Saturday, December 15, 2018
Friday, November 30, 2018
মাছের নাম
আজ জানব বিভিন্ন
প্রকার মাছের English নাম ও অর্থ:
-
1.Barbel=শিং মাছ
.
2.Catfish=মাগুর
.
3.Carp=কাতল
.
4.Eel=বাইন
.
5.Flat fish=চিতল
.
6.Halibut=পাঙ্গাশ
.
7.Hilsha=ইলিশ
.
8.Lobstar=গলদা চিংড়ি
.
9.Prawn=বাগদা চিংড়ি
.
10.Pomfret=রূপচাঁদা
.
11.Salmon=রুই
.
12.Shrimp=চিংড়ি
.
13.Sheet fish=বোয়াল
.
14.Tarpon=তেলাপিয়া
.
15.Troul=মৃগেল
.
16.Whale=তিমি ৷
প্রকার মাছের English নাম ও অর্থ:
-
1.Barbel=শিং মাছ
.
2.Catfish=মাগুর
.
3.Carp=কাতল
.
4.Eel=বাইন
.
5.Flat fish=চিতল
.
6.Halibut=পাঙ্গাশ
.
7.Hilsha=ইলিশ
.
8.Lobstar=গলদা চিংড়ি
.
9.Prawn=বাগদা চিংড়ি
.
10.Pomfret=রূপচাঁদা
.
11.Salmon=রুই
.
12.Shrimp=চিংড়ি
.
13.Sheet fish=বোয়াল
.
14.Tarpon=তেলাপিয়া
.
15.Troul=মৃগেল
.
16.Whale=তিমি ৷
Labels:
Name of Fish
Tuesday, October 16, 2018
বিরহগাথা স্মৃতির পাত -৩
আমার ভাইয়ের ভালো চাকরী হবার পর আমরা পরিবারের সবাই ভেবেছিলাম এই বুঝি আমাদের দিন ফিরতে শুরু করলো । এখন আর আমাদের তেমন কষ্ট হবেনা। কিন্তু বুঝতেই পারিনি আমাদের জন্যে এমন দিন অপেক্ষা করছে। আজ আমরা একপ্রকার অসহায়।
আমার আব্বা আম্মা বিয়ের প্রথম থেকে আমার নতুন ভাবীকে মা বলে ডাকতো। এখন নাম ধরে ডাকে। এটা অবশ্য তার নিজের অর্জন।
অামার বড় ভাই এখন অনেক বড় ইঞ্জিনিয়ার। বছরে দুবার বিদেশের মাটিতে নিজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা যাহীর করার সুযোগ পান। দেশ ছেড়ে বিদেশের মাটিতেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন আপন দম্ভে। মানে হলো কোম্পানি থেকে বছরে দুবার কোম্পানির অভ্যন্তরিন মিটিংয়ের জন্য দেশের বাইরে তাকে তলব করা হয়। এক এক বছর এক এক দেশ। এমনকি ঢাকায় জায়গা কিনেছেন বাড়ি করার প্রস্তুতি চলছে। অথচ আমার আম্মা আব্বা রোগে শোকে আধমরা। একেবারে যে খোজখবর নেয়না তা নয়। আব্বা আম্মা যখন অনেক ইমোশনাল হয়ে কান্নাকাটি করে তখন একটু খোজখবর নেয়। হয়তো একবেলার জন্য গিয়ে ঘুরে চলে আসে। ঈদেও তিনি গ্রামের বাড়িতে যেতে চাননা। ঢাকাতেই থাকেন- কারন ,তার বউ যাবেনা। তাই সেও বাড়ি যেতে পারে না।
আমার এই হৃদয়বান বড়ভাই নাকি অনেক দয়ালু । মানুষের উপকার করার জন্য ছুটে বেড়ান এক স্থান থেকে অন্য স্থানে। কিন্তু আশ্চর্যর বিষয় কি জানেন। তার কথায় অনেক লোকের চাকরী হয়। শুধু আমাদের দু’ভাই ছাড়া। আমরা দুভাই বলতে আমি আর আমার ছোট ভাই। তিনি আমাদের পরিচয় দিতে লজ্জা পান।
অথচ আমরা দুটি ভাই , কোনো প্রকার অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত না, কোন প্রকার নেশায় আশক্ত না। এমনকি সিগারেট, চা , পানের ও না।
আমার এই শ্রদ্ধেয় বড় ভাই , আমার বিয়েতেও বাড়িতে যায়নি। আমরা সবাই তার অপেক্ষায় আছি। সকালে বলল আসছি। তার একটু পরে বলল আমি গাড়িতে । দুপুর গড়িয়ে যাচ্ছে তার কোনো খবর নাই । এখন তিনি আর ফোন রিসিভ কর
ছেন না । আমরা ভাবছি হয়তো আসছে। পথে ব্যস্ত আছে। দুপুর ৩টার দিকে তার ফোন বন্ধ।
চলবে ..................................................
আমার আব্বা আম্মা বিয়ের প্রথম থেকে আমার নতুন ভাবীকে মা বলে ডাকতো। এখন নাম ধরে ডাকে। এটা অবশ্য তার নিজের অর্জন।
অামার বড় ভাই এখন অনেক বড় ইঞ্জিনিয়ার। বছরে দুবার বিদেশের মাটিতে নিজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা যাহীর করার সুযোগ পান। দেশ ছেড়ে বিদেশের মাটিতেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন আপন দম্ভে। মানে হলো কোম্পানি থেকে বছরে দুবার কোম্পানির অভ্যন্তরিন মিটিংয়ের জন্য দেশের বাইরে তাকে তলব করা হয়। এক এক বছর এক এক দেশ। এমনকি ঢাকায় জায়গা কিনেছেন বাড়ি করার প্রস্তুতি চলছে। অথচ আমার আম্মা আব্বা রোগে শোকে আধমরা। একেবারে যে খোজখবর নেয়না তা নয়। আব্বা আম্মা যখন অনেক ইমোশনাল হয়ে কান্নাকাটি করে তখন একটু খোজখবর নেয়। হয়তো একবেলার জন্য গিয়ে ঘুরে চলে আসে। ঈদেও তিনি গ্রামের বাড়িতে যেতে চাননা। ঢাকাতেই থাকেন- কারন ,তার বউ যাবেনা। তাই সেও বাড়ি যেতে পারে না।
আমার এই হৃদয়বান বড়ভাই নাকি অনেক দয়ালু । মানুষের উপকার করার জন্য ছুটে বেড়ান এক স্থান থেকে অন্য স্থানে। কিন্তু আশ্চর্যর বিষয় কি জানেন। তার কথায় অনেক লোকের চাকরী হয়। শুধু আমাদের দু’ভাই ছাড়া। আমরা দুভাই বলতে আমি আর আমার ছোট ভাই। তিনি আমাদের পরিচয় দিতে লজ্জা পান।
অথচ আমরা দুটি ভাই , কোনো প্রকার অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত না, কোন প্রকার নেশায় আশক্ত না। এমনকি সিগারেট, চা , পানের ও না।
আমার এই শ্রদ্ধেয় বড় ভাই , আমার বিয়েতেও বাড়িতে যায়নি। আমরা সবাই তার অপেক্ষায় আছি। সকালে বলল আসছি। তার একটু পরে বলল আমি গাড়িতে । দুপুর গড়িয়ে যাচ্ছে তার কোনো খবর নাই । এখন তিনি আর ফোন রিসিভ কর
ছেন না । আমরা ভাবছি হয়তো আসছে। পথে ব্যস্ত আছে। দুপুর ৩টার দিকে তার ফোন বন্ধ।
চলবে ..................................................
Labels:
Real life Story
Saturday, October 6, 2018
বিরহগাথা স্মৃতির পাতা-২
ছবি সংগৃহিত
হাজার কষ্টের মাঝেও আমরা সুখি। ছোট ভাই বোন দুাটো ক্ষুধায় খুব বেশি কান্না করতো তখন আম্মা ফিডারে পানি ভরে ওদের মুখে দিয়ে রাখতো। আমরা দুই ভাই ছোট বেলার খেলাধুলা থেকে অনেকাংশে বঞ্চিত হয়েছি। আমরা দুই ভাই, দুই ভাই বোনকে কোলে নিয়ে দাড়িয়ে দাড়িয়ে খেলা দেখতাম। ধীরে ধীরে ওরা বড় হতে লাগলো।
আমার ছোটবোনটা একটু পেটুক ছিলো। খাবার সামনে দেখলেই ও কেদে ফেলতো। সবাই ওকে অনেক মারধরও করেছি কিন্তু তাতে কাজ হতো না। সবাই যখন ভাত খাচ্ছি তখন বোনটি আমার ভাতের প্লেট সামনে নিয়ে অঝরে কাদছে। ওকে কিছু জিজ্ঞাসা করলেও কিছু বলতো না শুধু নিরবে কাদতো। এতে আর সবার আরো বেশি রাগ হতো। ওর কোনদিন খাবারে মন ভরতো না। আমার এই বোনটি এখন আর খেতে চায় না। অভাব ঘুচে সামান্যে স্বচ্ছলতা আসলো ।
আমাদের দুই ভাইয়ের ভর্তি আব্বা আমাদের কাকার কাছে পাঠালো। তখন আমি ক্লাস সিক্সে পড়ি। টুটপাড়া থেকে গল্লামারি দু্ই ভাই হাটতে হাটতে কাকার বাসায় গিয়েছিলাম । কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। আবার হাটতে হাটতে ফিরে এলাম। এভাবে আমাদের দিন কাটতে থাকে । আমার বড় ভাই পলিটেকনিক থেকে ডিপ্লোমা পাশ করে ঢাকায় পাড়ি জমায়। অমি এসএসসি টেষ্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর আমার এক মামাকে বলেছিলাম -মামা আমি টেষ্টে পাশ করেছি। মামা বলেছিল তুই মেট্রিক পরীক্ষায় পাশ করতে পারলে আমার বাম হাতের তলায় লোম গজাবে। আজ আমার মাষ্টার্স কমপ্লিট। আমাদের সংসার ভালোই চলছিলো। অনেক হাসি আনন্দর মধ্যে দিন কাটতো। ভাইয়া যেদিন ঢাকা থেকে বাড়ি যেতো সেদিন সারারাত আমাদের কোন ভাই বোনের ঘুম হতো না, আনন্দে। ভাইয়াকে বাস কাউন্টারে আমরা নিতে আসতাম। আমাদের পরিবারে সবসময় হাসি ঠাট্টা লেগেই থাকতো।
সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নলো ভাইয়াকে বিয়ে দেয়া হবে। গুটি কয়েক মেয়ে দেখার পর পছন্দ হয়ে গেলো।
অনেক ধুমধাম করে বিয়ে করালাম ভাইয়াকে। আব্বার জমানো সব টাকাই প্রায় খরচ হয়ে গেলো। কিন্তু দুঃভাগ্যে আমার ভাইয়ার সেখানে সংসার বেশিদিন টিকলো না। একবছরের মাথায় সংসার ভেঙ্গে গেলো। মেয়ের অন্য কোথাও নাকি লটরপটর ছিলো। শহরের মর্ডান মেয়ে তাই এগুলো তার ও তার পরিবারের কাছে কোন ব্যপারই না।
যাই হোক আবার মেয়ে দেখার পালা । এবার শহর নয় গ্রামের মেয়ে চাই। যে কথা সেই কাজ। গ্রামের মাটির ঘর থেকে খুব ভদ্র নামাজি পর্দানশীল মেয়ের সাথে বিয়ে দেয়া হলো। মাস ছয়েক ভালোই ছিল। তার পর শুরু হলো পর্দার কেরামতি। আমরা সবাই ছিটকে পড়তে লাগলাম রক্তের বন্ধন থেকে থেকে। যে যে উনার কথা মতো চলতে পারবে সেই ভালো। মানসম্মান বলে কিছু আছে কিনা জানা নাই। তবে ভালো মন্দ জ্ঞান বিষয় যে অন্ধ তা নিশ্চিত। নিজে যা করবে সেটাই ভালো তার উপর আর কোন ভালো কাজ নেই। নিজের দোষ বলতে কিছু নাই। উনার একটাই কথা “আমি স্বার্থ ছাড়া এক পাও চলি না”। আরো অাশ্চর্য বিষয় হলো উনি পুথিগত বিদ্যায় মাষ্টার্স পাশ। আমার আম্মা যখন উনাকে খেতে ডাকতেন তখন উনি বলতেন -আমাকে এতোবার ডাকেন কেনো আমাকে আপনি ডাকলে আমার রাগ হয়।
আমাদের পরিবার আর পরিবার বইলো না। ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেলো। কখনো কখনো সবাই মিলে জোড়া দেবার চেষ্টা করলেও পর্দার কেরামতিতে জোড়া লাগেনা। একটা না একটা ঝামেলা বাধিয়ে সবাইকে আলাদা করে রাখবেই।
Labels:
Real life Story
Saturday, September 29, 2018
চিরন্তন সত্য
Tuesday, September 25, 2018
সংগৃহিতঃ কিছু ইংরেজি শব্দ
343 Site (নির্মাণ-ভূমি / জায়গা)
344 Cite (উল্লেখ করা / উদ্ধৃত করা)
345 Sweat (ঘাম)
346 Sweet (মিষ্টি)
347 Sometime (একদা)
348 Sometimes (কখনও কখনও)
349 Social (সামাজিক)
350 Sociable (মিশুক)
351 Soul (আত্না / প্রেরণাদাতা)
352 Sole (একমাত্র / জুতার তলি)
353 Steal (চুরি করা)
354 Steel (ইস্পাত / স্টীল)
355 Style (শৈলী / ধরণ)
356 Stile (প্রাচীরের সঙ্গে লাগানো মই)
357 Staff (প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মী)
358 Stuff (উপাদান)
359 Story (গল্প / কাহিনী)
360 Storey (গৃহতল / তলা)
361 Straight (সোজা / সরল)
362 Strait (কঠোর / সঙ্কীর্ণ)
363 Stationary (স্থির / নিশ্চল)
364 Stationery (মনিহারী / স্টেশনারি)
365 Ship (সমুদ্রগামী জাহাজ)
366 Sheep (ভেড়া)
367 Suit (বিশেষ পোশাক / মকদ্দমা)
368 Suite (সেট / মানানসই / যন্ত্রসঙ্গীত)
369 Summary (সারাংশ / সংক্ষিপ্ত)
370 Summery (গ্রীষ্মের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ)
371 Success (সফলতা)
372 Succeed (সফল হওয়া)
344 Cite (উল্লেখ করা / উদ্ধৃত করা)
345 Sweat (ঘাম)
346 Sweet (মিষ্টি)
347 Sometime (একদা)
348 Sometimes (কখনও কখনও)
349 Social (সামাজিক)
350 Sociable (মিশুক)
351 Soul (আত্না / প্রেরণাদাতা)
352 Sole (একমাত্র / জুতার তলি)
353 Steal (চুরি করা)
354 Steel (ইস্পাত / স্টীল)
355 Style (শৈলী / ধরণ)
356 Stile (প্রাচীরের সঙ্গে লাগানো মই)
357 Staff (প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত কর্মী)
358 Stuff (উপাদান)
359 Story (গল্প / কাহিনী)
360 Storey (গৃহতল / তলা)
361 Straight (সোজা / সরল)
362 Strait (কঠোর / সঙ্কীর্ণ)
363 Stationary (স্থির / নিশ্চল)
364 Stationery (মনিহারী / স্টেশনারি)
365 Ship (সমুদ্রগামী জাহাজ)
366 Sheep (ভেড়া)
367 Suit (বিশেষ পোশাক / মকদ্দমা)
368 Suite (সেট / মানানসই / যন্ত্রসঙ্গীত)
369 Summary (সারাংশ / সংক্ষিপ্ত)
370 Summery (গ্রীষ্মের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ)
371 Success (সফলতা)
372 Succeed (সফল হওয়া)
বিরহগাথা স্মৃতির পাতা
বিরহগাথা স্মৃতির পাতা-১
সুখ দুঃখ নিয়েই মানুষের জীবন। সুখ আছে বলেই আমরা দুঃখের কথাগুলো ভুলতে পারিনা। পক্ষান্তরে দুঃখ আছে বলেই আমরা সুখের পিছনে মরিয়া হয়ে ছুটে চলি। সুখগুলো ধরা দেয়না, আর দুঃখ পিছু ছাড়েনা। এমন কথার সাথে আমরা বেশি পরিচিত। অনেক কষ্টে সুখের দেখা পেলেও দুঃখ তার দলবল নিয়ে এসে সব লন্ডভন্ড করে দিয়ে যায়।
ভুলতে পারিনা সেই দিনগুলোর কথা। আমরা দু্ই ভাই । অনেক বছর আগের কথা তখন আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি। আমার বড় ভাই সিক্সে পড়ে খুলনা আলিয়া মাদ্রাসায়। আমার আব্বা ডাক বিভাগের পোষ্টম্যানের চাকুরী করতেন। খুব অভাবের ভিতর আমাদের দিন অতিবাহিত হতো। আম্মা ছেড়া শাড়ি নিজে সেলাই করে পড়তো। আব্বাও ঠিক একই রকম মাসের পর মাস একই জামা পড়ে দিন কাটাতো। অফিসে গিয়ে নিজের শার্ট টা খুলে মোটা কাপড়ের অফিসের ড্রেস পরতো। কনকনে শীতে কোনদিন আব্বাকে একটা গরম কাপড় কিনতে দেখিনি। আমাদের দুই ভাইকে নিক্সান ফুটপথ থেকে পুরানো গরম কাপড় কিনে দিতেন আব্বা। ঝুলে হাটুর নিচে নেমে যেতো। একটাতেই পার হতো তিন চার বছরের শীত।
আমি দেখেছি আমার আব্বাকে সকাল ৭টায় কাপতে কাপতে অফিসের পানে ছুটতে। অামি দেখেছি আমার আব্বা আম্মাকে চুলার পাশে বসে উষ্ণতা অনুভব করতে। আমি দেখেছি আমার আব্বা গোসল করে আম্মার শাড়ি দুই ভাজ করে লুঙ্গির মতো করে পড়ে ঘরে বসে থাকতো। ভেজা লুঙ্গিটি শুকানোর অপেক্ষায়। আমরা শুধু ঈদের সময় একটি করে জামা ও প্যান্ট পেতাম। বছরে একবার নতুন কাপড় পেতাম। আমার কাছে নতুন হলেও এটা আসলে নতুন না। খুলনা নিক্সান মার্কেটের ফুটপথ থেকে কেনা হতো। আর আব্বা আম্মা কিছুই কিনতো না। তাই নিয়েই খুশি থাকতাম। তখন এতো কিছু না বুঝলেও এটুকু বুঝতাম যে, আমাদের সংসারে খুব অভাব। আব্বা যে বেতন পান তাতে আমাদের চলেনা। এখন চিংড়ি মাছের অনেক দাম কিন্তু তখন ঘুষো চিংড়ি (ছোট ছোট চিংড়ি) কেউ কিনতো বলে মনে হয় না। আমাদের প্রতিদিনের খাবারের মেনু ছিল ভাতের সাথে ডাটা আর চিংড়ি মাছের ঝোল। সাথে কখনো কখনো আলুভর্তা। আবার কখনো শুধু আলুভর্তা। অভাবের তাড়নায় আমার আব্বা আম্মা ভাতের ফেন (ভাতের মাড়) খেয়ে এক বেলার ভাত বাচিয়ে রাখতো , অন্য বেলার জন্যে। এখন তো আটার দাম তুঙ্গে তখন আটার এতো দাম ছিল না । লাল আটা বলে একটা আটা পাওয়া যেত। সেই আটার শুকনো রুটি খেয়ে কতো সকাল পার করেছি তার হিসাব মেলা দুস্কর।
সংসারের এই বেহাল দশায় আমার আম্মার কোল জুড়ে পৃথিবীতে আসে আমার ছোট দুই ভাই বোন (জমজ)।
চলবে ...............................................
Labels:
Real life Story
Subscribe to:
Posts (Atom)



