্টিমিটারের নেগেটিভ প্রোব (কালো রঙের) যে প্রান্তকে বেজ অনুমান করা হয়েছে তার সাথে লাগিয়ে এবং পজেটিভ প্রোব(লাল রঙের প্রোব) অন্য দুইটি প্রান্তে লাগিয়ে দেখতে হবে।
একই দরনের পরীক্ষা অপর দুটি লেগের ক্ষেত্রেও করতে হবে।অর্থাৎ অপর দুটি লেগ কে বেজ অনুমান করে উপরোক্ত নিয়মে লাগাতে হবে।
যদি উভয় লেগের ক্ষেত্রে কিছু রেজিস্ট্যান্স দেখায় তাহলে আমাদের বুঝতে হবে ঐ কমন লেগটিই ট্রাঞ্জিস্টরের বেজ । শর্ট হলে রেজিস্ট্যান্স শূন্য দেখাবে।
উভয় ট্রাঞ্জিস্টরের ক্ষেত্রে কালেক্টর এবং ইমিটার নির্ণয়
বেজ নির্ণয় করতে পারলে এটি বেশ সহজ কাজ। এটিও আমরা ডিজিটাল মাল্টিমিটার দিয়ে সিলেক্টর নবকে ডায়োড/রেজিস্ট্যান্স অবস্থানে রেখে খুব সহজে বের করতে পারি।
1. বেজ থেকে উভয় লেগের রেজিস্ট্যান্স তুলনা করতে হবে মাল্টিমিটার দিয়ে।
2. যে লেগের রেজিস্ট্যান্স বেশি হবে সেটি উক্ত ট্রাঞ্জিস্টরের ইমিটার
3. অপরদিকে যে লেগের রেজিস্ট্যান্স কম দেখাবে সেটি কালেক্টর
এনালগ মাল্টিমিটার দিয়ে এটি সনাক্ত করা বেশ কঠিন এবং দুরূহ কাজ কারন এই রেজিস্ট্যান্সের মান মাত্র কয়েক ওহম হয়ে থাকে। যার ফলে এনালগ মাল্টিমিটার দিয়ে কাটার পরিবর্তন তেমন বুঝা যায় না।
এছাড়া এখনকার সব এনালগ মাল্টিমিটারে ট্রাঞ্জিস্টর পরীক্ষা করার আলাদা অপশন আছে।
আমরা যে ট্রাঞ্জিস্টরের দিয়ে পরীক্ষা করেছি সেটির ফলাফল:
আমরা ট্রাঞ্জিস্টরের একটি প্রান্তে(মাজখানের পায়ে) লাল প্রোব ধরার পর বাকি ২ পায়েই রেজিস্ট্যান্স পেয়েছি এর মানে এটি এন পি এন (NPN) টাইপ ট্রাঞ্জিস্টর এবং মাঝ খানের পা টি বেজ ।
মাজখানের বেজ থেকে বাম দিকের লেগে মাল্টিমিটার ধরে যে রিডিং পাওয়া গেছে এবং মাঝখানে বেজ থেকে ডান দিকের লেগে মাল্টিমিটারে ধরে রিডিং পাওয়া গেছে তাদের মাঝে তুলনা করতে হবে।
তাহলে আমাদের ভ্যালু অনুসারে বেজ টু বাম সাইটের লেগ=৬৪৯ এবং বেজ টু ডান সাইডের লেগ = ৬৫৫ অর্থাৎ বাম সাইডের লেগ কালেক্টর এবং ডান সাইডের লেগ ইমিটার।
ট্রাঞ্জিস্টর ভালো না খারাপ টেস্টিং পদ্ধতিঃ
মিটারের কাটাটি যদি অন্য দুইটি লিডের কোনটির ক্ষেত্রে না নড়ে তাহলে ট্রানজিস্টরটি ওপেন যেটা নষ্ট।মিটারের কাটাটি যদি সব টেস্টের ক্ষেত্রে নড়ে তাহলে ট্রানজিস্টরটি শর্ট নষ্ট।
মিটারের কাটাটি যদি কোনো একটি টেস্টের ক্ষেত্রটি হাল্কা নড়ে তাহলে ট্রানজিস্টরটি লিক নষ্ট।
ডায়োড ও ট্রানজিস্টর লেগ নির্ণয় ভিডিওঃ
ডায়োড ও ট্রানজিস্টর লেগ নির্ণয় সম্পর্কে আজকে এই পর্যন্ত। আপনাদের ডায়োড ও ট্রানজিস্টর লেগ নির্ণয় বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদেরকে কমেন্টে জিজ্ঞাস করতে পারেন।
আশা করছি আমাদের ডায়োড ও ট্রানজিস্টর লেগ নির্ণয় লেখা নতুন হবিস্টদের উপকারে আসবে তাহলে আমাদের সার্থকতা।